১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শেষ ঠিকানার খোঁজ

কবরস্থান, শ্মশান, সমাধিস্থল বা গোরস্থান- যেভাবেই বলা হোক, সময় হলে সবার ঠিকানা একই।

বিডিনিউজ২৪

আহমেদ ফেরদৌস

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 03 Dec 2025, 02:25 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:14 PM

‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’- এখনও জানা হয়নি কারও। তবে পাখি ছাড়া শূন্য খাঁচার শেষ ঠিকানার কথা সবারই জানা।

আর রাজধানী জুড়ে এরকম শেষ ঠিকানা রয়েছে বেশ কয়েকটি।  

ঢাকায় সাড়ে তিন হাত মাটি

গোসল, কাফন, জানাজা—সব ঠিকঠাক। কিন্তু কবর? ঢাকায় এখন কবরের জায়গা পাওয়া যেন সোনার হরিণ।

শোকের মাঝে ছুটোছুটি করে কবর খুঁজতে হয়। অনেকে গ্রামের বাড়ি নিয়ে যান। যারা শহরেই রাখতে চান, তাদের জন্য আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে।

সাড়ে তিন হাত মাটি কিনে রাখলে স্থায়ী কবর। নয়ত সাধারণ অংশে দাফন— এক বছর পর সেখানেই নতুন কবর।

ঢাকায় সিটি কর্পোরেশন নিয়ন্ত্রিত কবরস্থান ১০টি। দক্ষিণ সিটিতে ৪টি, উত্তরে ৬টি।

সাধারণ কবরে শুধু সরকারি ফি দিলেই হল। তবে স্থায়ী চাইলে আগে থেকে কিনতে হয়।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কবরস্থান ব্যবস্থাপনা একটা অ্যাপ রয়েছে। ‘গ্রেভইয়ার্ড ম্যানেজমেন্ট ডিএনসিসি’  অ্যাপটি গুগল স্টোরে পাওয়া যায়। এতে উত্তরে ৬টি কবর স্থানের তথ্য রয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কবরস্থানের তথ্য রয়েছে এই ওয়েবসাইটে https://gms.dscc.gov.bd/

দাফনের খরচ

আজিমপুর কবরস্থানের গোরখোদক রবিন মিয়া জানালেন, কাফনের কাপড় ছাড়াও আরও নয় প্রকার সামগ্রী লাগে, যেমন- সাবান, আতর, লোবান-কর্পূর, আগরবাতি, গোলাপজল, তুলা, ঢিলা কুলুপ, খিলাল, বুরুশ ইত্যাদি।

সব মিলিয়ে প্রতিটি সেটের মূল্য ৪৫০ থেকে ৭৫০ টাকা। তবে উন্নত মানের পপলিন কাপড়ের কাফন সেট (৮-১০ গজ) ২ হাজার ৫শ’ টাকায় পাওয়া যায়।

মগবাজারে বিদায় বেলা স্টোর, সায়েদাবাদে আখেরি বিদায়, বনানীতে আল বিদায় স্টোর, ঢাকা শহরের প্রায় প্রতিটি এলাকায় বিদায় স্টোর বা শেষ বিদায় বিভিন্ন নামে এসব দোকান রয়েছে।

এসব দোকানগুলোতে দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকায় বিভিন্ন মানের কাফন সেট বিক্রি হয়।

কাফন সেট ছাড়াও এসব দোকানে বিক্রি হয় লাশ বহনের বাক্স। আম কাঠে তৈরি এসব বাক্সের বিক্রি মূল্য আড়াই হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা।  

কবর দিতে রেজিস্ট্রেশনের খরচ এক হাজার টাকা। দাফনের খরচ ৫শ’ টাকা। এছাড়াও কবর খোঁড়া-বাঁশ-চাটাই ইত্যাদির জন্য ৮শ’ টাকার মতো খরচ হয়।

অন্যান্য বিষয়

চির বিদায়ের দোকানগুলো দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে। লাশ বহনকারী গাড়ি, মাইক্রোবাস, ট্রাক ইত্যাদি এখান থেকেও ভাড়ায় পাওয়া যায়।

ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় লাশ বহনের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক দেড় টনের মিনি ট্রাক ভাড়ায় পাওয়া যায় চাঁনখারপুল, নিমতলী এবং সাতরাস্তা এলাকায়।

