প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলেন সোহেল

স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 7 July 2012, 09:51 AM
Updated : 7 July 2012, 09:51 AM
ঢাকা, জুলাই ০৭ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সোহেল তাজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন।”
এর আগে শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্পিকার আব্দুল হামিদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন এই সাবেক প্রতিমন্ত্রী। এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
সোহেল তাজের ব্যক্তিগত সহকারী আবু কাওসার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “তিনি সশরীরে উপস্থিত হয়ে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। পরে গণভবনে গেছেন তিনি।”
এদিকে সোহেল তাজের পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন স্পিকারের ব্যক্তিগত সহকারী (পরিচালক) জয়নাল আবেদিন। এ ছাড়া এক তথ্যবিবরণীতেও একই কথা জানানো হয়েছে।
তথ্যবিবরণীতে বলা হয়, নির্বাচনী এলাকা ১৯৭ গাজীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য তানজিম আহমদ সোহেল তাজ শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের স্পিকার মো. আব্দুল হামিদের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। স্পিকার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।
২০০৮ সালের নির্বাচনে গাজীপুর-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের ছেলে সোহেল তাজ।
২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেও ২০০৯ সালের ৩১ মে তিনি মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
তবে সে সময় রাষ্ট্রপতি তা ‘গ্রহণ করেননি’ বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
ওই পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার তিন বছর পরও সোহেল তাজের ব্যাংক হিসাবে প্রতিমন্ত্রীর বেতন-ভাতা জমা হতে থাকায় গত ১৭ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একটি চিঠি দেন তিনি। পাশাপাশি তিনি পদত্যাগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারিরও আবেদন জানান।
ওই চিঠিতে সোহেল তাজ বলেন, “২০০৯ সালের ৩১ মে বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৮(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর হাতে আমার পদত্যাগপত্র দিই। ১ জুন আবারো সেই পদত্যাগপত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাই। এরপর থেকে অদ্যাবধি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আমি কোথাও কোনো কিছুতে স্বাক্ষর করিনি।”
সেই সময় থেকে তার ব্যক্তিগত হিসাবে পাঠানো বেতন-ভাতার যাবতীয় অর্থ ফেরত নেওয়ারও অনুরোধ জানানো হয় ওই চিঠিতে।
পরে গত ২৩ এপ্রিল ব্যক্তিগত সহকারীর মাধ্যমে পদত্যাগপত্র জমা দেন সোহেল তাজ। তবে সশরীরে পদত্যাগপত্র জমা না দেওয়ায় তা গ্রহণ করা হয়নি।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসইউএম/এমকে/এআরএইচ/এএল/২০৪২ ঘ.
তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক