ফুটপাত: নেপথ্যের চক্র, কালো অর্থনীতি ও উচ্ছেদ নাটক
‘হকার মুক্ত’ ঘোষণার পেছনে লুকিয়ে থাকা আসল বাণিজ্য কী? ক্ষমতার পালাবদলে ফুটপাত হাতবদল হলেও ভোগান্তির শিকার সাধারণ নাগরিক।
ঢাকার ফুটপাত নগরব্যবস্থাপনা নিয়ে সংকটের কেন্দ্রে অবস্থান করছে অনেক দিন থেকে। এই সংকট সমাধানের চেষ্টার ফলাফল যদিও বাস্তবে—অশ্বডিম্ব। সরকার আসে, সরকার যায়। কখনও চাঁদি-জ্বালানো রোদে নির্বাচনি মঞ্চে, কখনও আবার শীতাতপনিয়ন্ত্রিত গোলটেবিল বৈঠকে বহু প্রতিশ্রুতি আর পরিকল্পনার ফুলঝুরি ঝরে। কিন্তু টেকসই কোনো সমাধান এখন পর্যন্ত তো দেখা গেল না।
সম্প্রতি মিরপুর-১০ নম্বরে ফুটপাত উচ্ছেদের এক অভিযানে দেখলাম করপোরেশনের গাড়িতে আগুন আর ধাওয়া খেয়ে প্রশাসনের প্রাণ বাঁচানোর দৌড়। মান বাঁচাতে অভিমানী নগরকর্তা ১০ নম্বর গোলচত্বরের হকার উচ্ছেদ করেই ছাড়লেন। বিষয়টি এখানেই থেমে গেলে ভেবে নিতাম কর্তা মান বাঁচিয়েছেন, আর যাদের উচ্ছেদ করা হলো তারা ‘আবার আসিব ফিরে’ বলে অপেক্ষায় আছে। সেই আগের মতোই। কিন্তু গত ১০ অক্টোবর মোহাম্মদপুরের বছিলায় এক অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান আবার ঘোষণা দিয়েছেন, মিরপুরের মতো মোহাম্মদপুরেও ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদ করে ছাড়বেন তিনি। নগর প্রশাসক হিসেবে তার ক্ষমতা আছে; চাইলে তিনি রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে উচ্ছেদ করতেই পারেন। উচ্ছেদ না হয় হলো, কিন্তু তা বজায় থাকবে কত দিন? এমন উচ্ছেদ তো আগেও হয়েছে। তিতিবিরক্ত নাগরিকেরা এই উচ্ছেদকে আড়ালে-আবডালে ‘উচ্ছেদ উচ্ছেদ খেলা’ বলে অভিহিত করছেন। পালাবদলের খেলায় উচ্ছেদের নামে হাতবদলের উদাহরণও কম নয়। নতুন হাতবদল, নতুন সালামি, নতুন রেট—এসব কথাও বাতাসে ভাসে।
আমরা প্রশাসকের কথায় আস্থা রাখতে চাই। কিন্তু অতীত ভেবে নিজেকে বলি, ‘শোনারাম তুই শুনে যা—ন’ মন ঘিও পুড়বে না, রাধাও নাচবে না।’ মাননীয় প্রশাসক, হকারমুক্ত সুশৃঙ্খল ফুটপাতের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে যতক্ষণ পর্যন্ত না ফুটপাত রাজনীতিমুক্ত হবে। আর এ দেশে রাজনীতিমুক্ত কিছু আছে বলে তো মনে হয় না। স্যাটেলাইট থেকে ফুটপাত—সবই রাজনীতি। অবশ্য কবি আগেই বলে গেছেন: ‘দালান উঠছে তাও রাজনীতি, দালান ভাঙছে তাও রাজনীতি...’ (‘অসভ্য দর্শন’; আবুল হাসান)। আপনি নিজে আপাদমস্তক রাজনীতির মানুষ, তার পরও বলি—নগরের বৃহত্তর স্বার্থে ফুটপাত ঘিরে যে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন, সেই চক্র যদি ভাঙতে না পারেন, আপনার সব প্রতিশ্রুতি যাবে বিশ বাঁও জলে। সাদাচোখে ফুটপাতে একদল মানুষ ব্যবসা করেন, আরেক দল আবার এই সব মানুষ নিয়ে ব্যবসা করেন। ফুটপাত যেমন এক দলের ব্যবসার স্থান, আরেক দলের ব্যবসার উপাদান।
মাঝে মাঝে ভাবি, রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকলে আর ঢাকায় অবস্থান করলে তিনি নিশ্চিতভাবেই ঘরের বাইরে দু’পা ফেলে লিখতেন: ‘দেখিতে পাইলাম চক্ষু মেলিয়া, কী চমৎকার বাজার বসিয়াছে নগরের ফুটপাত-সড়ক দখল করিয়া!’
