Published : 17 Sep 2026, 02:12 PM
ধারাভাষ্যকার বললেন, “এমন কিছু কি আছে, মেসি যা করতে পারেন না?” এই মুগ্ধতা নতুন নয়। ফুটবল মাঠে যা যা করা সম্ভব এবং অনেকের কাছেই যা অসম্ভব, মেসি সবই করে চলেছেন বছরের পর বছর ধরে। তার পরও নতুন করে এটি বলার কারণ, এই ম্যাচে তার গোলের ধরন। হেড থেকে গোল তো খুব বেশি করতে দেখা যায় না তাকে!
ইন্টার মায়ামির হয়ে এবার দারুণ এক হেডে গোল করলেন মেসি। সেটিও এক মাইফলক গোল। এই ক্লাবের হয়ে তার গোল হয়ে গেল ১০০টি। পরে তার কর্নার থেকে হেডে গোল করলেন কাজেমিরো। মেক্সিকোর ক্রুস আসুলকে ২-০ গোলে হারিয়ে কাম্পেওনেস কাপ জিতে নিল মায়ামি।
মেসির ক্যারিয়ারের ৪৯তম ট্রফি এটি।
যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকার ও মেক্সিকোর লিগা এমএক্সের শিরোপাজয়ী দুই দলের লড়াই এই কাম্পেওনেস কাপ হয়ে আসছে ২০১৮ সাল থেকে।
নতুন কোচ ক্রিস্তিয়ান ‘কিলি’ গন্সালেসের কোচিংয়ে মায়ামির প্রথম ম্যাচ ছিল এটি। আর্জেন্টাইন কোচের শুরুটা হলো ট্রফি জিতে।
ঘরের মাঠে ম্যাচটির ২৪তম মিনিটে এগিয়ে যায় মায়ামি। লুইস সুয়ারেসের ক্রস থেকে মার্কারকে ছিটকে অনেকটা লাফিয়ে হেডে গোল করেন মেসি।
পিএসজি থেকে ২০২৩ সালে মায়ামিতে নাম লেখানো মেসি এই ক্লাবের জার্সিতে ৭৬ গোল করেছেন মেজর লিগ সকারে, ১৪টি লিগস কাপে, ৮টি কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপে এবং একটি করে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ ও এই কাম্পেওনেস কাপে।
ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি আসে ৮১তম মিনিটে। গত চার ম্যাচে এই নিয়ে তিনবার মেসির কর্নার থেকে হেডে গোল করলেন কাজেমিরো।
ম্যাচের পর কোচ গন্সালেস বললেন, তাকে ট্রফি দিয়ে স্বাগত জানানোর প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়ে রেখেছিলেন মেসি।
“লিও আমাকে বলেছিলেন যে, চ্যাম্পিয়ন হয়েই শুরু হবে আমার এবং সে তা করে দেখিয়েছে।
সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য, এটি আমাদের মনোবল ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দেবে। আমাদের জন্য একটি অপরিহার্য উপাদান হয়ে উঠবে এটি। তবে এই সাফল্য কেবল একটি পদক্ষেপ, আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে।”