২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিকের ওপর ‘হামলা’, আরেক সাংবাদিক গ্রেপ্তার

বিশ্বজিৎকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে দুটি সেলাই দেওয়া হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিকের ওপর ‘হামলা’, আরেক সাংবাদিক গ্রেপ্তার
বিশ্বজিৎ পাল বাবু।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 23 Jun 2024, 10:09 PM

Updated : 26 Aug 2026, 09:50 AM

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় একটি জাতীয় দৈনিকের জেলা প্রতিনিধির ওপর হামলার অভিযোগে আরেক সাংবাদিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

রোববার দুপুর ১২টার দিকে আখাউড়া-আগরতলা ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্টের নো-ম্যান্স ল্যান্ডে মারধরের এ ঘটনা ঘটে বলে আখাউড়া থানার ওসি মো. নূরে আলম জানান। 

পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপর জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধির বিশ্বজিৎ পাল বাবুকে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে বিকালে তিনি বাদী হয়ে যমুনা টেলিভিশন ও দৈনিক যুগান্তরের আখাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন মিশুকে আসামি করে আখাউড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। 

মামলার বাদী বিশ্বজিৎ পাল বাবুর বাড়ি আখাউড়া পৌর এলাকার রাধানগরে এবং আসামি মহিউদ্দিন মিশুর বাড়ি একই উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের গাজীর বাজার সংলগ্ন সাহেবনগরে। 

মামলার বরাতে ওসি নূরে আলম বলেন, “আগে থেকেই মহিউদ্দিন মিশুর সঙ্গে বিশ্বজিতের বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার সময় চেক পোস্টের নো-ম্যান্স ল্যান্ড এলাকায় বিশ্বজিৎকে দেখতে পেয়ে গালমন্দ করতে থাকেন মহিউদ্দিন মিশু। 

“বিশ্বজিৎ পাল গালমন্দের প্রতিবাদ না করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে উদ্যত হলে মহিউদ্দিন মিশু দৌড়ে এসে তাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকে। এক পর্যায়ে মহিউদ্দিন মিশু ধারালো বস্তু দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করলে বিশ্বজিতের থুতনির নিচে বাম পাশে রক্তাক্ত জখম হয়।” 

নূরে আলম বলেন, “পরে সেখান থেকে তাকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে রক্তাক্ত স্থানে দুটি সেলাই দেওয়া হয় বিশ্বজিৎকে।” 

ওসি বলেন, ঘটনার পরপর সেখানে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মহিউদ্দিন মিশুকে আটক করে আখাউড়া থানায় নিয়ে আসে। পরে মামলা হলে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। 

সোমবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।