রাজনৈতিক দলের নেতাদের হিসাব-নিকাশ করে কথা বলা উচিত: এ্যানি
“কারো ভুলের কারণে যেন মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত না হয়। সেজন্য রাজনৈতিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ থাকার বিকল্প নেই”, বলেন তিনি।
রাজনৈতিক দলের নেতাদের হিসাব-নিকাশ করে কথা বলা উচিত বলে মনে করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
তিনি বলেছেন, “বুধবার গোপালগঞ্জে যা হয়েছে তা আমরা ভুলে যাইনি। প্রতিটি রাজনৈতিক দল, ব্যক্তি কর্মসূচি দেওয়া ও কথা বলার সময় হিসাব-নিকাশ করতে হবে।
“কারো ভুলের কারণে যেন মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত না হয়। সেজন্য রাজনৈতিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ থাকার বিকল্প নেই। আমাদেরকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।”
বৃহস্পতিবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা মিলনায়তনে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) ৬০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
অন্তর্বর্তী সরকার কোনো ব্যক্তি বা দলের নয় মন্তব্য করে এ্যানি চৌধুরী বলেন, সবার দায়িত্ব এই সরকারকে সহযোগিতা করা।
“আমাদের আন্দোলনের ফসল, জনগণের সরকার। তাই এ সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা ও দাবিও বেশি থাকবে। তবে আইনশৃঙ্খলার যেন অবনতি না হয়, খেয়াল রাখতে হবে”, বলেন তিনি।
লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুসের সভাপতি সমীর কর্মকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাহাব উদ্দিন সাবু, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, লক্ষ্মীপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহসভাপতি শংকর মজুমদার, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ডিরেক্টর স্বপন দেবনাথ, বাজুসের আইন উপদেষ্টা মিলন মণ্ডল, যুব ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শিমুল সাহা এবং বাজুসের জেলা সাধারণ সম্পাদক পরেশ কর্মকার উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বাজুসের ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও শোভাযাত্রা করা হয়েছে।
বাজুস নেতা সমীর কর্মকার বলেন, জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন ১৯৬৬ সালের ১৭ জুলাই যাত্রা শুরু করে। দেশের প্রায় ৪০ হাজার ব্যবসায়ীকে নিয়ে বাজুস ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।
