Published : 27 Mar 2026, 12:42 PM
শেরপুরে আবাসিক ভবনে নিয়মবহির্ভূতভাবে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদ রেখে ব্যবসা পরিচালনা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না রাখার অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
একইসঙ্গে জননিরাপত্তার স্বার্থে ওই তেলের মজুদ সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের কাছে অভিযোগে পেয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শহরের গোয়ালপট্টি এলাকার ‘মেসার্স শিমলা ট্রেডার্সে’ ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. মাহমুদুল হাসান এ অভিযান চালান।
এ সময় শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার সেলিম রেজা ও সদর থানার ওসি সোহেল রানাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মেসার্স শিমলা ট্রেডার্সের মালিক তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলাল দীর্ঘদিন ধরে আবাসিক ভবনের নিচে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ধারণক্ষমতার একটি ট্যাংক নির্মাণ করে ডিজেল ও কেরোসিন বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। অভিযানের সময় সেখানে প্রায় ১৮ হাজার লিটার ডিজেল মজুদ পাওয়া যায়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান বলেন, “খুচরা দোকানে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে নানা অনিয়ম পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটির খুচরা বিক্রির লাইসেন্স থাকলেও পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোনো ছাড়পত্র তারা দেখাতে পারেনি।”
“এ কারণে পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০ ধারায় তাপস নন্ন্দীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২৭ মার্চ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মজুদ রাখা ডিজেল ও কেরোসিন নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে এবং আবাসিক ভবনে স্থায়ীভাবে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল।
তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাপস নন্দী ও শফিকুল ইসলাম হেলাল সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।