বিপৎসীমার ওপরে তিস্তা, নীলফামারীর ১৫ গ্রামে পানি

মাসখানেক আগে দেশের ১৮ জেলায় বন্যায় প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করে সরকার।

নীলফামারী প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 1 August 2022, 03:39 PM
Updated : 1 August 2022, 03:39 PM

ভারী বৃষ্টি আর উজানের পানিতে নীলফামারীতে তিস্তা নদী বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে খুলে রাখা হয়েছে ব্যারাজের সব কপাট।

নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী মো. আসফাউদদৌলা জানান, সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ি, খগাখড়িবাড়ি, খালিশাচাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ি ইউনিয়নের ১৫টি চর ও গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রায় দুই সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়ে।

এছাড়া পানির তোড়ে টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চরখড়িবাড়ি গ্রামে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বালুর বাঁধের প্রায় দুইশ মিটার বিধ্বস্ত হয়েছে। সেখান দিয়ে পানি ঢুকে দেড় শতাধিক বিঘা আমন ধানের ক্ষেত তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ময়নুল হক।

চেয়ারম্যান বলেন, “প্রায় এক মাস পর আবার তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আকস্মিকভাবে ইউনিয়নের প্রায় সাতশ পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।”

পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের পূর্বছাতনাই ও ঝাড়সিংহেরশ্বর চরেও প্রায় পাঁচশ পরিবার পানিবন্দী হয়েছে বলে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খাঁন জানিয়েছেন।

পানি বাড়ার কারণ সম্পর্কে পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদদৌলা বলেন, “ভারী বৃষ্টিপাত আর উজানের ঢলই এর কারণ।

“পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি কপাটের সবই খুলে রাখা হয়েছে।”

চরখড়িবাড়ি গ্রামের স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত যে বালুর বাঁধটি বিধ্বস্ত হয়েছে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

আরও

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক