০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চক্রব্যূহে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও খালিদীর সম্পাদকীয় মেরুদণ্ড

প্রযুক্তি সংবাদ পৌঁছে দিতে পারে, কিন্তু আস্থার জন্য দরকার সম্পাদকীয় চরিত্র। তৌফিক ইমরোজ খালিদীর বস্তুনিষ্ঠ ও অকুতোভয় সাংবাদিকতার পর্যালোচনা করেছেন এম এম খালেকুজ্জামান।

চক্রব্যূহে স্বাধীন সাংবাদিকতা ও খালিদীর সম্পাদকীয় মেরুদণ্ড

তৌফিক ইমরোজ খালিদী।

এম এম খালেকুজ্জামান এম এম খালেকুজ্জামান

Published : 08 Oct 2026, 02:39 PM

Updated : 08 Oct 2026, 02:39 PM

কিছু ব্যক্তিগত স্মৃতি সময়ের সঙ্গে পুরোনো হয় না। বরং সময় যত গড়ায়, তার অর্থ তত গভীর হয়। তৌফিক ইমরোজ খালিদীকে নিয়ে লিখতে বসে আমার তেমনই একটি স্মৃতি মনে পড়ছে।

দেশের একটি পরিচিত ও সাহসী সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের জন্য আমার একটি লেখা পাঠিয়েছিলাম। শেষ পর্যন্ত নানা বিবেচনায় লেখাটি সেখানে প্রকাশিত হয়নি। পরে সেই লেখাটি প্রকাশের সুযোগ করে দিয়েছিল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। একজন সম্পাদক হিসেবে খালিদী তখন লেখাটির পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

ঘটনাটি ব্যক্তিগত। কিন্তু আজ তার প্রয়াণের পর সেটিকে আর কেবল ব্যক্তিগত ঘটনা বলে মনে হয় না। কারণ একজন সম্পাদক তখনই সম্পাদক হয়ে ওঠেন, যখন তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়—কোনো লেখা প্রকাশের সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করবেন, নাকি পাঠকের জানার অধিকারকে অগ্রাধিকার দেবেন। খালিদী দ্বিতীয় পথটি বেছে নিয়েছিলেন। এই ছোট্ট ঘটনাটির মধ্যেই তার সাংবাদিকতার একটি বড় পরিচয় লুকিয়ে আছে।

২.

মহাভারতের অভিমন্যু চক্রব্যূহে প্রবেশের বিদ্যা জানতেন, কিন্তু বেরিয়ে আসার সম্পূর্ণ কৌশল জানতেন না। তবু তিনি প্রবেশ করেছিলেন। কারণ সামনে বিপদ আছে জানলেই সব মানুষ পিছিয়ে যায় না। অভিমন্যুর কাহিনি তাই শুধু পরাজয়ের কাহিনি নয়; এটি প্রতিকূলতার মুখে প্রবেশে সাহসের কাহিনি।

সাংবাদিকতারও একটি চক্রব্যূহ আছে। সেখানে অস্ত্রের বদলে থাকে ক্ষমতার চাপ, মামলা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, মালিকানার স্বার্থ, বিজ্ঞাপনের নির্ভরতা, সামাজিক চাপ এবং আত্মরক্ষার সহজ প্রলোভন।

এই বৃত্তের বাইরে দাঁড়িয়ে স্বাধীন সাংবাদিকতার কথা বলা সহজ। কঠিন হলো তার ভেতরে প্রবেশ করে স্বাধীন থাকা। তৌফিক ইমরোজ খালিদী সেই কঠিন পথের মানুষ ছিলেন। সেখানে প্রযুক্তির চেয়ে বড় ছিল সম্পাদকীয় মেরুদণ্ড।

২০০৬ সালে তার নেতৃত্বে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নতুন আঙ্গিকে যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশের সংবাদজগতে সেটি ছিল ডিজিটাল যুগের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক। কিন্তু একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা আর একটি বিশ্বাসযোগ্য সংবাদপ্রতিষ্ঠান তৈরি করা এক কথা নয়।

প্রযুক্তি সংবাদ পৌঁছে দিতে পারে; বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করতে পারে না। দ্রুততা পাঠক বাড়াতে পারে; আস্থা তৈরি করতে পারে না। একটি সংবাদমাধ্যমকে দীর্ঘস্থায়ী করে শেষ পর্যন্ত তার সম্পাদকীয় চরিত্র।

খালিদীর কৃতিত্ব এখানেই যে তিনি ডিজিটাল সাংবাদিকতাকে কেবল প্রযুক্তিগত পরিবর্তন হিসেবে দেখেননি। তিনি এটিকে সংবাদচর্চার একটি নতুন সংস্কৃতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।

তার সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্ত দুটি বাক্য এ প্রসঙ্গে বিশেষভাবে মনে পড়ে—“উই ডিড নট বাও আওয়ার হেডস” (আমরা মাথা নত করিনি)। আর, “উই উইল কনটিনিউ টু সারভাইভ উইথ আওয়ার হেডস হেল্ড হাই” (আমরা মাথা উঁচু করে টিকে থাকব)।

এই দুটি বাক্য কোনো প্রতিষ্ঠানের আত্মপ্রশংসা হিসেবে পড়লে এর গভীরতা বোঝা যাবে না। এগুলো বরং একটি সম্পাদকীয় দর্শনের সংক্ষিপ্ত প্রকাশ—চাপের মধ্যেও নিজের পেশাগত মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার সংকল্প।

৩.

সাহস মানে শুধু প্রতিবাদ নয়। সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে সাহস শব্দটি আমরা প্রায়ই ব্যবহার করি। কিন্তু সব সাহস এক রকম নয়। কখনো সাহস আবেগের বিস্ফোরণ—তার স্থায়িত্ব কম। আবার এমন সাহসও আছে, যা প্রতিদিনের পেশাগত শৃঙ্খলার মধ্যে প্রকাশ পায়—চাপের মধ্যেও তথ্য যাচাই করা, অস্বস্তিকর খবর প্রকাশ করা, ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করা এবং নিজের পছন্দের মতের বিপরীত তথ্যকেও জায়গা দেওয়া। খালিদীর সাংবাদিকতার শক্তি ছিল এই দ্বিতীয় ধরনের সাহসে।

এক-এগারোর সময় বাংলাদেশের গণমাধ্যম একটি অস্বাভাবিক রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে গেছে। ক্ষমতার প্রবল স্রোত, রাষ্ট্রীয় প্রভাব এবং নিরাপদ অবস্থান নেওয়ার প্রবণতা তখন সাংবাদিকতার জন্য বড় পরীক্ষা তৈরি করেছিল।

সে সময় খালিদী ক্ষমতার ভাষ্যকে সংবাদ হিসেবে গ্রহণ করার সহজ পথ বেছে নেননি। এম্বেডেড জার্নালিজমের (ক্ষমতাকাঠামোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত থেকে করা সাংবাদিকতা) নিরাপদ আশ্রয়ও তার সাংবাদিকতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হয়ে ওঠেনি।

তার সামনে মামলা এসেছে, চাপ এসেছে, প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রযুক্তিগত প্রতিবন্ধকতা এসেছে। কিন্তু সাংবাদিকতার মৌলিক প্রশ্নটি তিনি হারাননি—পাঠক সত্যটি জানবে কি না। এখানেই তার সাংবাদিকতার স্বাতন্ত্র্য। স্বাধীনতা শুধু একটি অধিকার নয়।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং যুক্তিসংগত সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দিয়েছে। কিন্তু কোনো অধিকার কেবল সংবিধানের পাতায় থাকলেই জীবন্ত হয় না।

অধিকারকে জীবন্ত রাখে প্রতিষ্ঠান, পেশাগত সংস্কৃতি এবং সেই অধিকার রক্ষায় প্রস্তুত মানুষ। এখানেই কনস্টিটিউশনাল ম্যান্ডেটের (সাংবিধানিক দায়িত্ব) প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ।

সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদ বলছে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বৈধতা তাই শেষ পর্যন্ত জনগণের সার্বভৌমত্বের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু জনগণ যদি তথ্য না পায়, প্রশ্ন করার সুযোগ না পায়, ক্ষমতার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতে না পারে, তবে সার্বভৌমত্ব কেবল একটি সাংবিধানিক বাক্যে সীমাবদ্ধ হয়ে যেতে পারে।

