মৃত্যুদণ্ডের আসামি ছদ্মবেশে পালিয়েছিলেন সাত বছর

পরকীয়ার জেরে ২০১১ সালের ২৮ নভেম্বর রিকশা চালক ইদ্রিস আলীকে শ্বাসরোধের পর জবাই করে হত্যা করা হয়।

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 31 July 2022, 05:42 PM
Updated : 31 July 2022, 05:42 PM

মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ইদ্রিস আলী হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে সাত বছর পর ঢাকার সাভার থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

হেমায়েতপুর এলাকার জয়নাবাড়ি থেকে শনিবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে র‌্যাব-৪ এর লেফটন্যান্ট কমান্ডার মো. আরিফ হোসেন জানান।

রিকশা চালক ইদ্রিস হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নজরুল ইসলাম পরিচয় গোপন করতে বিভিন্ন সময় সাভার ও আশুলিয়াতে সবজি বিক্রি করেছেন, ভ্যান চালিয়েছেন। কখনও হোটেল কর্মচারী হিসেবেও কাজ করেছেন।

রোববার দুপুরে র‌্যাব-৪ এর মানিকগঞ্জের আঞ্চলিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে লেফটন্যান্ট কমান্ডার আরিফ হোসেন জানান, নিহত ইদ্রিস আলীর বাড়ি মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের কদমতলা এলাকায়। আসামি নজরুল ইসলামের (৪২) বাড়ি একই উপজেলার চালা ইউনিয়নের কামারঘোনা গ্রামে।

আরিফ জানান, গ্রেপ্তারের ঝুঁকি এড়াতে মৃত্যদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নজরুল ইসলাম বিভিন্ন এলাকায় থাকতেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ সাত বছর তিনি পলাতক ছিলেন।

মামলার অভিযোগপত্রে জানা যায়, পরকীয়ার জেরে ২০১১ সালের ২৮ নভেম্বর রিকশা চালক ইদ্রিস আলীকে শ্বাসরোধের পর জবাই করে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের মা কোমেলা বেগম বাদী হয়ে আসামি নজরুল ইসলাম, সাত্তার মিয়া, সেলিনা আক্তার ও দুলাল মিয়াকে আসামি করে হরিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

আসামি নজরুল ইসলাম তিন বছর দুই মাস কারাভোগের পর জামিনে এসে পলাতক থাকেমামলা চলাকালে আসামি সাত্তার মিয়ার মৃত্যু হয়।

এ মামলায় ২০১৬ সালে মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত ইদ্রিসের স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও পরকীয়া প্রেমিক নজরুল ইসলামকে মৃত্যদণ্ড দেন। আর দোষ প্রমাণিত না হওয়ায় দুলাল মিয়াকে খালাস দেওয়া হয়।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক