নীলফামারীতে আলুর হিমাগার অভিযান, ৯০ হাজার টাকা জরিমানা

মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করাসহ আলুর বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত এমন অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান ইউএনও।

নীলফামারী প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 3 Feb 2024, 08:24 PM
Updated : 3 Feb 2024, 08:24 PM

আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে নীলফামারীর জলঢাকায় হিমাগার ও বাজারে অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে আলু বিক্রি করায় সাতজনকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার উপজেলার বড়ঘাট এলাকার মুক্তা হিমাগারে অভিযান পরিচালনা করেন জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মইনুল ইসলাম।

অর্থদণ্ড পাওয়ারা হলেন- উপজেলার দক্ষিণ দেশিবাই গ্রামের হাবিবুর রহমান (৫০), বগুলাগাড়ি গ্রামের জিয়া রহমান (৫২), চ্যাংমারি মাঝাপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলাম স্বপন (৪৫) ও গোলমুণ্ডা দোলাপাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলাম (১৯)।

ইউএনও ময়নুল ইসলাম বলেন, “হিমাগারে যারা আলু সংরক্ষণ করেন তাদের কাছ থেকে ক্রয় করেন মধ্যস্বত্বভোগীরা। পরে সেই আলু চড়া দামে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করা হয়। এই মধ্যস্বত্বভোগীরাই আলুর দাম নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।

“বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মুক্তা হিমাগারে অভিযান চালিয়ে চার মধ্যস্বত্বভোগীকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাৎক্ষণিক জরিমানার অর্থ পরিশোধ করলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।”

হিমাগারে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করাসহ আলুর বাজার স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত এমন অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান ইউএনও।

অপরদিকে একই সময় জলঢাকা বাজারে অভিযান পরিচালনা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় সরকার নির্ধারিত মূল্যের থেকে অতিরিক্ত দামে আলু, পেঁয়াজ ও ডিম বিক্রি করায় তিন ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন নীলফামারী ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শামসুল আলম।

[প্রতিবেদনটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে: ফেইসবুক লিংক]