মধুখালী-মাগুরা রেলপথ নির্ধারিত সময়ে হচ্ছে না: রেলমন্ত্রী

নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হলে সময় বাড়ানো হবে, তবে এজন্য প্রকল্প ব্যয় বাড়ানো হবে না বলে রেলওয়ে মন্ত্রীর ভাষ্য।

ফরিদপুর প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 2 August 2022, 06:23 PM
Updated : 2 August 2022, 06:23 PM

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মধুখালী-মাগুরা ভায়া কামারখালী ব্রডগেজ রেল লাইন প্রকল্পের কাজ শেষ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।

তবে সময় বাড়ানো হলেও প্রকল্প মূল্য বাড়বে না বলে জানিয়েছেন পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য সুজন।

প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনকালে মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে নির্মাণাধীন কামারখালী রেল স্টেশনের সামনে সাংবাদিকদের তিনি কথাগুলো বলেন।

রেল মন্ত্রী বলেন, চার বছর মেয়াদী এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয় ২০১৮ সালে। শেষ হওয়ার কথা ছিল চলতি বছরের নভেম্বরে। তবে জমি অধিগ্রহজনিত জটিলতা, এলাকার বাস্তবতা এবং সর্বোপরি করোনার প্রদুর্ভাবের কারণে কাজ সময়মত শুরু করা যায়নি। এ কাজ শুরু হয়েছে প্রকল্প শুরুর অনেক পরে ২০২১ সালের ২৩ মে।

রেলমন্ত্রী বলেন, সময়মত কাজ শেষ করা না গেলে সময় বাড়ানো হবে, তবে এজন্য প্রকল্প ব্যয় বাড়াবে না সরকার।

রেলমন্ত্রী বলেন, এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যয় দিয়ে। তাই বিশ্ববাজারে নির্মাণ সামগ্রীর দাম কতটা কী বেড়েছে তা সরকারের বিবেচনায় নেওয়ার সুযোগ নেই।

এ কাজের অংশ হিসেবে দুটি নতুন রেল স্টেশন নির্মাণ করা হচ্ছে। এর একটি মাগুরায় এবং অপরটি ফরিদপুরের কামারখালীতে।

রেলমন্ত্রী বলেন, মধুমতি নদীর উপর রেল সেতু নির্মাণ কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে পাইলিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। পাইলিংয়ের বাকি কাজ বর্ষার পর শেষ করা হবে। এ প্রকল্পের অধীনে নতুন রেল লাইন স্থাপনের পাশাপাশি পুরনো রেল লাইন সংস্কার করা হচ্ছে।

এ সময় মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর ও মীর আক্তার কনস্ট্রকশন লি. এ সত্ত্বাধিকারী মীর নাসির হোসনসহ রেলওয়েরিঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

রেলওয়ের এই প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ৮৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর মধ্যে ৪৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৯. ৯ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ করছে কাজী নাবিল আহমেদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ক্যাসেল কনট্রকশন কোম্পানি লি.। এ পর্যন্ত এ কাজের ৩০ ভাগ বাস্তবায়িত হয়েছে।

অপরদিকে মধুমতী নদীর উপর দুই হাজার ৪১২ মিটার দৈর্ঘ্যের রেল সেতু নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে ৪৪৮ কোটি টাকায়। এ কাজের ঠিকাদারি পেয়েছে মীর আক্তার কনস্ট্রকশন লি.। এ পর্যন্ত এ কাজের ২৭ ভাগ বাস্তবায়িত হয়েছে।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক