Published : 05 Jun 2025, 06:38 PM
ভাঙ্গা উপজেলা থেকে ফরিদপুর জেলা সদর পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় এবারের ঈদ যাত্রায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে ঘরমুখো মানুষকে।
একদিকে খানাখন্দে ভরপুর সড়ক দিয়ে চলাচলে প্রায়ই ভেঙে যাচ্ছে যানবাহনের যন্ত্রপাতি। অন্যদিকে ওই সড়ক অতিক্রমে ভোগান্তির পাশাপাশি ধীর গতির কারণে যথাসময়ে গন্তব্যে পৌছাতে না পারাসহ রাতে ছিনতাই ও ডাকাতির শঙ্কা রয়েছে ঘরমুখো যাত্রীদের মাঝে।

তবে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার বলছেন, ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওই অংশে রাতের বেলায় পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। তাই শঙ্কায় থাকার কোনো কারণ নেই।
বরিশাল-ফরিদপুর মহাসড়কের ভাঙ্গা উপজেলা এক্সপ্রেসওয়ের শেষ প্রান্ত থেকে ফরিদপুরের দুরত্ব ৩০ কিলোমিটার, যা দীর্ঘদিন প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে খানাখন্দে ভরে গেছে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে বেড়েছে খানা-খন্দের পরিমাণ। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ওই সড়ক ব্যবহার করে যাতায়াত করা ফরিদপুরসহ অন্তত ১০ জেলার মানুষ।
সড়কটির বেহাল অবস্থার জন্য ফরিদপুরের সড়ক ও জনপদ বিভাগের কর্মকর্তাদের উদাসীনতাকে দায়ি করছেন এই সড়কে যাতায়াতকারীরা।

এই সড়ক দিয়ে ঢাকাগামী মাইক্রোবাসের চালক আবুল হোসেন বলেন, “ভাঙ্গা থেকে ফরিদপুর পর্যন্ত সড়কের যে অবস্থা, তাতে গাড়ির গতিসীমা বেশিতে তোলা যায় না। মহাসড়কের গাড়ির গতি যদি স্লো হয় সেক্ষেত্রে ডাকাতিসহ নানা ধরনের ঝামেলার আশঙ্কা থাকে।”
যদিও ছিনতাই ও ডাকাতির বিষয়টি মাথায় রেখে ওই অংশে পুলিশ টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. আব্দুল জলিল।
তিনি বলেন, “৩০ কিলোমিটার মহাসড়ককে চারটি ভাগে ভাগ করে পুলিশ টহলের ব্যবস্থা করা হযেছে।”

এরপরও কোনো ধরনের সমস্যা বা সন্দেহ হলে দ্রুত পুলিশকে জানানোর আহ্বানও জানিয়েছেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।
জেলার সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী শফিকুর রহমান বলেছেন, “আপাতত চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক করতে সড়কটির সংস্কার কাজ চলমান রয়েছে।”