২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

আওয়ামী লীগের ইশতেহারে 'দিন বদলের' প্রতিশ্রুতি

দ্রব্যমূল্য হ্রাস, জঙ্গি দমন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ, দুর্নীতি নির্মূলসহ ২৩ দফা প্রতিশ্র"তি দিয়ে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার 'দিনবদলের সনদ' ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় গেলে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার প্রতিশ্র"তি দিয়েছেন দলটির সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 12 Dec 2008, 09:11 AM

Updated : 26 Dec 2023, 09:45 PM

দ্রব্যমূল্য হ্রাস, জঙ্গি দমন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বিচার বর্হিভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ, দুনীতি নির্মূলসহ-২৩ দফা প্রতিশ্র“তি দিয়ে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার ‘দিনবদলের সনদ’ ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ।

নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় গেলে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন দলটির সভানেত্রী শেখ হাসিনা। ভিশন-২০২১ শিরোনামের এসব কর্মসূচি নতুন ভোটার হওয়া তরুণ-তরুণীদের উদ্দেশে উৎসর্গ করেছেন তিনি।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর হোটেল শেরাটনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলের ইশতেহার ঘোষণা করেন শেখ হাসিনা। ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তিতে এ দেশকে জনগণ যেভাবে দেখতে চায় সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ ইশতেহার তৈরি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ইশতেহারের ২৩ দফার মধ্যে ৫টি বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে আওয়ামী লীগ। সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ৫ দফার মধ্যে রয়েছে- দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সার্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ, বৈষম্য রুখে দারিদ্র বিমোচন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা।

মূল পাঁচটি দফা ছাড়াও ২৩ দফা প্রতিশ্র“তিতে স্থানীয় সরকার, কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন, পরিবেশ ও পানি সম্পদ, শিল্প বাণিজ্য, শিক্ষা ও বিজ্ঞান, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবার কল্যাণ, নারীর ক্ষমতায়ন, শিশু-কিশোর কল্যাণ, যুব সমাজ ও কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ও ভৌত অবকাঠামো, শ্রমনীতি, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা, ধর্মীয় সংখ্যালঘু, অনুন্নত সম্প্রদায় ও অনগ্রসর অঞ্চল, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও অবাধ তথ্য-প্রবাহ, প্রতিরক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া, সরকার ও এনজিও এবং পররাষ্ট্র নীতি সম্পর্কিত কর্মসূচিগুলোর বিবরণ দেওয়া হয়।

ইশতেহারে হাসিনা প্রতিশ্র“তি দেন- “আপনাদের মূল্যবান ভোটে আওয়ামী লীগ নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমিয়ে আপনাদের জীবনে স্বস্তি ও আস্থা ফিরিয়ে আনব।”

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, “নিছক ক্ষমতার রদবদলের জন্য নয়, দেশকে ভয়াবহ সংকট থেকে উদ্ধার করে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নয়ন, গণতন্ত্র, শান্তি ও প্রগতির পথে অগ্রসর করে নিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এজন্য আমরা আমাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য বা রূপকল্প, আগামী পাঁচ বছরে বাস্তবায়নযোগ্য কর্মসূচি এবং আশু ও জরুরি করণীয়সমূহ সংক্ষিপ্ত আকারে হাজির করেছি।”

ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণী ও দলমত নির্বিশেষে সমগ্র দেশবাসীর ‘সুদৃঢ় ঐক্য এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টার’ মাধ্যমেই এসব কর্মসূচি ও অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ইশতেহারের শুরুতেই ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিগত চার দলীয় জোট সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করা হয়। এই অংশে বলা হয়, চার দলীয় জোটের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্যই ‘ওয়ান ইলেভেন’ ঘটেছে।

“যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করা এবং জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস কঠোর হস্তে দমন করা হবে” - শেখ হাসিনার এই ঘোষণাকে উপস্থিত সবাই করতালি দিয়ে স্বগত জানায়। বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় কার্যকর ও জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ডের পুনর্বিচার, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচারসহ সব গ্রেনেড ও বোমা হামলার বিচার করার প্রতিশ্র“তিকেও একইভাবে স্বাগত জানান অতিথিরা।

