ড্যাবের কাউন্সিল শনিবার, প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দুই প্যানেল
“কাউন্সিলের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। যথাসময়ে ভোটগ্রহণ শুরু হবে।”
বিএনপির চিকিৎসক সংগঠন ‘ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)’ এর নতুন নেতৃত্ব ঠিক করতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কাউন্সিল বসছে শনিবার।
রাজধানীর কাকরাইলে উইলস লিটন ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজে এই কাউন্সিলে সরাসরি ভোটে চিকিৎসকরা তাদের নেতা নির্বাচন করবেন।
ভোটগ্রহণ শুরু হবে বেলা ১টায়, চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।
ড্যাবের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিজন কান্তি সরকার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কাউন্সিলের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। যথাসময়ে ভোটগ্রহণ শুরু হবে।”
ড্যাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি, মহাসচিব, কোষাধ্যক্ষ ও সিনিয়র মহাসচিব পদে নির্বাচন হবে।
এবারের নির্বাচনে সাড়ে তিন হাজার ১৩১ জন ভোটার ভোট দেবেন।
এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেলে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একজন স্বতন্ত্রভাবে সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন।
দুই প্যানেলের মধ্যে ‘আজিজ-শাকুর’ প্যানেলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন অধ্যাপক এ কে এম আজিজুল হক, যিনি ২০০৫ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ড্যাবের সভাপতি ছিলেন।
এই প্যানেলের মহাসচিব পদে অধ্যাপক আব্দুস শাকুর খান, সিনিয়র সহসভাপতি পদে ডা. সাইফ উদ্দিন নিসার আহমেদ তুষার, কোষাধ্যক্ষ পদে ডা. তৌহিদ উল ইসলাম এবং সিনিয়র যুগ্ম যুগ্ম মহাসচিব পদে ডা. আবু মো. আহসান ফিরোজ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আর ‘হারুন-শাকিল’ প্যানেলের নেতৃত্বে আছেন অধ্যাপক হারুনুর রশীদ, যিনি ২০১৯ সাল ধেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ড্যাবের নেতৃত্বে ছিলেন।
এই প্যানেলে মহাসচিব পদে ডা. জহিরুল ইসলাম শাকিল, সিনিয়র সহসভাপতি পদে ডা. আবুল কেনান, কোষাধ্যক্ষ পদে ডা. মো. মেহেদী হাসান এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব পদে ডা. এ কে এম খালেকুজ্জামান দিপু প্রার্থী হয়েছেন।
এ ছাড়া ডা. ওবায়দুল কবির সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ভোট নিয়ে অধ্যাপক আজিজুল হক বিডিনিউজে টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমি আশাবাদী, ইনশাল্লাহ আমরা ভালো ফল করব। মাঠের অবস্থা ভালো।”
হারুন আল রশীদ বলেন, “আমরা ভালো সাড়া পাচ্ছি। বিগত সময়গুলোতে আমরাই মাঠে ছিলাম, আমাদের জয় হবেই।”
সর্বশেষ ড্যাবের ভোট হয়েছিল ২০১৯ সালের ২৪ মে। সেই নির্বাচনে হারুন আল রশীদ সভাপতি ও আব্দুস সালাম মহাসচিব নির্বাচিত হন।
২০২৪ সালের ২৫ মে ড্যাবের কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় গত ২৪ মার্চ কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।
