১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ইউনূস সরকারকে সমর্থন জানিয়ে পাশে আছে জাতিসংঘ: গোয়েন লুইস

সহিংসতা থামিয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নে এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা রেখেছেন লুইস।

ইউনূস সরকারকে সমর্থন জানিয়ে পাশে আছে জাতিসংঘ: গোয়েন লুইস
বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইস শুক্রবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসেন কার্যালয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেন; দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 09 Aug 2024, 04:57 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:14 PM

বাংলাদেশের উন্নয়নের স্বার্থে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে জাতিসংঘ সহযোগিতা করে যাবে বলে জানিয়েছেন এ বিশ্ব সংস্থার আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইস।

শুক্রবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরে সঙ্গে বৈঠক করে সহযোগিতা অব্যহাত রাখার এ বার্তা দিয়েছেন তিনি।  

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক হয়। বৈঠকে দেশের নবগঠিত অন্তর্বতীকালীন সরকার, সার্বিক পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি জেনেছেন গোয়েন লুইস।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ এবং ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষজ্ঞ হুমা খান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের পর গোয়েন লুইস সাংবাদিকদের বলেন, “ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত এই অন্তর্বর্তী সরকারকে জাতিসংঘ সমর্থন দিচ্ছে। এই সমর্থনের অংশ হিসেবে আমরা সকল স্টেকহোল্ডার রাজনৈতিক দল, সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধি, সংগঠনের সাথে আলাপ করছি। আজকে আমরা বিএনপির সাথে আলোচনা করেছি।

“আগামী বাংলাদেশ গড়ার জন্য কীভাবে জাতিসংঘ সহযোগিতা করতে পারে, আন্দোলনকে ঘিরে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার তদন্তে জাতিসংঘ কীভাবে সহযোগিতা করতে পারে এবং উন্নয়ন অগ্রাধিকারে সহযোগিতা করা যায়, তা নিয়ে কথা বলেছি আমরা। এই নতুন অন্তবর্তীকালীন সরকারকে আগামী নির্বাচনের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের উন্নয়নে জাতিসংঘ সহযোগিতা দিয়ে যাবে।”

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইস এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক গোয়েন লুইস এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন সরকারের পদত্যাগ পরবর্তী সময়ে যে সহিংসতা শুরু হয়েছে, তা বন্ধ করে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নে এগিয়ে যাবে বলেও প্রত্যাশা রাখেন লুইস। 

বৈঠকের পর আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “আজকে বাংলাদেশে যে বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছ, আমরা দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা পেয়েছি। এর সাথে বাংলাদেশের জনসমর্থন যেভাবে ছিল, তেমনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও ভালো সমর্থন ছিল। বিশেষ করে ইউনাইটেড নেশনসের একটা বড় ধরনের সমর্থন ছিল বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার ফিরিয়ে আনার।

“বাংলাদেশের উন্নয়ন পার্টনার যারা আছে, বাংলাদেশের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ কী হবে সেটা নিয়ে তাদের মধ্যে একটা দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছিল। আজকে সকলের মধ্যে সেই শঙ্কা কেটে গেছে। সেই শঙ্কা কেটে আগামী দিনে আমরা কীভাবে বাংলাদেশ গড়ব। ইউএন ইজ এ মেজর পার্টনার এবং তাদের সমর্থন প্রয়োজন আছে তারা সেই সমর্থন দিতে রাজি আছে এবং সবাইকে নিয়ে কাজ করছে সবাই মিলে একটা নতুন বাংলাদেশ গড়ব এটাই এখানে আলোচনা হয়েছে।”