Published : 14 Aug 2024, 06:08 PM
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বাংলাদেশ নতুন প্রাণশক্তি খুঁজে পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান।
তিনি বলেছেন, “বঙ্গবন্ধু কন্যার ফিরে আসার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ শক্তিশালী হয়েছে। তাঁর প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে চার মূলনীতির পথে আমরা হাঁটছি। দেশ ফিরে পেয়েছে স্বয়ংসম্পূর্ণতা। শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন ছিল একটি জাগরণ।”
বৃহস্পতিবার ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ‘তিনি ফিরে এসেছিলেন বলেই...’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত অনুষ্ঠানে মশিউর রহমান বলেন, “শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম আগামী দিনে বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে, মানবিকতার সঙ্গে আমরা সেই পথে হাঁটছি।
“ভেবে দেখুন ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট হত্যাকাণ্ডে মেজর জেনারেল জিয়ার যেমন হাত ছিল, ঠিক একইভাবে শেখ হাসিনা যখন একের পর এক দুর্দমনীয় গতিতে কাজ করে যাচ্ছিলেন আবারও সেই অগাস্টে ২১ অগাস্ট তারই সন্তান আরেকটি দিন বেছে নিয়েছিল শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য।
“বাংলাদেশ সৃষ্টিতে বঙ্গবন্ধুর যে অনবদ্য ভূমিকা সে কারণে এদেশের মানুষ মনে করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং তার দুকন্যাকে আগলে ধরে দেশকে সুউচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা একসঙ্গে কাজ করব। সেকারণেই জঙ্গীবাদ আসে, সেটি নির্মূল হয়। অপশক্তি, অপসংস্কৃতি আসে, সেটি নির্মূল হয়।”
উপাচার্য মশিউর রহমান বলেন, “আমরা একে একে উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে চাই। আমরা এমন পুঁজিবাদী রাষ্ট্র হতে চাই না যারা মাদক এবং অস্ত্রের ব্যবসা করবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অপূর্ব এক মানবিক বাংলাদেশ চাই আমরা।”
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাস।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক মীজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম পরিচালক, দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলা২৪ এর নির্বাহী পরিচালক মো. আফিজুর রহমান এবং প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরামের সহসভাপতি অধ্যাপক রাশিদ আসকারী বক্তব্য দেন।