প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সড়ক ও রেল যোগাযোগ এবং গভীর সমুদ্র বন্দরের বিষয়ে আওয়ামী লীগ তাদের অবস্থান এই ইশতেহারের মাধ্যমে পরিষ্কার করেছে। তাদের ১৫ নম্বর দফায় বলা হয়েছে, ‘এশীয় রেল ও জনপথের আওতায় পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রসমূহের সঙ্গে রেল ও সড়ক যোগাযোগ স্থাপন করা হবে। গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ এবং চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দরকে আধুনিকায়ন করে এশিয়ার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। স্থলবন্দর আধুনিকায়ন করা হবে।’

দ্রব্যমূল্য কমানের উদ্যোগ হিসাবে ‘মজুতদারি ও মুনাফাখোরি সিন্ডিকেট’ ভেঙে দেওয়া এবং চাঁদাবাজি বন্ধের উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্র“তি দিয়ে শেখ হাসিনা বলেছেন, “ভোক্তাদের স্বার্থে ভোগ্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ গড়ে তোলা হবে। সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য সৃষ্টি করে দ্রব্যমূল্য কমানো হবে ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা হবে।”

বিশ্বমন্দা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় নীতি, পরামর্শ প্রদান, তথ্য ভাণ্ডার গড়ে তোলা ও প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য জরুরিভিত্তিতে একটি টাস্কফোর্স গঠন করার অঙ্গীকার করা হয়েছে এই ইশতেহারে। শেখ হাসিনা বলেছেন, “২০১২ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে পুনরায় খাদ্যে স্বনির্ভর করে তোলা হবে।”

দুর্নীতি কমানের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করে শক্তিশালী, ক্ষমতাধরদের বার্ষিক সম্পদ বিবরণ,দেওয়া নিশ্চিত করা এবং সরকারি কর্মকাণ্ডের ব্যাপকভাবে কম্পিউটারচালিত করাসহ বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা বলেছেন হাসিনা।

বিদ্যুত ও জ্বালানি খাতের ব্যাপারে ইশতেহারে বলা হয়েছে- আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে তিন বছর মেয়াদি ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রামের’ আওতায় বর্তমানে নির্মাণাধীন ও গৃহীত বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র দ্রুত বাস্তবায়ন, জরুরিভিত্তিতে ১০০-১৫০ মেগাওয়াট গ্যাস টারবাইন প্রকল্প, বৃহৎ ও ক্ষুদ্র বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণসহ বেসরকারি খাতে ১০, ২০ ও ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া পুরনো বিদ্যুৎ কেন্দ্র মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ ও ওভারহোলিংয়ের ব্যবস্থা করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো হবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। আগামী তিন বছরে অর্থাৎ ২০১১ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫ হাজার মেগাওয়াটে, ২০১৩ সালের মধ্যে ৭ হাজার মেগাওয়াটে এবং ২০২১ সালে ২০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করা হবে।

সুশাসন নিশ্চিত করতে অনেকগুলো অঙ্গীকার করেছে আওয়ামী লীগ। ইশতেহারে বলা হয়েছে, ক্ষমতায় গেলে বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হবে; বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা হবে; জাতীয় সংসদকে কার্যকর ও সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে; প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রীসভার সদস্য- সাংসদ ও তাদের পরিবারের সম্পদের হিসাব ও আয়ের উৎস প্রতিবছর জনসমক্ষে প্রকাশের ব্যবস্থা নেয়া হবে; রাষ্ট্রের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কতিপয় সুনির্দিষ্ট বিষয় ছাড়া সাংসদরা দলের সঙ্গে ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ পাবেন; রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নিষিদ্ধ করা এবং ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে।

