ঢাকার কেরানীগঞ্জে বাক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

ওই নারীকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করেছিল পুলিশ, পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 29 Nov 2022, 06:56 PM
Updated : 29 Nov 2022, 06:56 PM

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধারের পর যে নারীর মৃত্যু হয়েছে, তাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে বলে স্বজনদের অভিযোগ।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কদমতলী শুভাড্যা এলাকা থেকে সোমবার রাতে ওই নারীকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই নারীর মৃত্যু হয়।

স্বজনদের খুঁজে বের করার পর পুলিশ জানতে পারে, লতা সরকার (৩২) নামে ওই নারী বাকপ্রতিবন্ধী ছিলেন।

লতার বোন পাখি সরকারের অভিযোগ, তার বোনকে ধর্ষণের পর পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি শাহজামাল জানান, রাত ২টার দিকে ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে শুভাড্যা চিতাখোলা সাবান কারখানার পাশ থেকে দগ্ধ অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে টহল পুলিশ। পরে তাকে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তার শরীরের ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।

ওসি বলেন, ওই নারীর পরিচয় পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে তার পরিচয় শনাক্ত হয়। পরিবারের মাধ্যমে জানা যায়, ওই নারী বাকপ্রতিবন্ধী ছিলেন। তার বাসা কলাতিয়া এলাকায়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই থানায় একটি হত্যা মামলা করেছে। ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে, ওই নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন কি না।

পাখি সরকার জানান, তাদের বাড়ি কেরানীগঞ্জের কলাতিয়ার আহ্লাদিপুর গ্রামে। তিন বোন, দুই ভাইয়ের মধ্যে লতা সবার বড়। জন্ম থেকে বাকপ্রতিবন্ধী লতা ছিলেন অবিবাহিত।

পাখি বলেন, সোমবার সন্ধ্যার দিকে বাসার সামনে থেকে কয়েকজন সিএনজি অটোরিকশায় লতাকে তুলে নিয়ে যায়। রাতে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তারা লতাকে পাননি। পরে রাত ৩টার দিকে পুলিশের মাধ্যমে খবর পান লতা দগ্ধ অবস্থায় বার্ন ইনস্টিটিউটে আছেন।

ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে এলাকার কয়েকজনের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। ওই ব্যক্তিদেরেই সন্দেহ করছেন তারা।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক