Published : 20 Sep 2026, 05:33 PM
জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির মতবিনিময় সভা শুরুর পরে বর্জন করার কথা বলেছেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নেতা হাসনাত কাইয়ুম।
রোববার বেলা ৩টার দিকে তিনিসহ দলটির দুই প্রতিনিধি সভা থেকে বেরিয়ে আসেন।
বিকাল ৫টার দিকে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা মতবিনিময়ে অংশগ্রহণ করেছিলাম। বিকাল তিনটার দিকে আমরা আমাদের বক্তব্য জানিয়ে সভার মাঝপথে বেরিয়ে আসি।”
এদিন বেলা আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে সংবিধান সংশোধন কমিটির রাজনীতিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভাটি শুরু হয়। সেখানে অন্তত ১২টি দলের প্রতিনিধিরা যোগ দেন বলে বৈঠকে অংশ নেওয়া একজন নেতা বলেছেন।
তাদের মধ্যে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের দুই প্রতিনিধি হাসনাত কাইয়ুম ও দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া ছিলেন।
মতবিনিময়ে শুরুতে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
বৈঠক শেষে বিকালে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করবেন সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তার আগে বৈঠক থেকে বেরিয়ে আসার কথা তুলে ধরে হাসনাত কাইয়ুম সংবিধান সংশোধনের পদ্ধতি নিয়ে সমালোচনা করেন।
তার মতে, বিএনপির ‘নোট অব ডিসেন্ট’ ছিল সংবিধানের কী কী সংস্কার হবে, সেগুলো নিয়ে। কিন্তু পদ্ধতি নিয়ে তাদের ভিন্নমত ছিল না।
হাসনাত কাইয়ুম বলেন, “সংস্কার পদ্ধতি ছিল সর্বমহলে গৃহীত পদ্ধতি। তারা এটা করেনি, তাই আমরা প্রতিবাদ জানাতে গিয়েছিলাম মতবিনিময়ে।”
তার আগে একটি দাবিও জানানোর কথা তুলে ধরে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি বলেন, “আমরা বলেছি বাস্তবায়ন আদেশে ১৮০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার করার কথা বলা হয়েছিল, সেই সময়সীমা এখনো আছে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে ঐকমত্যের ভিত্তিতে যেন সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হয়।”
সংবিধান সংশোধন কমিটির এ মতবিনিময় সভায় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, এবি পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলনের প্রতিনিধিরা যাননি।