‘ভিশন-২০২১’ এর অংশ হিসেবে ইশতেহারে বেশ কিছু লক্ষ্যমাত্রার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে- ২০১০ সালের মধ্যে প্রাথমিক স্তরে ভর্তির হার ১০০ শতাংশে উন্নীত করা; ২০১১ সালের মধ্যে সবার জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা; ২০১২ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা; ২০১৩ সালের মধ্যে প্রতিটি বাড়িকে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থার আওতায় আনা; ২০১৩ সালে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৮ শতাংশে উন্নীত করা এবং ২০১৭ সালে এই হার ১০ শতাংশে উন্নীত করা; ২০১৩ সালে বাংলাদেশে বিদ্যুতের সরবরাহ ৭ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০১৫ সালে ৮ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করা; ২০২১ সাল নাগাদ দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা ২০ হাজার মেগাওয়াট ধরে নিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ; ২০১৪ সালের মধ্যে নিরক্ষরতামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা; ২০১৫ সালের মধ্যে সবার জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করা; ২০২১ সাল নাগাদ বেকারত্বের হার এখনকার ৪০ থেকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা; একই সময়ের মধ্যে দারিদ্র্যের হার এখনকার ৪৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা; ২০২১ সালের মধ্যে সব ধরনের সংক্রামক ব্যাধি সম্পূর্ণ নির্মূল করা; ২০২১ সালের মধ্যে জনগণের গড় আয়ু ৭০-এর কোঠায় উন্নীত করা; ২০২১ সালের মধ্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহারের হার ৮০ শতাংশে উন্নীত করা ইত্যাদি।

ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সকাল ৮টার পর থেকেই অতিথিরা হোটেল শেরাটনের উইন্টার গার্ডেনে আসতে থাকেন। মিলনায়তনের ডান দিকের চেয়ারগুলো সংরক্ষিত ছিলো কূটনীতিক ও বিশিষ্ট নাগরিকদের জন্য। মাঝের সারির চেয়ার রাখা ছিলো আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের জন্য। আর বাম সারিতে প্রচার মাধ্যম কর্মীদের বসার জায়গা রাখা হয়।

মঞ্চের দু’দিকে দু’টি প্রজেকশন স্ক্রিনে পুরো অনুষ্ঠানের ভিডিও তাৎক্ষণিকভাবে প্রদর্শন করা হয়।

অনুষ্ঠান শুরুর আগেই অতিথিদের জন্য প্রতিটি চেয়ারে একটি করে ফোল্ডার রাখা হয়। এতে ছিল দলের ইশতেহার, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত বিএনপি’র ৩০৩ টি হরতালে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ সম্বলিত একটি প্রতিবেদন, বিগত জোট সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনাসহ একটি পুস্তিকা এবং ২০০১ সালে চারদলীয় জোটের হাতে নির্যাতিত সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ছবিসহ পোর্টফোলিও ‘ধর্ষিত বাংলাদেশ’।

শেখ হাসিনা সকাল সোয়া ১০টার দিকে উইন্টার গার্ডেনে এসে একবারে সামনের সারির মাঝের চেয়ারে বসেন। তার ডান দিকে ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক এবং বাম দিকে সাংবাদিক এ বি এম মূসা।

বাদামি পাড়ের সাদা শাড়ি পরিহিত শেখ হাসিনা বক্তৃতা শুরু করার আগে জাতীয় সঙ্গীত ও দলীয় সঙ্গীত (জয় বাংলা বাংলার জয়) বাজানো হয়। এরপর বাহান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত পথ পরিক্রমার চিত্র তুলে ধরে একটি মিউজিক ভিডিও উপস্থাপন করা হয়। এর শিরোনমও ছিল ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’। এরপর, ভাষা আন্দোলন, ঊণসত্তরের গণ আন্দোলনসহ বাংলাদেলেশ ঐতিহাসিক পটভূমিত এবং আওয়ামী লীগের পাঁচ বছরের শাসনামলের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের চিত্র একটি তুলে ধরা হয় স্লাইড শোতে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে জাপানের রাষ্ট্রদূত মাসাউকি ইনো, ভারতের রাষ্ট্রদূত পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী, সাবেক উপদেষ্ট রোকেয়া আফজাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ কে আজাদ চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাত, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন বাবলু, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, ভাস্কর ফেরদৌসি প্রিয়ভাষিনী, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী এফবিসিসিআই সভাপতি আনিসুল হক, বিজিএমইএ সভাপতি আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ, বিকেএমইএ সভাপতি ফজলুল হক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

জাতীয় পার্টিসহ সমমনা কয়েকটি দল নিয়ে মহাজোট গড়ে আগামী ২৯ ডিসেম্বর নবম সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে আওয়ামী লীগ।