মালয়েশিয়া থেকে সৌদি আরব: বিদেশ সফরে জামায়াতের অর্ধেক এমপি
দলের ভাষ্য, সংসদীয় অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব বিষয়ে এটি একটি ‘শিক্ষা সফর’; ডিসেম্বরের মধ্যে বাকি এমপিদের ইউরোপ সফরের পরিকল্পনাও রয়েছে।
জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন সংসদ সদস্য একসঙ্গে বিদেশ সফর করছেন। তাদের ২৬ জনের সঙ্গে সহধর্মিণী আছেন। দলের আরও কয়েকজন নেতা ও পরিবারের সদস্যরাও দলবেঁধে কয়েক দেশ ভ্রমণের এ সফরে রয়েছেন।
দলটির পক্ষ থেকে ১৬ দিনের এ সফরকে ‘শিক্ষা সফর’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, সংসদ বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় হবে এ ‘শিক্ষা সফরে’।
সংসদীয় দলের অর্ধেকের মত সদস্যদের এ সফরের পর ইউরোপ সফরের সম্ভাবনা রয়েছে বাকিদের নিয়ে। এক বা একাধিক প্রতিনিধি দলে ভাগ হয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের ওই সফর হতে পারে বলে দলটির একাধিক নেতা বলেছেন।
এবারের সফরকারীরা এখন রয়েছেন ফিলিপিন্সে। তবে তারা একসঙ্গে যাননি; একেক জন একেক সময়ে বাংলাদেশ ছেড়ে যান। তাদের সবারই প্রথম গন্তব্য ছিল মালয়েশিয়া। এ দেশ দিয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর এ সফর শুরু হয়। এরপর সিঙ্গাপুর হয়ে তারা ফিলিপিন্সে যান।
সেখান থেকে সৌদি আরবে ওমরাহ করতে যাওয়ার কথা তাদের। একজন ছাড়া বাকি সবার পরে বাহরাইন যাওয়ার কথা। ১ অক্টোবরের মধ্যে বেশির ভাগের দেশে ফেরার কথা রয়েছে। এর আগে সফরকারীদের কারও কারও ওমান, থাইল্যান্ড, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও অস্ট্রেলিয়া সফর করার তথ্য মিলেছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াত ৭৭টি আসনে জয় পেয়েছিল। সে হিসেবে বর্তমানে বিদেশ সফরে রয়েছেন দলটির প্রায় অর্ধেক সংসদ সদস্য।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচিতে অংশ না নিয়ে একসঙ্গে দলটির এতজন সংসদ সদস্যের বিদেশ সফর রাজনৈতিক অঙ্গনে জন্ম দিয়েছে আলোচনার।
সরকারকে ‘চাপে’ রাখার কর্মসূচি দিয়ে দলের সংসদদের ‘দলবেঁধে’ দেশের বাইরে যাওয়ার কারণ নিয়েও চলছে নানা কথাবার্তা।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, তেল ও গ্যাস সংকট সমাধানের দাবিতে বিরোধী দলের দ্বিতীয় দফা রংপুর অভিমুখী লংমার্চ হয় ১৯ সেপ্টেম্বর।
এ বিষয়ে দলের প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, “এটি কোনো গোপন সফর নয়। প্রবাসীদের আমন্ত্রণ ও বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবেই সফরটি হচ্ছে।”
কয় দেশ সফরে এমপিরা?
