নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে: ইসি রাশেদা
“ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বরত সাংবাদিকরা নির্বাচন কমিশনের সিসি ক্যামেরা। আমরা তাদের কাছ পাওয়া তথ্যকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি।”
নির্বাচন যাতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা।
তিনি বলেছেন, “ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বরত সাংবাদিকরা নির্বাচন কমিশনের সিসি ক্যামেরা। আমরা তাদের কাছ পাওয়া তথ্যকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি।”
সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে প্রার্থী, প্রশাসন ও প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জনপ্রতিনিধিরা ভোটার হওয়ায় এই নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে রাশেদা সুলতানা বলেন, “দেশে-বিদেশে যাতে আমাদের কোনো বদনাম না হয়, সেজন্য ভোটকে স্বচ্ছ করতে হবে। বিষয়টি নির্বাচনি কাজে দায়িত্বরতরা খেয়াল রাখবেন বলে বিশ্বাস করি।”
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, জেলা পরিষদ উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী শামীম তালুকদার লাবু (জিপ গাড়ি), মোকবুল হোসেন মুকুল (ঘোড়া), মু. শওকত আলী সেলিম (উড়োজাহাজ), আব্দুর রহমান (চশমা), সদর থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম এবং কাজিপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বক্তব্য দেন।
আগামী ৯ মার্চ কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি বেশকিছু জেলা পরিষদ, পৌর সভা ও ইউনিয়ন পরিষদের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বিশ্বাস পদত্যাগ করায় এ পদটি শূন্য হয়।
নির্বাচনে মোট ছয়জন প্রার্থী অংশ নিলেও প্রতীক বরাদ্দের পর দুজন প্রার্থী ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
জেলার ৯টি উপজেলা, ৮৩টি ইউনিয়ন ও ৭টি পৌরসভায় মোট এক হাজার ১৯৬ জনপ্রতিনিধি ভোট দিতে পারবেন। প্রতিটি উপজেলায় দুটি করে ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
