Published : 02 Jun 2026, 09:31 PM
দৈনিক যায়যায়দিনের সম্পাদক শফিক রেহমান ও আমার দেশ এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে সম্পাদকদের নতুন একটি সংগঠন আত্মপ্রকাশ করেছে।
ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি) নামে এ সংগঠনের আহ্বায়কের দায়িত্বে থাকবেন শফিক রেহমান এবং যুগ্ম আহ্বায়ক হয়েছেন মাহমুদুর রহমান।
মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার কার্যালয়ে এক সভায় এ সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্তের তথ্য পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়।
শুরুতে গঠিত ১৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির বাকি সব সদস্য মুদ্রিত সংবাদপত্রের সম্পাদক।
তবে এটি শুধু মুদ্রিত সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন কি না তা সুস্পষ্ট করা হয়নি।
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা, সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন এবং সম্পাদকদের পেশাগত স্বার্থ সুরক্ষার লক্ষ্যে এনইসি গঠন করা হয়েছে বলে দৈনিক আমার দেশের সহযোগী সম্পাদক আলফাজ আনামের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
অন্য সদস্যরা হলেন – নয়াদিগন্তের সম্পাদক সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ, যুগান্তরের সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খান সোহেল, সংগ্রামের সম্পাদক আযম মীর শাহীদুল আহসান, নিউ নেশনের সম্পাদক মোকাররম হোসেন, ওয়াদার সম্পাদক শফিকুল আলম, মানবকণ্ঠের সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, লোকসমাজের সম্পাদক শান্তনু ইসলাম সুমিত, ডেইলি পিপলস ভিউয়ের সম্পাদক ওসমান গনি মনসুর ও জালালাবাদের সম্পাদক মুকতাবিস উন নূর।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলোর সম্পাদকদের বর্তমানে আরও কয়েকটি সংগঠন রয়েছে।
এরমধ্যে একটি ২০১৩ সালে গঠিত মুদ্রিত সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন ‘সম্পাদক পরিষদ’।
আরেকটি এডিটরস গিল্ড, বাংলাদেশ; যেটি সংবাদ প্রকাশনা ও পরিবেশনার সঙ্গে যুক্ত সব ধরনের মাধ্যমের সম্পাদকীয় নেতাদের নিয়ে ২০১৮ সালে গঠিত হয়।
অপরদিকে ‘টেলিভিশন এডিটরস কাউন্সিল’ নামে টেলিভিশন সাংবাদিকদের সংবাদ নেতৃত্ব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি সংগঠন গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এজন্য গত ১৪ মে বাংলাভিশনের প্রধান সম্পাদক ও বার্তা প্রধান আব্দুল হাই সিদ্দিককে আহ্বায়ক এবং সময় টিভির সিইও সৈয়দ জুবায়ের আহমেদ বাবুকে সদস্য সচিব করে কমিটি করা হয়।
এমন প্রেক্ষাপটে সম্পাদকদের আরেকটি সংগঠন গঠনের ঘোষণা এল।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এটি গঠন করার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, “ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনামলে সংবাদমাধ্যমের যে অবক্ষয় ঘটেছে তা অবসানে নতুন এ সংগঠন তৈরির প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে সম্পাদকরা ঐকমত্য পোষণ করেন।”
সভায় সংগঠনের গঠনতন্ত্র প্রণয়ন, সাংবাদিকদের পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং দ্রুত জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিকের সম্পাদকদের নিয়ে জাতীয় কনভেনশন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরা হয়।