১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকার ও শাসন ব্যবস্থার বদলও এক দফার অংশ: হাসনাত

"সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে ৭২ সালের ভোটের মত ভোটও হতে পারে। আবার বড় পরিবর্তনের জন্য গণভোট হতে পারে," বলেন তিনি।

বিডিনিউজ২৪

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 09 Dec 2024, 01:04 AM

Updated : 26 Aug 2026, 11:05 AM

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান শুধু শেখ হাসিনার পতনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, সরকার ও শাসন ব্যবস্থার বদলও একদফার অংশ বলে মন্তব্য করেছেন  

রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী হাসনাত কাইয়ুম।

তিনি বলেন, সরকার ও সংবিধানের পরিবর্তন এক দফার দুইটি অংশ।

রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের আয়োজনে 'গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী রাষ্ট্রের মেরামত, প্রসঙ্গ:সংবিধান' শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সাতদলীয় জোট ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ এর সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম বলেন, “বাংলাদেশে হাসিনাবিরোধী আন্দোলনের সাথে অন্যান্য আন্দোলনের মৌলিক পার্থক্য আছে। আগের আন্দোলনে অনেক দাবি দাওয়া থাকত। নব্বই এর আন্দোলনেও ছিল, কৃষকদের, শ্রমিকদের, বুদ্ধিজীবিসহ বিভিন্ন লোক তাদের দাবি দফা তুলে ধরেছিল। তখন সিপিবির ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

”সকলের দাবি আদায়ে যখন এরশাদের পতন গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তখন একদফা এল।”

আগের আন্দোলন ও একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের অভিজ্ঞতার তুলনা করে তিনি বলেন, “আমরা এবারের এক দফায় শুধুমাত্র হাসিনার পতনে আটকে রাখতে চাইনি। আমরা আরেকটা বিষয় যোগ করতে চেয়েছি যে, সরকার এবং শাসন ব্যবস্থার বদলও চেয়েছি। বিএনপি যখন সর্বশেষ এক দফা দিল তখনও আমরা দেখেছি এক দফার ভেতর পাঁচ দফা রয়েছে।“

বাংলাদেশের সংবিধানে আকাঙ্ক্ষার অংশটি বাস্তবায়ন অংশের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, "সংবিধানের আকাঙ্ক্ষা অংশটির সঙ্গে বাস্তবায়ন অংশ সঙ্গতিপূর্ণ করার লক্ষ্যে সংবিধান সংস্কার করতে হবে।

"আমরা দেখাতে চাই বাংলাদেশের সংবিধানে সকল ক্ষমতা শুধু একজনের কাছে দেওয়া আছে, যা গণতন্ত্রের সাথে যায় না। হয় গণতন্ত্র থাকবে, নয়ত একজনের হাতে সব থাকবে।"

রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী হাসনাত কাইয়ুম বলেন, "সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে ৭২ সালের ভোটের মত ভোটও হতে পারে। আবার বড় পরিবর্তনের জন্য গণভোট হতে পারে।"

ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রাগিব নাইমার সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক তামজিদ হায়দারের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল্লাহ আল ক্বাফি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সৈয়দ নিজার, পাহাড়ি ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সভাপতি অঙ্কন চাকমা, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি ছায়েদুল হক নিশান, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হাসান আরিফ।