১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডে আহত আরও ৭৪ জন ছাত্রীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার পর থেকেই শিক্ষক গ্রেপ্তার এড়াতে এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান বলে জানিয়েছে র্যাব।
“হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই ওই ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।”
“একটা সুইসাইড নোট পাওয়া গেছে। সেখানে লেখা ছিল—‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিয়ে দেওয়া হোক।’ আরেকজন সহপাঠীর নামও ছিল সেখানে। বলা ছিল ‘তোমরা দুইজন ভালো থেক’।”
“গাইনি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা শিশুটির প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং নমুনা সংগ্রহ করেন। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত পাওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা।”
পরীক্ষায় ভালো নম্বর দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন শিক্ষক।
দীর্ঘ সময় পার হলেও পুলিশ কোনো তথ্য জানাতে পারেনি; তাই আবারও বিক্ষোভ, বলছে শিক্ষার্থীরা।
“আমাকে বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ায় আমি পায়ে আঘাত পেয়েছি।”