১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইউনিয়নে-ইউনিয়নে বর্ধিত সভা প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যের

তবে সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য্য আচরণবিধি লঙ্গনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ইউনিয়নে-ইউনিয়নে বর্ধিত সভা প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্যের

শনিবার স্বপন ভট্টাচার্য্য মণিরামপুর উপজেলার ভোজগাতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।

যশোর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Dec 2023, 11:23 PM

Updated : 05 Dec 2023, 01:53 PM

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী এবং যশোর-৫ আসনের নৌকার প্রার্থী স্বপন ভট্টাচার্য্য তার নির্বাচনি এলাকা মণিরামপুর উপজেলায় ইউনিয়নে ইউনিয়নে গিয়ে বর্ধিত সভা করে প্রচার চালাচ্ছেন। প্রতীক বরাদ্দের আগে এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে তিনি নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত তিন দিনে প্রতিমন্ত্রী বেশ কয়েকটি বর্ধিত সভায় বক্তব্য দিয়েছেন- এমন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখা গেছে।

তবে সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য্য আচরণবিধি লঙ্গনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মণিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, নির্বাচনি এলাকার পৌরসভা ও ইউনিয়নগুলোতে নৌকা মার্কার পক্ষে বিশেষ বর্ধিত সভার স্থান ও সময় উল্লেখ করে একটি সূচি তৈরি করা হয়েছে।

শনিবার স্বপন ভট্টাচার্য্য ভোজগাতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। সভার ব্যানারে লেখা ছিল, ‘আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করতে বিশেষ সভা’। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান। 

একই দিন স্বপন ভট্টাচার্য্য কাশিমনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশেষ বর্ধিত সভায়ও প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। সেখানে কাজী মাহমুদুল হাসান বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন।

সর্বশেষ সোমবার রাতে খেদাপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আয়োজিত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তিনি বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেন, “আমি এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করতে গিয়ে কর্মীদের সঙ্গে সৌজন্য কথাবার্তা বলছি। আমি এই মুহূর্তে হরিহরনগর ইউনিয়নে কাজ পরিদর্শন করতে এসেছি; কর্মীরা চা-পান খাওয়াচ্ছে, তাই খাচ্ছি।

“এটা আমি সব সময় করে থাকি। আমি কোনো বিশেষ বর্ধিত সভায় বক্তব্য রাখিনি। এই মুহূর্তে রাখতে পারব না। আমার কাছে নির্বাচনি নীতিমালা আছে, আমি সেটি মেনেই চলছি।”

এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনিছুর রহমান বলেন, “প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রচারের কোনো সুযোগ নেই। এটা আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং বিষয়টি মোটেও আইনসিদ্ধ নয়।”

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবরাউল হাছান মজুমদার বলেন, “নির্বাচনি আচরণবিধিতে স্পষ্ট বলা আছে, প্রতীক বরাদ্দের আগে কোনো প্রকার প্রচার-প্রচারণা চালানো যাবে না। বিষয়টি আমি এখনি খোঁজ-খবর নিচ্ছি।”