ফুটপাত যে নাগরিকের নেই—এটা খানিকটা সওয়া। আসলে ফুটপাত যে কার, সেও এক প্রশ্ন বটে! ‘বীরভোগ্যা বসুন্ধরা’র সার্থক উদাহরণ যদি কিছু থাকে, তবে সেটা হতে পারে ঢাকার ফুটপাত। এই বীরেরা আবার স্তরে স্তরে অবস্থান করেন। প্রশাসনে, রাজনীতিতে, স্থানীয় ‘দুষ্টু বালক’ (কেতাবি নাম কিশোর গ্যাং বলতে পারেন), তাদের মানসপিতা অন্ধকার জগতের অধিপতি, মাঝে মাঝে বুম হাতে সাংবাদিকের তাড়া খেয়ে দৌড় প্রতিযোগিতায় নামা অর্থ উত্তোলনকারী লাইনম্যান, সিটি করপোরেশনের কর্মচারী, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি—বীরদের তালিকা দীর্ঘ। ক্ষমতার মুখ পাল্টায়, বীর বদলায়; কিন্তু ফুটপাত যে তাদের ভোগের রসদের উৎস, এই বিষয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ বিভেদের রাজনীতির দেশে আশ্চর্য ঐকমত্য রীতিমতো বিস্ময় জাগানিয়া! এই ফুটপাত নিয়ে নগরবাসীর ভোটে নগরের পিতৃত্ব অর্জনকারী নগরপিতা কিংবা সরকারি সিলমোহরে নিয়োগপ্রাপ্ত নগর প্রশাসকের ব্যর্থ লম্ফঝম্ফ এখন আর কোনো আবেদন রাখে না। সবাই জানে এসব ‘বাত কি বাত’; রাত পেরোলে যে কে সেই। নেপথ্যের বীরদের চক্র অনেক বেশি শক্তিশালী। প্রশ্ন যখন টঙ্কার, তখন প্রয়োজনে দু-চারটা অস্ত্রের ঝংকার কোনো বিষয়ই না! তাদের মূলমন্ত্র যখন: ‘যায় যাবে যাক প্রাণ, টঙ্কাই ভগবান!’—তখন এদের রুখবে কে? দুঃখ আরেকটা আছে যে কার্ল মার্ক্স জীবিত নেই। জীবিত থাকলে ঢাকার ফুটপাতের হালচাল দৃষ্টে নিশ্চিতভাবেই তিনি ‘ফুটপাতের অর্থনীতি ও সমাজ বিপ্লবের সম্ভাবনা’ নিয়ে এক বিশাল তত্ত্ব ঝেড়ে দিতেন!
তাতে ফুটপাত বাণিজ্যে নতুন একদল তত্ত্বধারী যোগ হওয়া ছাড়া আর কোনো লাভ হতো বলে মনে হয় না। বাংলাদেশের জন্মের পর থেকে এই ফুটপাত সংকট নিয়ে যত লেখা হয়েছে, তার শব্দসংখ্যা যোগ করলে সেই পরিমাণ টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক ছাপিয়েছে কি না সন্দেহ! তাতে কি কারও কিছু এসেছে-গেছে? কর্তাদের টনক এত শক্তিশালী যে জনগণের সামান্য হয়রানিতে সহজে নড়বার নয়। লিখিয়েরা লিখে গেছেন, খেলুড়েরা খেলা চালু রেখেছে নানা অজুহাতে, ভিন্ন কায়দায়।
একদল তো নানান বর্ণে-ছন্দে-গীতিতে ফুটপাত দখলের পক্ষে হাজারো যুক্তি শানায়। প্রথম দোহাই মানবতার। সেটি ঠিক আছে। কর্মসংস্থানের অভাব ও বেকারত্ব যখন প্রকট, তখন মানুষ নিজ উদ্যোগে ফুটপাতে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে নেবে—বিষয়টিকে মানবিকভাবেই দেখতে হবে। না হয় সেটি মেনে নিয়ে আইনকেও উপেক্ষা করা গেল। বাঙালি হৃদয় কবে মানবিক দোহাইয়ে বিগলিত হয়নি?
