Published : 28 May 2026, 10:04 PM
কোরবানির ঈদের দিন সাভারের চামড়া শিল্প নগরীতে চামড়াবাহী ৩৪১টি ট্রাক প্রবেশ করেছে।
বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রাজধানী ও এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এসব চামড়া এসেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ট্যানারি মালিকদের আগাম প্রস্তুতি এবং ঢাকা ও এর আশপাশের মহাসড়কগুলোতে যানজট না থাকায় কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই চামড়াবাহী ট্রাকগুলো দ্রুত প্রবেশ করতে পেরেছে।

বিসিক চামড়া শিল্প নগরীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মেহরাজুল মাঈয়ান বলেন, বিকাল থেকেই কারখানাগুলোতে চামড়া প্রবেশ শুরু করছে। ৩৪১টি ট্রাকে মোট ৭৯ হাজার ২১৮টি চামড়া এসেছে। এর মধ্যে গরু ও মহিষের চামড়া ৭৮ হাজার ৫১৫টি আর ছাগল ও ভেড়ার চামড়া ছিল ৭০৩টি।
এদিকে, সন্ধ্যায় সাভারের আমিনবাজার এলাকায় কাঁচা চামড়া ক্রয় ও বিক্রয় কার্যক্রম পরিদর্শন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “এবার কোরবানির চামড়া পাচার হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ যেসব জায়গায় চামড়া জড়ো হয়, সেখানে সার্বক্ষণিকভাবে আমাদের লোক কাজ করছে।”

তিনি বলেন, “এবার বেশিরভাগ চামড়া সংরক্ষণ করা যাবে এবং ট্যানারি পর্যন্ত পৌঁছাবে। অন্যান্য যেকোনো বছরের তুলনায় বেশি সংখ্যক চামড়া সংরক্ষণ করা যাবে। আর ভবিষ্যতে এটিকে একটি স্থায়ী অবকাঠামোতে রূপ দেওয়ার জন্য আমরা পরিকল্পনা করছি।”
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “কাঁচা চামড়া মানে ওয়েট ব্লু চামড়া- এটা রপ্তানি করা যায় না। ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানি করে যে টাকা পাবেন, আর এই চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে তা দিয়ে জুতা, বেল্ট বা অন্য কিছু উৎপাদন করে যদি রপ্তানি করেন তাহলে অনেক বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হয়। আর কর্মসংস্থানও বাড়ে।
“সেজন্য চামড়া দিয়ে প্রস্তুত পণ্য আমরা রপ্তানি করতে চাই। চামড়া যেন নষ্ট না হয় সেদিকে আমাদের নজরদারি রয়েছে। যারা চামড়ায় লবণ মাখিয়ে বিক্রি করবেন তারা ভালো দাম পাবেন।”
এ সময় মন্ত্রী চামড়া ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গেও কথা বলেন।