১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ওজন কমাতে সহায়ক শুকনা ফল ও বাদাম

খেজুর, কাঠবাদাম, কিশমিশ’য়ের মতো খাবারগুলো পুষ্টিগুণেও ভরপুর।

লাইফস্টাইল ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 24 Jun 2023, 06:28 PM

Updated : 25 Jun 2023, 09:49 AM

শুকনা ফল কেবল পুষ্টিকরই নয় এতে আছে খনিজ ও ভালো চর্বি।

তাছাড়া খেতেও সুস্বাদু ও মচমচে। তাই সুস্থ থাকতে আর ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে খাবার তালিকায় শুকনা ফল যোগ করা উপকারী। 

টাইমসঅবইন্ডিয়া ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারত ভিত্তিক শুকনা ফল ও বাদাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘ফার্মলির’র ‘ফুড ইনোভেইশন টেকনোলজিস্ট’ মারিশা বরাই বলেন, “প্রথমত, শুকনা ফল বিপাক হার বাড়ায়। এগুলো খনিজ, এঞ্জাইম ও ভিটামিন সমৃদ্ধ যা হজমক্রিয়াকে উন্নত করে। স্বাস্থ্যকর হজমক্রিয়া বিপাক হার বাড়ায়, ফলে তা দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে।”

দ্বিতীয়ত, শুকনা ফল দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। ফলে অতিভোজন থেকে বিরত থাকা যায়। পাকস্থলী ভরা রাখার মাধ্যমে শুকনা ফল ক্যালরি হিসেবে জমে থাকা চর্বি কমাতে সহায়তা করে।

পরিমিত শুকনা ফল ও বাদাম খাবার তালিকায় যোগ করা চর্বি ও শর্করা গ্রহণের মাত্রা কমাতে ও বিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করে।

কিশমিশ: বরাই বলেন, “ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিশমিশের গুণাগুণ প্রমাণিত। কাঁচা কিশমিশেরর চেয়ে ভেজানো কিশমিশের উপকারিতা বেশি। কারণ পুষ্টিগুণ বেড়ে যায়। এটা মিষ্টি খাওয়ার চাহিদা মেটায় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।” 

তিনি আরও বলেন, “কিশমিশ সাধারণত কম লবণ ও উচ্চ আয়োডিন, আঁশ, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডস এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ। যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুষ্টিকর উপায় হিসেবে কাজ করে।”

শুকনা আঞ্জির: ইংরেজিতে বলে ফিগ। আর ডুমুর ধরনের এই ফল উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

এতে থাকা আঁশ হজমে সহায়তা করার পাশাপাশি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। এতে থাকা পুষ্টি উপাদান বিপাক বাড়ায়।

ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডস, ক্যালরি পোড়াতে ও পেটের মেদ কমাতে সহায়তা করে। এটা প্রাকৃতিক মিষ্টি হওয়াতে মিষ্টি খাওয়ার চাহিদা পূরণ করে।

আঁশ ছাড়াও পটাসিয়াম সমৃদ্ধ যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, পানি জমাভাব কমায় এবং এতে তাজা ফলের চেয়ে ক্যালরির মাত্রা কম থাকে।

কাঠবাদাম: বরাই’য়ের মতে, “কাঠবাদমে রয়েছে নানান উপকারিতা, যা উচ্চ খারাপ কোলেস্টেরলে মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এই বাদামে ক্যালরির মাত্রা কম এবং পুষ্টি উপাদান যেমন- মনোআনস্যাচুরেইটেড ফ্যাট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রোটিনের মাত্রা বেশি। এটা শরীরে প্রোটিন, আঁশ ও স্বাস্থ্যকর চর্বি যোগায়, দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রেখে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।”

খেজুর: উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ যা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। আঁশ অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখে, অধিভোজনের ঝুঁকি কমায়।

খেজুরে আছে ভিটামিন বি ফাইভ, যা শক্তি যোগায়। ফলে শারীরিক পরিশ্রমের জন্য শক্তি পাওয়া যায়।

ভিটামিন বি ফাইভ থাকায় অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে ২৮২ কিলোক্যালরি পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন

পুরানো খবর:

গরমে কিশমিশের পানি পানের উপকারিতা

পুরানো খবর:

পেট ভরাতে স্বাস্থ্যকর নাস্তা

পুরানো খবর:

নাস্তায় শুকনা ফল- ভালো না খারাপ?