সংসদ সদস্যদের বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদের স্পিকারের অনাপত্তিপত্র নেওয়ার বিধান রয়েছে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম অন্তত ১০ জন সংসদ সদস্যের সরকারি আদেশ (জিও) দেখেছে।
এগুলো পর্যালোচনায় দেখা যায়, তাদের বেশির ভাগের সফরসূচিতে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপিন্স, সৌদি আরব, ওমান, বাহরাইন ও থাইল্যান্ড রয়েছে। কয়েকজন আরব আমিরাত ও অস্ট্রেলিয়া সফরের অনুমতি নিয়েছেন।
জামায়াতের ৩৪ সংসদ সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্য, দলের দুই নেতা ও এক লেখকের বিদেশ সফর শুরু হয় ১৩ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়া দিয়ে। সফরকারীদের কেউ কেউ পরদিন দেশটিতে যান।
জামায়াতের প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের ভাষ্য, “একসঙ্গে কেউ যায়নি। সফরকারীরা নিজেদের মত গেছেন।”
মালয়েশিয়া থেকে সফরকারীরা ১৭ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে যান। সেখান থেকে গেল শনিবার ফিলিপিন্সে গেছেন তারা।
মঙ্গলবার ফিলিপিন্সে থাকা সফরকারী দলের অন্তত তিনজন সদস্যের সঙ্গে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কথা হয়।
তাদের একজন আখতারুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সফরকারী দলে ৩৪ জন এমপি এবং ২৬ জনের সঙ্গে তাদের সহধর্মিণী আছেন। আমরা এখন ফিলিপিন্সে আছি। আরও দুদিন পর যাব সৌদি আরব।”
সেখান থেকে বাহরাইন হয়ে ১ অক্টোবর দেশে ফিরবেন এমপিরা, যোগ করেন তিনি।
আখতারুজ্জামান নিজেও তার স্ত্রীকে নিয়ে সফরে থাকার কথা বলেছেন।
সফরে থাকা ঢাকা-৪ আসনের সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মঙ্গলবার রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ফিলিপিন্সে আছি। বিস্তারিত পরে বলব।”
জোটবেঁধে কেন এ সফর?
জামায়াতে ইসলামীর সংসদীয় দলের মুখপাত্র নাজিবুর রহমান মোমেন বলেন, “এটা নলেজ শেয়ারিংয়ের একটি ট্যুর। বিভিন্ন দেশের সংসদ পদ্ধতি, নেতৃত্ব ও রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা জানার চেষ্টা করছি।”
দলের প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, “সবাই একসঙ্গে যায়নি। এটি শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সফর; অতীতেও আমাদের নেতারা বিভিন্ন দেশে এমন সফরে গেছেন।”
তিনি বলেন, ‘‘একসাথেতো আমাদের এত এমপি ছিলেন না আগে। কিন্তু আমাদেরতো বিভিন্ন সময় বিদেশে যেতে হয়, প্রবাসীরা দাওয়াত দেন; বিভিন্ন প্রোগ্রামে আমরা অংশগ্রহণ করে থাকি, এটা নতুন বিষয় নয়।’’
এহসানুল মাহবুব বলেন, সফরে সংসদ সদস্যদের সঙ্গে পরিবারের সদস্য, আত্মীয় স্বজনও রয়েছেন।
তবে সব মিলিয়ে সর্বমোট কতজন সফরে রয়েছেন, এ বিষয়ে অবশ্য জামায়াতের কোনো নেতা স্পষ্ট করে বলেননি।
জামায়াতের আন্তর্জাতিক কমিটির একজন সদস্য বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, প্রায় দুই মাস আগে এ সফরের পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়।
তার ভাষ্য, দীর্ঘ সময় ক্ষমতার বাইরে থাকায় অনেক সংসদ সদস্য বিদেশের সংসদীয় কার্যক্রম কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাননি; সেই অভিজ্ঞতা অর্জনই এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।
সফরে থাকা অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান বলেন, “আমরা এখন ফিলিপিন্সে আছি। আরও দুই দিন পর সৌদি আরব যাব। পুরো সফরটি ১৬ দিনের।”