নগরপিতা কিংবা নগরের পুলিশ অধিকর্তার মুখে মানবিকতার কথা শুনে ফুটপাত ছেড়ে রাস্তায় হেঁটে গাড়িচাপার ঝুঁকি জেনেও নিজেকে সান্ত্বনা দিই: ‘এমন মানবিক কর্তা কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি!’ কর্তারা অবশ্য বুদ্ধিমান বটে! তারা মানবিকতার দোহাই দিয়ে দখলের বৈধতা দেন, কিন্তু নেপথ্যের লেনদেনের বিষয়ে এক্কেবারে স্পিকটি নট—মুখেও আনেন না। নিজের ক্ষতি কে-ই বা ডেকে আনে!
মানবিক দোহাইয়ে ভুলে যাই ফুটপাত ঘিরে দিনে দিনে দানব হয়ে ওঠা এক চক্রের কথা। এমন এক কালো অর্থনীতির কথা, যা এক দানব চক্রের জন্ম দিচ্ছে সমাজে। এটা অস্বীকারের উপায় নেই যে ফুটপাত দখল এখন একটা বড় বাণিজ্য। এই দখলের মূল পুঁজি হচ্ছে বল। কোনো বিনিয়োগ ছাড়াই এই পরিমাণ আয় অন্য কোথাও সম্ভব কি না জানি না। প্রশ্ন হলো, এই অর্থ কোথায় যায়? ঠারেঠুরে ফুটপাত থেকে প্রতিদিন যে পরিমাণ আয়ের কথা শোনা যায়, মানবিকতার দোহাই দিয়ে সেটাও বৈধ করে দিলে এই সব দখলদারেরা তো শীর্ষ করদাতা হতে পারেন সহজেই!
এই অর্থ সন্ত্রাসী চক্রকে শক্তি জোগায়, পাচার হয়, মাদকের বিস্তার বাড়ায়; দেশে রাতের পার্টি আর বিদেশে নাইট ক্লাবে ওড়ে। মোট কথা, এই অর্থের একটা বড় অংশ আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির বাইরে থেকে যায়। দখল নিয়ে খুনোখুনি আর হানাহানি বাদই দিলাম; ওসব তো এখন গা-সওয়া। যাদের মানবিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়, সেই মানুষগুলো হয়ে পড়ে রাজনীতিতে পেশিশক্তি প্রদর্শনের হাতিয়ার। ওরা টাকা দেয়, আবার কর্তার মুখরক্ষার উচ্ছেদ অভিযানে সব ফেলে দৌড়ায়। নাটক বটে!
সমস্যা বাঁধে যখন ওরা ঘুরে দাঁড়ায়। ৩০ সেপ্টেম্বর মিরপুর-১০-এ ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে হকারদের সঙ্গে সিটি করপোরেশনের কর্মী ও পরে পুলিশের সাথে ঘটা সংঘর্ষ, সরকারি গাড়িতে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনা নজর কেড়েছে। একটি ফুটপাত খালি করতে গিয়ে যদি আগুন জ্বলে, গাড়ি ভাঙে, পুলিশ ও হকার মুখোমুখি দাঁড়ায়, তাহলে সেটি আর আকস্মিক উত্তেজনার মধ্যে থাকে না। সমস্যা ফুটপাত থেকে গড়িয়ে দীর্ঘদিনের চলে আসা অব্যবস্থাপনা, রাজনীতিক, প্রশাসন আর মধ্যস্বত্বভোগীর থালা অবধি পৌঁছায়। ডিএনসিসি প্রশাসকের ঘোষণা অনুযায়ী মোহাম্মদপুরের দৌড় কত দূর যাবে, কার থালায় কতখানি পৌঁছাবে আর স্থায়িত্বই বা কত দিন হবে—এখন সেটাই দেখার বিষয়।
ফুটপাতে বাণিজ্য নিয়ে অনেক নেতিবাচক কথা বললেও এর বাস্তবিক প্রয়োজনের দিকটিও উপেক্ষা করবার উপায় নেই। ক্রেতার চাহিদা আছে বলেই ফুটপাতে বিক্রেতা বসেন। একটু সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য কেনার আশায় নিম্ন, মধ্য কিংবা উচ্চবিত্তরাও সেখানে ভিড় জমান। এই ফুটপাতকে ঘিরে কিছু ক্ষুদ্রশিল্প প্রতিষ্ঠানও গড়ে উঠেছে, যারা পণ্য উৎপাদন করে ফুটপাতের বাজার মাথায় রেখে। এই সংখ্যাও কম নয়। এটি আবার দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোরও জায়গা। একসময় তো গুলিস্তানের ‘রে-বান’ সানগ্লাস ছিল বহুল আলোচিত। বহু নামীদামি পণ্যের কপিতে বাঙালি তার শখ মিটিয়েছে ফুটপাত থেকে। আমরাই বা কম যাই কিসে! যে সাংবাদিক আজ পত্রিকার প্রথম পাতাজুড়ে ‘ফুটপাত যন্ত্রণা’ শিরোনামে বিশাল লেখা ঝেড়ে দিয়েছেন, সেই বেচারাকেও হয়তো দেখবেন ফুটপাতে কেনাকাটারত স্ত্রীর পেছনে বিরস বদনে দাঁড়িয়ে আছেন! গাউছিয়ার ফুটপাত থেকে অন্তত একটি সেফটিপিন কেনেননি—এমন কোনো নগর-হর্তাকর্তার স্ত্রী খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
