Published : 11 Nov 2025, 02:54 PM
নাটোরে ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় দুটি পৃথক ধারায় প্রধান শিক্ষককে ১৪ বছর ও যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে রাজশাহীর একটি আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. মহিদুজ্জামান অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ধর্ষণের দায়ে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের এ রায় দেন।
দণ্ডিত ফিরোজ আহমেদ নাটোরের মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে নেওয়া হয়।
মামলার বরাতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) মুন্সী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ২০২২ সালের ১ অক্টোবর এসএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষে ওই ছাত্রী বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন শিক্ষক ফিরোজ আহমেদ পরীক্ষায় ভালো নম্বর দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাকে কৌশলে রাজশাহীর এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যান।
সেখানে ওই ছাত্রীকে আটকে রেখে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এ ঘটনার পর ওইদিন রাতেই শিক্ষক ফিরোজ আহমেদসহ আরও দুজনের বিরুদ্ধে গুরুদাসপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন ছাত্রীর মা। পরে র্যাব ফিরোজকে গ্রেপ্তার করে।
তদন্ত শেষে পুলিশ তিন জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভেযোগপত্র দাখিল করেন। পরে বিচারক দুজনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে একমাত্র আসামি ফিরোজের বিচারকাজ শুরু করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুন্সী আবুল কালাম আজাদ বলেন, তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ, সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্কের পর এ রায় ঘোষণা করা হয়।
“এই রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাদীপক্ষও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।”