Published : 24 Jun 2024, 08:14 PM
শেরপুরে সড়কে চলাচলকারী পণ্যবাহী ট্রাক, অটোরিকশা, ইজিবাইক থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
রোববার রাতে র্যাব-১৪, সিপিসি-১, জামালপুরের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর মো. আব্দুর রাজ্জাক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তাররা হলেন- শেরপুর শহরের পূর্ব নবীনগর মহল্লার মো. মোশারফ হোসেন (৩৮), দক্ষিণ নবীনগর মহল্লার মো. আল আমিন (৩৭), উত্তর নবীনগর মহল্লার মো. আতিকুর হক (৩৯), নবীনগর মহল্লার মো. আল আমীন সরকার (৩৮), সদর উপজেলার তারাকান্দি এলাকার মো. তারা মিয়া (৪০), দক্ষিণ নবীনগর মহল্লার মো. মানিক মিয়া (৫৫), সদর উপজেলার বয়রা পরানপুর মহল্লার মো. সাদ্দাম হোসেন (৩১) এবং শেরপুর শহরের চকপাঠক মহল্লার মো. আতাউর কবির এনামুল (৩৮)।
মেজর রাজ্জাক বলেন, শেরপুর শহরের এম এ সামাদ সিএনজি স্ট্যান্ড সংলগ্ন পাঁকা রাস্তার উপর থেকে রোববার দুপুরে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
“এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩৫ হাজার ৪১ টাকা, ৯ টি মোবাইল, চাঁদাবাজির টাকা হিসাব নিকাশের দুটি টালি খাতা এবং বিপুল পরিমাণ চাঁদা আদায়ের রশিদ আলামত হিসেবে উদ্ধার করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা ওই চাঁদাবাজির সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। তারা ওই সড়কে উপর পণ্যবাহী গাড়ি, অটোরিকশা ও ইজিবাইকে চাঁদাবাজি করেন।”
র্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, “গ্রেপ্তাররা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে প্রতিদিন রাস্তার উপর অবস্থান নেয়। দেশের বিভিন্ন স্থান হতে পণ্যবাহী যানবাহন শেরপুর থেকে নকলা ও নালিতাবাড়ী প্রবেশের সময় তারা লেজার লাইট, লাঠি ও বিভিন্ন সংকেতের মাধ্যমে গাড়ি থামিয়ে চালকদের কাছ অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে থাকে।
“কিছু কিছু ক্ষেত্রে তারা চাঁদা আদায়ের রশিদও প্রদান করে থাকে। চালকরা তাদের চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাদের গাড়ি ভাঙচুর, চালক ও তার সহকারীকে মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।”
আব্দুল রাজ্জাক বলেন, ওই চক্র প্রতি রাতে চালকদের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা চাঁদা আদায় করে থাকে বলে জানা যায়।
তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।