ফুটপাতের আরেকটি চিত্র কিন্তু আছে। মানবতার দোহাই দিয়ে, দারিদ্র্য বিক্রি করে ফুটপাতের ব্যবসাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা আছে। কিন্তু তাদের সবার বাস্তব আর্থিক চিত্র কি এক? বিনিয়োগের সাথে আয়ের যে সম্পর্ক, সে তুলনায় অনেক ফুটপাতের ব্যবসায়ী বড় বড় প্রতিষ্ঠানের তুলনায় এগিয়ে। ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের বিকল্প ব্যবসার স্থান নির্ধারণের জায়গা দেওয়া হলেও ফুটপাত ছাড়েননি—এমন উদাহরণ খুব কম নয়। বিকল্প স্থান নির্ধারণ আবার আরেক প্রহসন! সেখানে স্থান পেতে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের অনেক ঘাটের জল খেতে হয়; আর নেপথ্য ক্ষমতাবানেরা অনেকটা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির মতোই সেখানে ভাগ বসান।
পুনর্বাসনে সমস্যার সমাধান হবে—আপনি যদি এমন আশা করেন, আপনি তবে বোকার সপ্তম স্বর্গে আছেন। যদি আজ রাতের মধ্যে ঢাকার সব হকারের বিকল্প স্থান সংকুলান করে দেন, তার পরদিন দেখবেন ফুটপাতজুড়ে নতুন মুখ। কারসাজিটা এখানেই। হকারের বিকল্প কর্মসংস্থান হলে নেপথ্যের চক্রের কী লাভ? তাদের লাভ দখল বজায় রাখাতে। তাদের পাইপলাইনে ক্ষুধার্ত মুখের অভাব নেই। আজ আপনি ফুটপাত থেকে ১০ জনের কর্মসংস্থান করবেন অন্যত্র, ওরা নতুন ২০ জনকে বসাবে। ওরা ফুটপাতের মধু খেয়ে অভ্যস্ত, ওদের জন্য ফুটপাত মধুময়। তরল সাধারণত নিচে গড়ায়, কিন্তু ফুটপাতের মধু তরলের ধর্ম অস্বীকার করে ওপরে ধায়—অনেক ওপরে!
প্রশ্ন হচ্ছে, এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উপায় কী? আমি নাগরিকের মুক্তির কথা বলছি না; কেবল বলছি সামান্য স্বস্তির কথা। সেটি করতে হলেও শুরুটা করতে হবে নতুন করে, সবাইকে নিয়ে। সমস্যা আমরা সবাই জানি, সমাধানও সম্ভব। প্রশ্ন হলো—আমরা সমাধান চাই কি না? সমাধানের জন্য নাগরিকের ন্যূনতম স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে, গোষ্ঠীস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে আন্তরিকতা আর সদিচ্ছা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।
আরেকটি সহজ পথ অবশ্য আছে—‘এলাহী ভরসা’ বলে চোখ বন্ধ করে থাকা। শুধু কি ফুটপাত? ফুটপাত থেকে সড়ক, সড়ক থেকে মহাসড়ক—এই দখলদার দলের হাত থেকে কিছুই তো নিষ্কৃতি পায়নি! নদী-নালা, খাল-বিল, সিটি করপোরেশনের ডাস্টবিন—কিছুই আর দখলের বাইরে নয়। যেখানে ময়লার ভাগাড় দখলের জন্য খুনোখুনি হয়, সেখানে দখলমুক্ত ফুটপাতের আশা আকাশকুসুম ভাবনা ছাড়া বাড়তি কী? তবু ডিএনসিসি প্রশাসকের ঘোষণা রাজনীতিমুক্ত, আপসহীন, কালো অর্থনীতির ঊর্ধ্বে গিয়ে স্বচ্ছতা এবং শৃঙ্খলার সাথে প্রকাশ পাক—এই আশায় আপাতত বুক বাঁধি।
পপি দেবী থাপা: সাংবাদিক ও সংস্কৃতিকর্মী। ই-মেইল: popythapabpc@gmail.com
