১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

১৪ দলের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে শেখ হাসিনা

বৈঠকে জোটের শরিকরা আসন্ন নির্বাচনে কোন আসন পাবেন তা চূড়ান্ত হতে পারে বলে আগের দিন জানিয়েছিলেন জোটের এক নেতা।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Dec 2023, 08:32 PM

Updated : 04 Dec 2023, 08:40 PM

আসন সমঝোতা নিয়ে ১৪ দলীয় জোটের শরিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।

বৈঠকে আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ১৪ দলের জোটের শরিকদের কোন আসন ছেড়ে দেওয়া হবে তা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু, জাতীয় পার্টির (জেপি) সভাপতি আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ও ফজলে হোসেন বাদশা, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দীলিপ বড়ুয়া, তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীসহ অন্য নেতারা অংশ নিচ্ছেন।

রোববার জোটের শরিক তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছিলেন, “বৈঠকে দরকষাকষি হবে, সেখান থেকে চূড়ান্তভাবে কে কত আসন পাবে তা ঠিক হবে।”

আগের তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন ভাগাভাগি করে ভোটে অংশ নিয়েছিল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন চৌদ্দ দলীয় জোট। নৌকা প্রতীকে নির্বাচনের নিশ্চয়তা পাওয়ার পর মনোনয়নপত্র জমা দেন জোটের নেতারা।

নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় পার হলেও আসন বণ্টন করেনি দলটি। শরিকদের মাত্র দুটি আসন ছেড়ে ২৯৮ আসনেই প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামী লীগ। তবে তারা জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে যাবে, এ কথা নির্বাচন কমিশনে লিখিতভাবে জানিয়েছে আগেই।

১৪ দলের শরিক দলগুলোও আলাদাভাবে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে।

গত নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ ও শরিক দলগুলো প্রথমে আলাদা প্রার্থী দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ১৬টি আসনে শরিকদের ছাড় দেয় ক্ষমতাসীন দল।

এর মধ্যে ওয়ার্কার্স পার্টি সর্বোচ্চ পাঁচটি, জাসদ ও বিকল্পধারা তিনটি করে, তরীকত ফেডারেশন ও জাতীয় পার্টি (জেপি) দুটি করে এবং বাংলাদেশ জাসদ একটি আসনে মহাজোটের মনোনয়ন পেয়েছিল।

বিএনপি-জামায়াত ও সমমনাদের বর্জনের মুখে এই নির্বাচনে মহাজোটের দ্বিতীয় প্রধান শরিক জাতীয় পার্টি এবার আর জোটে নেই।

২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনেও বিএনপি-জামায়াতের বর্জনের মধ্যেও জাতীয় পার্টি আলাদা নির্বাচন করেছিল। তবে সে সময় ৩৪টি আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর বিপরীতে কাউকে মনোনয়ন দেয়নি আওয়ামী লীগ।

আরও পড়ুন:

পুরানো খবর:

জোটের অঙ্কে ১৪ দল থেকে এবার কারা

পুরানো খবর:

জোটের আসন ভাগাভাগি কীভাবে, অপেক্ষা আরও এক সপ্তাহ

পুরানো খবর:

কুষ্টিয়া-২ ফাঁকা রাখল আওয়ামী লীগ, নৌকায় ভোটের আশা ইনুর