Published : 18 Mar 2026, 03:06 PM
সাতক্ষীরা শহরের পৃথক দুই বাড়ি থেকে এক চিকিৎসক ও এক নৈশপ্রহরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার ভোরে শহরের কাটিয়া ও রসুলপুর গ্রামে দুজনের লাশ দেখতে পেয়ে স্বজন- স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয় বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন্স) সুশান্ত ঘোষ।
এর মধ্যে শহরের কাটিয়া এলাকায় সাতক্ষীরা সদর মন্দির সংলগ্ন বাসভবন থেকে চিকিৎসক সজীব দত্তের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।২৭ বছর বয়সী সজীব ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষ করে ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেছিলেন।
আত্মীয় ও প্রতিবেশী উৎপল সাহা বলেন, সজীব সম্প্রতি লন্ডনে উচ্চতর পড়াশোনা-এফসিপিএস করতে গিয়েছিলেন এবং সেখান থেকেই কিছুদিন আগে বাড়িতে ফেরেন।
সজীবের বাবা তপন কুমার দত্ত বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকেই সজীব তার ঘরে ঘুমাতে যায়। বুধবার সকালে তার মা কাঞ্চন দত্ত পূজা করার জন্য ওই ঘরের দরজায় ধাক্কা দিলে কোনো সাড়া পাননি।
পরে পেয়ে দরজার ফাঁক দিয়ে ছেলেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গামছা দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
অন্যদিকে, শহরের কদমতলা বাজার সংলগ্ন রসুলপুর গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আব্দুর রাজ্জাকের (৪৮) ঝুলন্ত মরদেহ।
আব্দুর রাজ্জাক কলারোয়া উপজেলার রামভদ্রপুর গ্রামের শামসুদ্দীন সরদারের ছেলে। তিনি রসুলপুর গ্রামের ‘ফাল্গুনী বস্ত্রালয়’ এর মালিকের বাড়িতে নৈশপ্রহরী ও কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করতেন এবং সেখানেই তার ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়।
স্বজনদের বরাতে প্রতিবেশী রবিউল ইসলাম বলেন, ভোররাতে রাজ্জাক সেহেরীর খাবারও খান। পারিবারিক বা সাংসারিক কোনো জটিলতার কারণে এই অপমৃত্যুর ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন্স) সুশান্ত ঘোষ বলেন, বুধবার দুপুরে মরদেহগুলো উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ময়নাতদন্ত ও অধিকতর তদন্ত শেষে এ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে, বলেন তিনি।