Published : 19 Oct 2025, 12:22 AM
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হাওয়া জোরেশোরে বইতে শুরু করলে সদ্য সই হওয়া জুলাই জাতীয় সনদের গুরুত্ব ‘আপনা-আপনিই হারিয়ে যাবে’ বলে মনে করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক।
শনিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের আলোচনা অনুষ্ঠান ‘ইনসাইড আউটে’ অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, “ছয় জনের কমিশন করে দেশের সবকিছু যদি বদলে যাওয়া যায়, তাহলে দেশের অন্য যেসব কাঠামো আছে, তার দরকার কী? সংসদেরই বা দরকার কী?”
অনুষ্ঠানে জুলাই জাতীয় সনদের নানা দিক, সংবিধান পরিবর্তন, রাষ্ট্র সংস্কার, গণভোট নিয়ে নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন শাহদীন মালিক।
শনিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ফেইসবুক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেলে অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করা হয়।
ছাত্র-জনতার তুমুল আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর গণ অভ্যুত্থানের চাওয়া মিলে শুরু হওয়া রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগগুলোর বিষয়ে শাহদীন মালিক বলেন, “১৪ মাসে বলার মত সংস্কার অনেক চিন্তা করে খুঁজে বের করতে হবে।”

আর সংস্কার প্রশ্নে আলোচিত গণভোটের বিষয়ে তার পরামর্শ, “গণভোট হতে পারে, কিন্তু আগে সংসদে পাস হতে হবে।”
গণ অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের দেড় দশকের শাসনের অবসান হয় ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট। এরপর জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের নেতৃত্বে জুলাই সনদ তৈরি নিয়ে গত ১৪ মাসে দীর্ঘ সংলাপ, আলোচনা ও তর্ক বিতর্কের পর চূড়ান্ত হয় জুলাই জাতীয় সনদ। দলগুলোর মধ্যে মতভিন্নতা রেখেই রাষ্ট্র সংস্কারের যেসব উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের অঙ্গীকার সম্বলিত সেই সনদ সই হয় শুক্রবার।
সনদ সই নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। তার ভাষায়, এর মাধ্যমে ‘নতুন বাংলাদেশের সূচনা’ হয়েছে।
তবে সবাই এরকম ভাবছেন না। ভাবতে পারছেন না। এই সনদ আদৌ কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে? যদি আনতে পারে, কোন পথে যাবে বাংলাদেশ। এসব প্রশ্ন ছিল জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিকের কাছে, যিনি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সবসময় সোচ্চার থাকেন।
তিনি বলেন, সব বিষয়ে সব দলের ঐক্যমত্য হবে, এটি ‘উদ্ভট’ ধারণা।

তার মতে, এ সনদে স্বাক্ষর করতে সব মিলিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সবাই একমত হয়েছেন, এটা ভালো দিক।
তবে এ সনদের আইনি ভিত্তি, কীভাবে বাস্তবায়িত হবে তা নিয়ে জটিলতা এবং অস্পষ্টতা আছে বলে মনে করেন শাহদীন মালিক।
জুলাই সনদে বলা হয়েছে, এটি নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “দেখলাম যে ১৮টা নিবন্ধিত দল সই করেছে এবং নিশ্চয়ই কিছু ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (মতের অনৈক্য) আছে। কিন্তু বড় দাগে তারা অনেকগুলো ব্যাপারে একমত হয়েছে। ওই অর্থে এটা একটা ভালো জিনিস যে, আলাপ-আলোচনা করে অনেকগুলো ব্যাপারে মতৈক্য হয়েছে।”
তিনি বলেন, “আপাত দৃষ্টিতে অবশ্য বেশ কয়েকটা দল, বিশেষত এনসিপি, সিপিবি ওরা সই করে নাই। আর তারপরে নিবন্ধিত দলের বাইরেও অনেকগুলো দল সই করেছে, স্বাক্ষর করেছে। যাই হোক, ভালো মন্দ মিলিয়ে, প্লাস-মাইনাস মিলিয়ে কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একটা একমতের জায়গা আমরা পেয়েছি।”
পুরো প্রক্রিয়ায় কোথায় গলদ ছিল এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “গলদ ছিল হল যে প্রাথমিক যেই ধারণা, সেখানে। মনে করা হয়েছিল যে, কতগুলো ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হবে। আমার কাছে এখনো যেটা মনে হচ্ছে, এটা ছিল ভুল ধারণা। ৩০, ৪০ বা ৫০টা রাজনৈতিক দল যদি মূল কতগুলো বিষয়ে একমত হয়ে যায়, তাহলে তো ওই রাজনৈতিক দলগুলোর স্বতন্ত্র অস্তিত্বের কোনো দরকার নাই।”
কী কারণে মতের পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক, সেটি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আছে। কারণ, তাদের আদর্শ ভিন্ন, চিন্তা-ভাবনা ভিন্ন। কী করলে দেশের উন্নতি হবে, সেই সম্পর্কে ধারণার ভিন্নতা আছে এবং কোন পথে গেলে সেটা বাস্তবায়ন হবে সেটি নিয়েও ভিন্নতা আছে।

