এইচএসসি: দুই দিনে উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে ২ লাখের বেশি আবেদন
আবেদন করা যাবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের সংখ্যা দুই দিনেই দুই লাখ ছাড়িয়ে গেছে।
সোমবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য দিয়েছেন।
এবারের পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের আবেদন রোববার শুরু হয়েছে। এ আবেদন চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত।
চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে শনিবার। এবার পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা সংখ্যায় ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। এর মধ্যে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।
যেভাবে করা যাবে আবেদন
https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd - ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত স্থানে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে এবং বোর্ড ড্রপ ডাউন থেকে বোর্ড নির্বাচন করে সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে।
এরপর মোবাইল নম্বর দিতে হবে। পুনঃনিরীক্ষণের ফলাফল প্রকাশিত হলে এই নম্বরে এসএমএস পাঠানো হবে।
আবেদনের পরবর্তী ধাপে স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। এক বা একাধিক বিষয়ে ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য বিষয়গুলো নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ বাটনে ক্লিক করতে হবে।
পুনঃনিরীক্ষণে প্রতিটি পত্রের জন্য দেড়শ টাকা হারে ফি দিতে হবে। দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয়পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে।
পরের ধাপে স্ক্রিনে প্রদেয় ফি এর পরিমাণ দেখা যাবে। বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় ও সোনালী সেবা এর মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে। ফি পরিশোধের বিস্তারিত ধাপগুলো ওয়েবসাইটের ‘হেলপ’ বাটনে ক্লিক করে দেখে নেওয়া যাবে।
ফি পরিশোধ করে আবেদনের পোর্টালে এসে ‘জমা দিন‘বাটনে ক্লিক করতে হবে।
ফি প্রদান করে একবার আবেদন জমা দেওয়ার পরে আরও বিষয় যুক্ত করতে চাইলে একইভাবে আবেদন করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে নতুনভাবে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
ফি পরিশোধের আগেই যদি আবেদন পরিবর্তন বা পরিমার্জনের প্রয়োজন হয়, সেক্ষেত্রে ‘মুছে ফেলুন‘বাটনে ক্লিক করে নির্বাচিত বিষয়গুলো (যেগুলোর জন্য এখনও ফি প্রদান করা হয়নি) প্রত্যাহার করা যাবে এবং নতুন করে বিষয় নির্বাচন করা যাবে।
তবে একবার ফি জমা দিলে আবেদন করা বিষয়গুলো আর বাতিল করা যাবে না এবং কোনো অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না।