এই কারণে স্বাধীন সংবাদমাধ্যম রাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ নয়। বরং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ওপর নাগরিক নজরদারির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা। একটি স্বাধীন নিউজরুম (সংবাদকক্ষ) তাই কেবল সংবাদ তৈরির জায়গা নয়, সেটি নাগরিক স্বাধীনতারও একটি ক্ষুদ্র পরিসর—যেখানে সরকারি বক্তব্যের পাশে নাগরিকের প্রশ্ন থাকতে পারে, যেখানে ক্ষমতার বক্তব্যের সঙ্গে তথ্যের যাচাই হতে পারে।

খালিদীর সাংবাদিকতার গুরুত্ব এই জায়গাতেই সাংবিধানিক হয়ে ওঠে। সাহসের সঙ্গে বস্তুনিষ্ঠতার মেলবন্ধন ঘটে তার কলমে। খালিদীর সাংবাদিকতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল অবজেক্টিভিটি (বস্তুনিষ্ঠতা)। সাহসী সাংবাদিকতা মানেই উচ্চকণ্ঠ সাংবাদিকতা নয়। বরং অনেক সময় সবচেয়ে সাহসী সাংবাদিকতা হলো নিজের পক্ষপাতকে নিয়ন্ত্রণ করা।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের নিউজরুম কালচারে (সংবাদকক্ষের পেশাগত সংস্কৃতি) সোর্স অ্যাট্রিবিউশন (তথ্যের উৎস স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা) এবং নির্ভুলতার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি এ কারণেই তাৎপর্যপূর্ণ।

একজন সাংবাদিকের পছন্দের তথ্যই সত্য নয়। যে তথ্য তার নিজের অবস্থানকেও অস্বস্তিতে ফেলে, সেটিও যদি সত্য হয়, তবে তাকে জায়গা দিতে হয়। সাংবাদিকতার এই আত্মসংযমই তাকে প্রচার থেকে পৃথক করে।

৪.

খালিদীর উত্তরাধিকার তাই শুধু সাহস নয়; সাহসের সঙ্গে পেশাগত শৃঙ্খলার সমন্বয়। ডিজিটাল যুগের এক অগ্রপথিক—প্রিন্ট মিডিয়ার দীর্ঘ আধিপত্যের সময়ে ডিজিটাল সংবাদ ছিল অনেকটাই অচেনা ভূখণ্ড। আজ যে অনলাইন সংবাদ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক অংশ, সেই বাস্তবতা তৈরি হওয়ার সময় খালিদী ছিলেন অগ্রপথিকদের একজন।

তিনি শুধু একটি সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠা করেননি। তিনি একটি নতুন পাঠকগোষ্ঠী তৈরি করেছেন, সাংবাদিকদের জন্য নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরি করেছেন এবং সংবাদ গ্রহণের অভ্যাসে পরিবর্তন এনেছেন।

ডিজিটাল সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় শক্তি তার গতি। কিন্তু সেই গতির সঙ্গে ভুল তথ্যের ঝুঁকিও থাকে। তাই ডিজিটাল সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ শুধু দ্রুততার ওপর নির্ভর করে না; নির্ভর করে আস্থা ও নির্ভুলতার ওপর। এই জায়গায় তার কাজের গুরুত্ব সময়ের সঙ্গে আরও স্পষ্ট হবে।

কিছু মানুষ মৃত্যুর পরও থেকে যান

কিছু মানুষ চলে যান, কিন্তু তাদের কাজের মধ্যে তারা থেকে যান। থেকে যান তাদের প্রতিষ্ঠানে, সহকর্মীদের পেশাগত অভ্যাসে, পাঠকের প্রত্যাশায়, তরুণ সাংবাদিকদের সাহসে। এমনকি তাদের সঙ্গে একবার কাজ করা বা তাদের কাছ থেকে কোনো সুযোগ পাওয়া মানুষের ব্যক্তিগত স্মৃতিতেও। খালিদীর উত্তরাধিকারও তেমন।

