Published : 13 Aug 2025, 09:13 PM
গোপালগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রা ঘিরে সংঘর্ষ ও গুলিতে পাঁচজন নিহতের ঘটনায় গঠিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশনের সদস্যরা স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
বুধবার তদন্ত কমিশনের সভাপতি সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. আবু তারিকের নেতৃত্বে ছয় সদস্য সার্কিট হাউসে প্রথম নিহতদের স্বজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। পরে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি নেতা, গণমাধ্যমকর্মী, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাক্ষ্য নেন।
মঙ্গলবার দুপুরে কমিশনের সদস্যরা গোপালগঞ্জে পৌঁছে উলপুর, জেলা কারাগার, এনসিপির সভাস্থল, জেলা প্রশাসকের বাসভবনসহ ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। এ সময় তারা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
পরে সন্ধ্যায় কমিটির পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
গোপালগঞ্জে সহিংসতায় নিহত রমজান কাজীর মামা কলিম মুন্সি এবং রমজান মুন্সীর ভাই জামাল মুন্সি জানান, তারা তদন্ত কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাত করে লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন।
জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, তদন্ত কমিশনের সদস্যরা দুদিন গোপালগঞ্জে অবস্থান করে তদন্ত করেছেন।
১৬ জুলাই গোপালগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রায় পাঁচ ঘণ্টার সহিংসতায় চারজন মারা যান। পরদিন রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজন মারা যান।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৫টি মামলায় ১৬ হাজার ১৬২ জনকে আসামি করা হয়েছে। এসব মামলায় আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের এক হাজার ২৫২ জনের নাম এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৪ হাজার ৯১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।