শামীম ওসমানের আসনে ‘হামলায়’ আহত সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী
সেলিম আহমেদ বলেন, “তারা প্রথমে আমাদের লিফলেট বিতরণে বাধা দেয়৷ প্রতিবাদ করলে আমাদের নেতা-কর্মীকে মারধর করে, আমি বাধা দিলে আমাকেও মারধর করে৷”
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী সেলিম আহমেদের প্রচারে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় প্রার্থী নিজেসহ ৬ জন আহত হয়েছেন৷
শুক্রবার সন্ধ্যায় ফতুল্লার কাঠেরপুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে৷
হামলার শিকার সেলিম আহমেদ লিবারেল ইসলামিক জোটের শরিক বাংলাদেশ জনদলের (বিজেডি) মহাসচিব৷ তিনি জোটের শরিক দল সুপ্রিম পার্টির দলীয় প্রতীক ‘একতারা’ নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন৷
এ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী তিনবারের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান৷
একতারার প্রার্থী বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় ফতুল্লার কাঠেরপুল এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীকে নিয়ে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণের সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
তিনি বলেন, “স্থানীয় আবজাল মিয়া ও তার ছেলে ইমরানসহ অন্তত ২০-২৫ জনের একটি দল হামলায় অংশ নেয়৷
“তারা প্রথমে আমাদের লিফলেট বিতরণে বাধা দেয়৷ প্রতিবাদ করলে আমাদের নেতা-কর্মীকে মারধর করে, আমি বাধা দিলে আমাকেও মারধর করে৷”
হামলাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয় কী- এই প্রশ্নে সেলিম বলেন, “ইমরানসহ অন্যরা স্থানীয় যুবলীগের কর্মী বলে পরিচিত বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন৷ আমি পুলিশকে জানিয়েছি।”
যোগাযোগ করা হলে ফতুল্লা থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফায়জুল ইসলাম বলেন, তিনি কোনো হামলার খবর পাননি৷ এ ঘটনায় কারা জড়িত, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিতও না৷
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আযম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়৷”
তিনি বলেন, “হামলাকারীরা কোনো দলের কর্মী কি না, সে ব্যাপারে নিশ্চিত নই৷ তবে যে দলেরই হোক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে৷”
ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আটজন প্রার্থী রয়েছেন৷ এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী শেষদিনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন৷
শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় আসনটিতে প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমানের পথ অনেকটা সহজ বলেই ধারণা করা হচ্ছে৷