কেন এই সফর? কেন অনেকটাই ‘নীরবে’? এমন প্রশ্ন ছিল জামায়াতের চারজন নেতার কাছে।
দলের আন্তর্জাতিক কমিটির একজন সদস্য বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “জামায়াতের অনেক এমপিরা বাইরে দেশে সংসদ কীভাবে কাজ করে তারা দেখার সুযোগ পায়নি ১৭ বছর। তো এ কারণে যেসব দেশে তারা গেল, সেসব দেশে রাজনীতি, সংসদ, সামাজিকতা বোঝা এবং এটা যেন বাংলাদেশে কাজে লাগাতে পারে, সেজন্যই জামায়াত এই সফরের আয়োজন করেছে।”
অন্তত দুই মাস আগে এ সফরের সব পরিকল্পনা সম্পন্ন হয় বলে তুলে ধরেন এই নেতা।
এ বিদেশ সফরকে ‘অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি’ মন্তব্য করে জামায়াতের সংসদীয় দলের মুখপাত্র নাজিবুর রহমান মোমেন, “এটা তো নলেজ শেয়ারিংয়ের একটা ট্যুর। এ সমস্ত দেশে গিয়ে-গিয়ে আমরা বোঝার চেষ্টা করছি যে, আসলে সংসদ পদ্ধতি, নেতৃত্ব কীভাবে কাজ করে এই বিষয়গুলো (বোঝার চেষ্টা করা)।”
সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামান বলেন, “এই সফরের লক্ষ্যটা হল দেখাশোনা আর কি। দৃষ্টিটাকে প্রসারিত করা। আশেপাশের দেশগুলো কী করতেছে, কেমনে চলতেছে, উন্নতি কি করছে, ওরা কীভাবে কাজ করে এসবই।”
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘এই সফর আয়োজন হয়েছে পার্টি কাম পারসন...সব মিলিয়েই আরকি।’’
জামায়াতের এমপিরা গত দুদিনে ফিলিপিন্সে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন বলে তুলে ধরেন আখতারুজ্জামান।
মালয়েশিয়ায় সেমিনার
কুয়ালালামপুরে ১৬ সেপ্টেম্বর একটি সেমিনারে অংশ নেন সফরকারী সংসদ সদস্যরা। সেখানে বক্তব্য দেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন দি ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্স ইসলামিক স্টাডিজের (আইএআইএস) এর চেয়ারম্যান ও দেশটির সাবেক শিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক ড. মাজলি বিন মালিক।
এ বিষয়ে নিজের ফেইসবুক পোস্টে তিনি বলেন, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত চিন্তাবিদ অধ্যাপক জিয়াউদ্দিন সরদারের ‘পোস্ট-নরমাল টাইমস’ তত্ত্ব এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের ‘মাদানি’ নীতির আলোকে সমকালীন সংসদ সদস্যদের নেতৃত্ব ও রাষ্ট্র পরিচালনার নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আইএআইএস নিজেদের ওয়েবসাইটে মালয়েশিয়া সরকারের একটি নীতিনির্ধারণী থিঙ্ক ট্যাংক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি জিয়াউদ্দিন সরদারের ‘পোস্ট-নরমাল টাইমস’ হচ্ছে একটি পরিবর্তনের একটি তত্ত্ব, যা পুরনো মতবাদ বা ধারণার পর নতুন ধারণা বা মতবাদ আসার মধ্যবর্তী সময়কে নির্দেশ করছে।
অধ্যাপক জিয়াউদ্দিন সরদার পাকিস্তানে জন্মগ্রহণ করেন এবং পূর্ব লন্ডনে বড় হন। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ২০১০ সালে তিনি ‘পোস্ট-নরমাল টাইমস’ থিওরি উপস্থাপন করেন।
‘দি সেন্টার ফর পোস্টনরমাল পলিসি অ্যান্ড ফিউচার স্টাডিজ’ এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জিয়াউদ্দিন সরদার। মালয়েশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সম্পর্ক বহু পুরনো এবং জিয়াউদ্দিন সরকারের সেন্টারের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
তার ‘পোস্ট নরমাল থিওরি’ বাস্তবায়ন করার জন্য মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ‘মাদানি’ নীতি গ্রহণ করেন, যার কথা আইএআইএস চেয়ারম্যান মাজলি বিন মালিক এমপিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সেমিনারে তুলে ধরেছেন।
সামনে ইউরোপ সফর?
