Published : 01 Oct 2025, 07:27 PM
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতির সময় ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে; যাদের মধ্যে একজন আন্তঃজেলা ডাকাত দলের প্রধান বলে দাবি পুলিশের।
এ সময় তাদের কাছ থেকে চার জোড়া স্বর্ণের দুল, একটি স্বর্ণের চেইন, এক জোড়া নুপুর, ২০ হাজার টাকা, বিভিন্ন দেশি অস্ত্র ও একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়।
বুধবার ডাকাতির প্রস্তুতির মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানান কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার নজির আহমেদ খান।
মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে উপজেলার ভিংলা বাড়ি এলাকায় থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান তিনি।
গ্রেপ্তাররা হলেন- আন্তঃজেলা ডাক্তার দলের প্রধান শাহ আলম দুলাল (৪০), মো. মনির হোসেন (৪০), মামুন মিয়া (২৪), মাহবুব আলম (৩৮), আলমগীর হোসেন (৩০), আল আমিন (৩২), কামাল হোসেন (৩২), মোশাররফ শরীফ (৩২), মো. সুমন (৩৩), মো. খোকন (৪০), আমামিন (২৫), মো. সোহেল (২৬), আউয়াল (৫০) এবং নিহার বিশ্বাস (৪৮)।

দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার নজির আহমেদ বলেন, রোববার লালমাই থানায় দুটি ডাকাতের ঘটনা ঘটে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে জেলা পুলিশ।
তিনি বলেন, “মঙ্গলবার রাতে বাঙ্গরা থানা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়ার গোপন খবর পাওয়া যায়। পরে ওই এলাকায় টহল জোরদার করা হলে, আর ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি। তবে ডাকাত দলটি দেবিদ্বার থানায় ডাকাতি করবে বলে খবর পাওয়া যায়।
“পরে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে চেকপোস্ট স্থাপন করে পুলিশ। পুলিশের চেকপোস্ট দেখে একটি কালো মাইক্রোবাস থেকে আরোহীরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ ১৪ সদস্যকে আটক করে।”
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা লালমাই এলাকায় তিনটি, বরুড়ায় একটি ও নবীনগর থানা এলাকায় একটি ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশ সুপারের।
পরে ডাকাতির প্রস্তুতির মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয় বলে জানান পুলিশ সুপার নজির আহমেদ।