Published : 31 Dec 2018, 08:18 PM
একদিন আগে অনুষ্ঠিত নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করে বিদেশিদের সন্তোষ প্রকাশের প্রেক্ষাপটে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের নিয়ে কথা বলেন ফখরুল।
তিনি বলেন, “এই নির্বাচনে বিদেশি অবজারভার আছে বলে আমাদের জানা নেই। আমরা দেখেছি যে আমেরিকান এনডিআইসহ অন্যান্য যেসব অবজারভার আসার কথা ছিল, তাদেরকে ভিসা দেওয়া হয়নি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন কোনো অবজারভার পাঠায়নি। তারা দুজনের একটা মনিটরিং টিম পাঠিয়েছে।
“ভারতীয়রা কী পাঠিয়েছে, অফিসিয়ালি আমি জানি না, কানাডিয়ানরাও কী পাঠিয়েছে, আমরা জানি না। সুতরাং অবজারভার হিসেবে যাদেরকে দেখানো হচ্ছে, এটা কমপ্লিটলি আই-ওয়াশ করা হচ্ছে।
“মূল অবজারভারদের আসতে না দিয়ে (সরকার) এটাই প্রমাণ করেছে, তারা এই জিনিসটাকে আড়ালে রাখতে চেয়েছে, গোপন রাখতে চেয়েছেন। তবে যারা এসেছেন তারা তাদের স্পন্সরড।”

জাতীয় প্রেস ক্লাবে সার্ক হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন ও ইলেকশন মনিটরিং ফোরাম আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের একটি দল
রোববার ভোটগ্রহণের পরপরই ফল প্রত্যাখ্যান করে পুনঃভোটের দাবি জানায় বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ফখরুল বলছেন, ‘ভোট ডাকাতি’ করে তাদের হারানো হয়েছে।
অন্যদিকে বিএনপির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছিলেন আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম।
তিনি বলেন, “ওআইসি থেকে একটি শক্তিশালী দল এসেছেন এখানে পর্যবেক্ষণের জন্য, কমনওয়েলথের, ভারতীয়রা আছেন এবং তারা অত্যন্ত খুব নামীদামী লোকজন, প্রখ্যাত সাংবাদিক এবং অবজারভার। তারা সবাই আমাদের বাংলাদেশের আজকের যে নির্বাচন হল, তার প্রশংসা করেছেন।”
কারচুপির অভিযোগ তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “অনেক বলছেন উৎসবমুখর নির্বাচনের কথা। এটা যারা নির্বাচন দেখেন নাই, যারা কোনো নির্বাচন কেন্দ্রে যাননি, তারাই বলছেন উৎসবমুখর নির্বাচন হয়েছে। এখানে ভয়-ভীতির পরিবেশ ছাড়া আর কিছুই ছিল না।”
ভোটের পর বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে আসেন ফখরুল।