১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি ছাড়লেন আলফাডাঙ্গার নেতা

“আপনাদের মাধ্যমে সবাইকে জানাতে চাই, আমি আর বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নাই। ভবিষ্যতেও আর কখনো ওই দলের রাজনীতিতে নিজেকে জড়াব না।”

সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি ছাড়লেন আলফাডাঙ্গার নেতা

ফরিদপুর প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সৈয়দ মঈনুল হক কচি।

ফরিদপুর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Nov 2023, 01:06 AM

Updated : 04 Nov 2023, 01:06 AM

ফরিদপুরে এক বিএনপি নেতা সংবাদ সম্মেলন করে দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

তার নাম সৈয়দ মঈনুল হক কচি। তিনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি।

শুক্রবার ফরিদপুর প্রেস ক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। তবে এখনও পদত্যাগপত্র দলের কোনো পর্যায়ে পাঠাননি।

লিখিত বক্তব্যে কচি বলেন, “আপনাদের মাধ্যমে সবাইকে জানাতে চাই, আমি আর বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নাই। ভবিষ্যতেও আর কখনো ওই দলের রাজনীতিতে নিজেকে জড়াব না।”

কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন- এই প্রশ্নে দুই ধরনের জবাব দিয়েছেন তিনি। একবার বলেন, “ঢাকায় আমার গার্মেন্টস ব্যবসা ও নিজ এলাকায় ওষুধের ব্যবসা রয়েছে। ব্যবসার কারণে রাজনীতিতে সময় দিতে পারি না। এ কারণে পদ থেকে অব্যাহিত নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

পরে আবার বলেন, তিনি বিএনপিতে যান সাবেক সংসদ সদস্য শাহ মো. আবু জাফরের হাত ধরে।

আবু জাফর ১৯৭৯ সালে আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে জাতীয় পার্টি হয়ে তিনি বিএনপিতে যান। এখন তিনি অসুস্থতার কারণে রাজনীতি থেকে দূরে সরে আছেন। এটিও তার বিএনপি ছাড়ার একটি কারণ বলে জানান কচি।

অন্য এক প্রশ্নে তিনি বলেন, কারো ভয়-ভীতিতে তিনি রাজনীতি ছাড়ছেন না। জানান, তার বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে এবং হাই কোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন ।

পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “এখনো পদত্যাগপত্র জমা দেইনি। আগে সংবাদ সম্মেলন করলাম। আজ-কালের মধ্যে উপজেলা সভাপতি/সম্পাদক ও জেলা কমিটির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেব।”

কচির প্রয়াত তার বাবা সৈয়দ হাবিবুল হক আলফাডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন। তার পরিবারের সবাই আওয়ামী রাজনীতিতে জড়িত। তিনি একাই বিএনপি করতেন।