“ভিন্নতা আছে বলেই তো বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। সে ডান হোক, বাম হোক, ধর্মীয় হোক, মধ্যপন্থা হোক। তো এখন সবাই যদি সব ব্যাপারে একমত হয়ে যায়, তাহলে এত রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব থাকার কি আছে।”
তার ভাষ্য, “একদম মূল কিছু ব্যাপারে তো আলোচনার কোনো প্রশ্ন নেই, আমরা সবাই একমত যে, দেশে অন্যায় অপরাধ হলে তার ন্যায়বিচার হবে। যখন ভোট হয়, আমাদের সুষ্ঠু স্বচ্ছ নির্বাচন হবে। মন্ত্রী বা যারা কর্মকর্তা আছেন তাদের ক্ষমতার সীমারেখা থাকবে, তারা দুর্নীতি করবেন না। এবং বলা বাহুল্য, হত্যা, খুন এটা রাষ্ট্র করবে না।
“কিন্তু দেশ কোনটা করবে, কোনটা করবে না এর বাইরে- এসব ব্যাপারে যদি সব রাজনৈতিক দল একমত হয়ে যায়, তাহলে তো ভিন্ন রাজনৈতিক দল কেন আছে? সব দল যদি অনেকগুলো ব্যাপারে একমত হয়ে যায়, তাহলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দরকার কী? তাহলে তো তারা সবাই মিলে একটা একদলীয় ব্যবস্থায় আমরা চলে যেতে পারি।”
অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বেশ কয়েকটি বামপন্থি রাজনৈতিক দল সনদ অনুষ্ঠানে যায়নি ও সই করেনি। এনসিপির নেতারা বলছেন যে, কয়েকটি দল ঐকমত্যের নামে জনগণের সঙ্গে ‘প্রতারণা’ করেছে।

এ প্রসঙ্গে শাহদীন মালিক বলেন, “এখানে প্রতারণা কীভাবে করেছে, সেটা তো বলা হয় না। আমাদের সবসময় রাজনৈতিক বক্তব্য থাকে যে, ষড়যন্ত্র হচ্ছে, কালো থাবা হচ্ছে। কিন্তু কে কী ষড়যন্ত্র করছে এগুলো কিছু বলা হয় না।
“কার সাথে কে কী বিষয়ে প্রতারণা করল? একজন আইনজীবী হিসেবে আমাকে এভাবে ঢালাও বললে হবে না। মানে ওই লোকটা অপরাধী বললে হবে না। বলতে হবে, ওই লোকটা অমুক জায়গায় এই অপরাধ করেছে। অতএব প্রতারণার কথাটা যদি খোলসা করে, তখন হয়ত এটা মূল্যায়ন করা যাবে; কে তাদের সাথে কী বিষয়ে প্রতারণা করেছে।”
কয়েকটি বামপন্থিম রাজনৈতিক দল সংবিধানের মূলনীতি পরিবর্তনের বিরোধিতা করে আসছে। মূলনীতিগুলো পরিবর্তনের প্রয়োজন হল কেন, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “যারা জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থান করেছে, তারা স্পষ্টতই আগের সংবিধানের মূলনীতির সাথে দ্বিমত করছে এবং এজন্য তারা নতুন অনেকগুলো মূলনীতির কথা সামনে নিয়ে আসছে।
“এখন সংবিধানের মূলনীতির সাথে দেশের যেকোনো সময় ৫, ১০ শতাংশ, ১৫ শতাংশ লোক দ্বিমত করতেই পারে। ওনারাও দ্বিমত করছেন। কিন্তু এটার যে মূলনীতি পরিবর্তন করতে হবে, তা তো একটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় করতে হবে। এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া তো হয় নাই। শুধু নতুন মূলনীতি কতগুলো যোগ করা হয়েছে।”

অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রধানের দায়িত্ব নিতে অপারগতা প্রকাশ করা শাহদীন মালিক বলেন, “ছয়জনের কমিশন করে দেশের সবকিছু যদি বদলে দেওয়া যায়, তাহলে দেশের অন্য যেসব কাঠামো আছে, তার দরকার কী? সংসদেরই বা দরকার কী? এই জায়গাগুলোতে আইনের একেবারে মূল যে ব্যাকরণ, এই ব্যাকরণের বাইরে কথাবার্তা হচ্ছে।”
সংবিধান যেভাবে সংস্কার করার কথা বলা হচ্ছে, এর ফল কী হতে পারে- এমন প্রশ্নে এই সংবিধান বিশেষজ্ঞ বলেন, “বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার বা সংশোধনের ক্ষমতা নির্বাচিত সংসদের। এখন আমি-আপনি জোর করে বলতে পারি যে, আমি যেটা বলছি সেটাই সংবিধান। আইনের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এরকম ‘উদ্ভট’ কথা বলার তো আমি কোনো উদ্দেশ্য দেখি না।”
জুলাই সনদের যে আইনি ভিত্তি দেওয়ার কথা অন্তর্বর্তী সরকার বলছে, সেটিও স্পষ্ট নয় শাহদীন মালিকের কাছে। বলেন, “যেকোনো একটা জিনিস আইন যদি হয়, এটার ক্ষমতা হল সংসদের। আর সংসদ যখন নাই, তখন রাষ্ট্রপতির।
“এখন এই সনদ তো আর একটা আইন হতে পারে না। সনদে যেভাবে বলা হয়েছে, এটা আইনের ভাষায় কিছুই বলা হয় নাই।”
আইন না হয়ে অধ্যাদেশ জারি হলেও পরবর্তী সরকার সেটি চালু রাখতে পারবে না তুলে ধরে তিনি বলেন, “ধরে নিলাম, রাষ্ট্রপতি এটাকে অধ্যাদেশ হিসেবে জারি করলেন। কিন্তু অধ্যাদেশ হল নির্দিষ্ট সময়ের জন্য একটা আইন, খণ্ডকালীন আইন; যেটা পরবর্তী সংসদ বসলে আপনা-আপনি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। অতএব এখন অধ্যাদেশ জারি করলেও এই অধ্যাদেশতো বিলুপ্ত হয়ে যাবে।”
জুলাই সনদের বৈধতা দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে গণভোটের কথাও বলা হচ্ছে। এতে জুলাই সনদ কতটা বৈধতা পেতে পারে, এই প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমার জানামতে মানুষ কোনো কিছু চায় কিনা বা কোনো কিছুর পক্ষে কিনা, এইটা দুইটা প্রক্রিয়ায় হয়, দুইটা ধাপে হয়। সব ব্যাপারে। যেখানে গণভোট হয়।”