একজন সম্পাদক কতগুলো সংবাদ প্রকাশ করেছেন, কয়টি সংবাদমাধ্যম প্রতিষ্ঠা করেছেন—এসব দিয়ে তার সম্পূর্ণ মূল্যায়ন হয় না। আসল প্রশ্ন হলো, তিনি চলে যাওয়ার পর তার সহকর্মীরা কি একটু বেশি স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করতে পারবেন? একজন তরুণ সাংবাদিক কি মনে করবেন যে চাপের মধ্যেও সত্য বলা সম্ভব? একজন পাঠক কি বিশ্বাস করবেন যে সংবাদমাধ্যম এখনও ক্ষমতার বাইরে দাঁড়িয়ে তাকে তথ্য দিতে পারে?

যদি উত্তর হ্যাঁ হয়, তবে একজন সম্পাদক তার পেশাগত জীবনের চেয়েও বড় কিছু রেখে গেছেন। স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য কেবল সহায়ক পরিবেশ শুধু সরকার তৈরি করতে পারে না। আইন করেও একা তা তৈরি করা যায় না। সংবাদমাধ্যমের সংখ্যা বাড়িয়েও নয়।

এর জন্য দরকার রাষ্ট্রের সহনশীলতা, মালিকানার দায়িত্ববোধ, সম্পাদকের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের পেশাগত সততা এবং পাঠকের সত্য জানার অধিকার সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা।

রাষ্ট্রকে বুঝতে হবে—স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে দুর্বল করা মানে শুধু একটি প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করা নয়; নাগরিকের জানার অধিকারকেও দুর্বল করা। মালিককে বুঝতে হবে—সংবাদমাধ্যম কেবল ব্যবসা নয়। সম্পাদককে বুঝতে হবে—স্বাধীনতা শুধু নিজের পছন্দের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নয়; নিজের অপছন্দের মত প্রকাশের জায়গা তৈরি করার সাহসও।

আর সাংবাদিককে মনে রাখতে হবে—ক্ষমতার কাছে সত্যের মূল্য কমে গেলেই সাংবাদিকতার মূল্য শেষ হয়ে যায় না; বরং তখনই সাংবাদিকতার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। তৌফিক ইমরোজ খালিদী সেই প্রয়োজনের কথা তার কাজের মধ্য দিয়ে মনে করিয়ে গেছেন।

৫.

মহাভারতের অভিমন্যু চক্রব্যূহ থেকে ফিরে আসতে পারেননি। তার পরিণতি ছিল ট্র্যাজিক। কিন্তু ইতিহাস কখনো কখনো মানুষের শেষ পরিণতি দিয়ে তার মূল্য নির্ধারণ করে না। নির্ধারণ করে সে কোন অবস্থানে দাঁড়িয়েছিল তা দিয়ে।

খালিদীও তার সময়ের চক্রব্যূহে প্রবেশ করেছিলেন। ক্ষমতার সঙ্গে আপস না করে, সাংবাদিকতার পেশাগত মর্যাদা ধরে রেখে, ডিজিটাল সংবাদকে একটি বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার চেষ্টা করেছিলেন।

আজ তার শরীর নেই। কিন্তু তার রেখে যাওয়া প্রশ্ন আছে। আমরা কি এমন একটি রাষ্ট্র চাই, যেখানে সাংবাদিক স্বাধীনভাবে প্রশ্ন করতে পারবেন? আমরা কি এমন একটি সংবাদমাধ্যম চাই, যেখানে সত্য প্রকাশের আগে ক্ষমতার মুখের দিকে তাকাতে হবে না? আমরা কি এমন একটি সাংবাদিকতা চাই, যেখানে মাথা উঁচু করে টিকে থাকা কোনো ব্যতিক্রম নয়, বরং পেশাগত স্বাভাবিকতা?

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর প্রতি আমাদের প্রকৃত শ্রদ্ধা হয়তো তার প্রশংসা করে নয়, এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে। কারণ একজন সম্পাদক চলে যেতে পারেন, কিন্তু একটি ভালো সম্পাদকীয় মানদণ্ড চলে যাওয়ার কথা নয়।

এম এম খালেকুজ্জামান: আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ইমেইল: adv.mmkzaman@gmail.com