১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আটলান্টায় বাংলাদেশ পরিবেশ নেটওয়ার্কের সভা

‘প্রযুক্তির ইতিবাচক দিক কাজে লাগানোই টেকসই ভবিষ্যতের মূল চাবিকাঠি’

আটলান্টায় বাংলাদেশ পরিবেশ নেটওয়ার্কের সভা
বক্তব্য দিচ্ছেন তানজিনা ইসলাম তৃষা।

বিডিনিউজ২৪

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 26 Jul 2025, 12:18 AM

Updated : 26 Aug 2026, 01:27 PM

‘প্রযুক্তি ও পরিবেশ: সহাবস্থান না সংঘাত?’ শিরোনামে আটলান্টায় আলোচনা সভা করেছে ‘বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট নেটওয়ার্ক’ (বিইএন)-এর দক্ষিণ যুক্তরাষ্ট্র শাখা।

গত ১৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টা শহরে এ আয়োজন করেন তারা।

সভায় বক্তারা পরিবেশ ও প্রযুক্তির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার গুরুত্ব এবং মানবিক ও নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মীর মুজিবুর রহমান। 

তিনি বলেন, “প্রযুক্তি হলো বিজ্ঞানের ব্যবহারিক রূপ, যার মাধ্যমে মানবজীবনের সমস্যার সমাধান এবং উন্নয়ন সম্ভব। তবে প্রযুক্তির ব্যবহার যেন পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রযুক্তি কেবল যন্ত্রনির্ভর নয়, বরং এর কেন্দ্রে রয়েছে মানব, যন্ত্র এবং উপাদানের সমন্বয়। পরিবেশের সংজ্ঞা ও গুরুত্ব বুঝে প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার করাই এখন টেকসই ভবিষ্যতের জন্য প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।”

আলোচনায় অংশ নেন আটলান্টা স্পেলমেন কলেজের শিক্ষক কোয়ামে কালিমারা, জর্জিয়া স্টেট ডেমোক্রেটিক পার্টির নির্বাচিত সদস্য তানজিনা ইসলাম তৃষা এবং মানস দে। 

মুক্ত আলোচনায় মতামত দেন নাসিম জাফর, সায়মা জেরিন, অঙ্কুর পল ও রুদ্র শেখর।

সভার সঞ্চালনায় ছিলেন আয়োজক সংগঠনের সমন্বয়ক উৎপল দত্ত। স্বাগত বক্তব্য দেন সবুর খান।

পরিবেশ ও প্রকৃতিবিষয়ক গান শোনান অনিন্দ্য আহসান, অনন্যা দাস ও আদ্রিকা চৌধুরী। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবেশ-বিষয়ক প্রবন্ধ পড়ে শোনান নাহিদ ফারজানা।

আয়োজকরা জানান, সভাটির মূল উদ্দেশ্য প্রযুক্তির প্রয়োগে পরিবেশগত ভারসাম্য ও নৈতিক দায়িত্বের বিষয়টি সামনে আনা।