সেই দুটি ধাপের বিষয়ে তিনি বলেন, “প্রথম ধাপটা হল-সংসদে পাস হতে হবে। তারপরে কিছু-কিছু ব্যাপারে সব দেশের আইনে থাকে যে, এগুলো খালি সংসদে পাস হলেও হবে না, এই ব্যাপারে গণভোটের আয়োজন করা হবে। গণভোটটা হল দ্বিতীয় ধাপ।”
শাহদীন মালিক বলেন, “আমাদের দেশে নিয়ম হল- সংসদে একটা বিল পাস হলে, আইন পাস হলে, ওইটা রাষ্ট্রপতির কাছে যায়, চূড়ান্ত সম্মতির জন্য। গণভোটটা সাধারণত হয়, আমাদেরও একটা ব্যবস্থা ছিল, যে সংসদ পাস করার পরে রাষ্ট্রপতির কাছে যখন যাবে, তো রাষ্ট্রপতি সম্মতি দেওয়ার আগে জিনিসটা নির্বাচন কমিশনকে বলবেন, তুমি এই ব্যাপারে গণভোটের আয়োজন কর।”
গণভোট হওয়ার আগে সেটি সংসদে আগে পাস করার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “দুনিয়ার কোনো আইনি ব্যবস্থায় এটা নেই যে, কোনো জিনিস সংসদে পাস হওয়ার আগে গণভোটে যায়। এখন একটা হতে পারে যে আমাদের পজিশন-সারা দুনিয়ায় নাই তো কী হয়েছে, আমরা নতুনভাবে করব।
“তবে, এইটা দুনিয়াতে আইনি যে ব্যবস্থা, এখানে নতুন আবিষ্কার করলে আরও অস্থিরতা বাড়বে, গোলযোগ বাড়বে। গণভোট হতে পারে, কিন্তু আগে সংসদে এটা পাস হতে হবে।”
রাজনৈতিক দলগুলোর এবারের সমঝোতাটা কতটা টেকসই হবে, এই প্রশ্ন ছিল শাহদীন মালিকের কাছে।
জবাবে তিনি বলেন, “এখনো তো সনদের ধারাগুলো স্পষ্ট করে বলা হয় নাই। যেটা বললাম যে, বড় দাগে যে কথাগুলো আছে, আমরা দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করব, আমরা সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করব, এখানে তো রাজনৈতিক দলের মধ্যে দ্বিমতের কিছু নাই। আমি আপনি আপনার আমরা সবাই একমত।”

পরবর্তী করণীয় ও বাস্তবায়নের বিষয়ে দ্বিমত থাকবেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, “মোটাদাগের বিষগুলোর বাইরে তো করণীয় কী, কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, এগুলো নিয়ে দ্বিমত থাকবেই। তবে এখন যে হুলুস্থুল হচ্ছে গত ছয় মাস ধরে, এটা এখন নির্বাচনের সময় আসবে, যখন নির্বাচনি হাওয়া আরো জোরেশোরে বইতে শুরু করবে, আমার ধারণা, জুলাইয়ের এই সনদ তার সে গুরুত্ব আপনা-আপনি হারিয়ে ফেলবে।”
জুলাই অভ্যুত্থান দেশে সংস্কার ও সংশোধনের একটা অনেক বড় সুযোগ এনে দিয়েছে বলে রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন তরফে বলা হচ্ছে। ১৪ মাস পেরিয়ে গেছে। কতখানি সঠিক পথে দেশ এগোচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “কিছু সংস্কার করার জন্য আপনার রাজনৈতিক দল বা রাজনৈতিক শক্তি দরকার নাই। কিন্তু দেশের সংস্কার কখনও রাজনৈতিক শক্তি পেছনে না থাকলে করা সম্ভব হয় না।
“মাঝে-মাঝে সামরিক শাসকরা এসেছেন, সামরিক শাসকদের রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে তাদের পেছনে থাকে সামরিক বাহিনী। এখানে যেসব সংস্কারের উদ্যোগ তারা নিয়েছেন, রাজনৈতিক শক্তির সমর্থন ছাড়া এই বড় বড় সংস্কারগুলো কেউই কার্যকর করতে পারে নাই।
“১৪ মাসে তো আমরা দেখছি, বলার মত কোনো সংস্কার অনেক চিন্তা করে খুঁজে বার করতে হবে। ব্যাংকিং খাতে কিছু সংস্কার হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতের কিছু ব্যাপারে সংস্কার হয়েছে। অনেক পদোন্নতি হয়েছে। পদাবনমন বা পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আমলাতন্ত্রে চাকরি-বাকরির ব্যাপারে অনেক রদবদল হয়েছে। কিন্তু এটা তো দেশের সংস্কারের মধ্যে প্রতিফলিত হচ্ছে না।”