দলের আন্তর্জাতিক শাখার একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা বলেছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে বাকি সংসদ সদস্যদের এক বা একাধিক প্রতিনিধি দল ইউরোপ সফরে যেতে পারে।
তার ভাষ্য, সম্ভাব্য সফরে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশের সংসদ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পরিকল্পনা রয়েছে।
দলের অভ্যন্তরে ‘সেই চিন্তা-ভাবনা চলমান আছে’ বলে দাবি করেছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় একজন নেতা।
সম্ভাব্য সফরে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ মহাদেশটির বিভিন্ন দেশের সংসদ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে দলের এমপিদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ করে দিতে চায় জামায়াত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে দলের সংসদীয় দলের মুখপাত্র নাজিবুর রহমান বলেন, ‘‘আবার সুযোগ হলে বাকিরা যাবে। অসুবিধা নাই।’’
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানও একাধিক দেশ সফরে যেতে পারে বলে দলের উচ্চ পর্যায়ের দুই নেতা জানান।
এ বছরের ২৬ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রে সফর করতে অনাপত্তি নিয়েছেন দলের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।
কারা রয়েছেন সফরে
সংসদ সদস্যদের বাইরে জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, বিএনপি থেকে জামায়াতের যোগ দেওয়া নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান ও তার স্ত্রী এবং লেখক জিয়াউল হক রয়েছেন এ সফরে।
৩৪ সংসদ সদস্য হলেন
>> ঢাকা-৫ আসনের মোহাম্মদ কামাল হোসেন, খুলনা-৬ আসনের মো. আবুল কালাম আজাদ, পিরোজপুর-১ আসনের মাসুদ সাঈদী, শেরপুর-১ আসনের মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, খুলনা-২ আসনের এস কে জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল এবং বাগেরহাট-২ আসনের শেখ মঞ্জুরুল হক রাশেদ, রংপুর-৬ আসনের মো. নুরুল আমীন।
>> চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের মো. মাসুদ পারভেজ, নওগাঁ-২ আসনের মো. এনামুল হক, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের মো. রুহুল আমীন, গাজীপুর-৪ আসনের সালাহউদ্দিন, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নড়াইল-২ আসনের মো. আতাউর রহমান, ঢাকা-৪ আসনের সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এবং ময়মনসিংহ-৬ আসনের মো. কামরুল হাসান।
>> নীলফামারী-৪ আসনের আবদুল মুনতাকিম, কুড়িগ্রাম-১ আসনের মো. আনোয়ারুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৫ আসনের মো. আবদুল ওয়ারেস, গাইবান্ধা-১ আসনের মো. মাজেদুর রহমান, নীলফামারী-২ আসনের আলফারুক আবদুল লতিফ, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, জয়পুরহাট-১ আসনের মো. ফজলুর রহমান, নীলফামারী-১ আসনের মো. আবদুল সাত্তার, চাপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের মো. মিজানুর রহমান, পাবনা-৩ আসনের মুহাম্মদ আলী আছগার, পাবনা-৪ আসনের মো. আবু তালেব মন্ডল, রংপুর-১ আসনের মো. রায়হান সিরাজী, নীলফামারী-৩ আসনের ওবায়দুল্লাহ সালাফী, নেত্রকোনা-৫ আসনের মাসুম মোস্তফা, মেহেরপুর-১ আসনের মো. তাজউদ্দিন খান, কুষ্টিয়া-৪ আসনের মো. আফজাল হোসেন, গাইবান্ধা-২ আসনের মো. আবদুল করিম, ঢাকা-১৪ আসনের মীর আহমদ বিন কাসেম এবং যশোর-৫ আসনের গাজী এনামুল হক।