এছাড়া বিভিন্ন রেন্ট-এ-কারে ভাড়ায় মাইক্রোবাসে করেও লাশ স্থানান্তর করা হয়।

লাশ বহনের গাড়ির ক্ষেত্রে ফেরি পারাপারে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। লাশের গাড়ির সামনে লালসালু কাপড়ের টুকরা বেঁধে দিলে রাস্তায় সুবিধা পাওয়া যায়।

লাশ গোসলের পর কাফন পরিয়ে দেওয়া হয়। কাফনের মধ্যে থাকে তিনটি অংশ- কামিজ, লেফাফা ও চাদর। নারীদের জন্য অতিরিক্ত দুটো কাপড়।

এসব আবশ্যিকতা সম্পন্ন হয়ে গেলে লাশকে খাটিয়ায় করে জানাজার নামাজ পড়ানোর জন্যে স্থানান্তর করা হয়। পাড়া-মহল্লার প্রতিটি মসজিদেই লাশ বহনের জন্যে রয়েছে খাটিয়া।

লাশ গোসলের ব্যবস্থা

বেশিরভাগ কবরস্থানে গোসল-জানাজার ব্যবস্থা আছে। ঢাকার প্রায় প্রতিটি এলাকার মসজিদে লাশ গোসলের ব্যবস্থা রয়েছে। বাড়ি থেকেও গোসল করে আনা যায়।

এছাড়া আল মারকাজুল, আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

আল মারকাজুল ইসলামি মৃতদেহ সৎকারাগার www.amibd.org

আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম www.anjumanmibd.org

ফ্রিজার ভ্যান সেবা

ফ্রিজার ভ্যান সেবা হল হিমায়িত অবস্থায় কোনো পণ্য বা মৃতদেহ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত একটি পরিষেবা। এটি সাধারণত লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স বা বিশেষ ধরনের কভার ভ্যান হিসেবে পাওয়া যায়, যা ঢাকা এবং সারা দেশে বিভিন্ন অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিষেবা দিয়ে থাকে। 

কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা দেওয়া হল

https://24ambulance.com/

https://sebaambulance.com/

https://anjumanmibd.org/

কবর দিতে যেসব কাগজ লাগবে

হাসপাতালে মারা গেলে ডাক্তারের মৃত্যু সনদ। জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধনের কপি।

১৮ বছরের নিচে হলে জন্ম নিবন্ধন, বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি।

বিদেশে মারা গেলে পাসপোর্ট কপি। আত্মহত্যা বা খুন হলে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ও পুলিশ ছাড়পত্র।

ঢাকার প্রধান কবরস্থানগুলো

আজিমপুর কবরস্থান: ঢাকার সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্যবাহী। সপ্তদশ শতাব্দী থেকে এ কবরস্থানের সূচনা। আধুনিক এ কবরস্থানে এক হাজার ৬০০ মিটার দৃশ্যমান সীমানার দেয়াল রয়েছে।

এর মধ্যে উত্তর ও দক্ষিণ পাশে আছে কাচের ৩২০ মিটার সীমানা। যে কারণে বাইরে থেকে কবরগুলো সহজেই চোখে পড়বে। রয়েছে প্রতি দুই সারি কবরের পরপর একটি করে চার ফুট চওড়া হাঁটাপথ। এমন ১৬৮টি লম্বা হাঁটাপথ রয়েছে। পথগুলো বিশেষ ঢালাইয়ের মাধ্যমে পাকা করা।

এর নিচেই রাখা হয়েছে পানি নিষ্কাশনের ড্রেন। ফলে মুষলধারে বৃষ্টি হলেও আগের মতো আর পানি জমে থাকে না এখন। মাঝের হাঁটাপথে দাঁড়িয়েই প্রার্থনা শেষ করা যায়।

জমির পরিমাণ ৭৪ বিঘা। প্রতিদিন ৩০টির বেশি লাশ দাফন করা হয়। স্থায়ী অংশে আর জায়গা নেই।

ভার্চুয়ালি কবরস্থান দেখার ঠিকানা: https://gms.dscc.gov.bd/vr/azimpur/

জুরাইন কবরস্থান: ঢাকার দ্বিতীয় বড় কবরস্থান। জমির পরিমান ১৭.২৬ একর। কবরস্থানটি দুই অংশে বিভক্ত। এর মধ্যে একটি স্থায়ী বা ক্রয়কৃত কবরস্থান। আর অন্যটি অস্থায়ী কবরস্থান। অফিস অস্থায়ী কবরস্থানের গেট দিয়ে প্রবেশ করে হাতের বাম পাশে অবস্থিত।

সাধারণ কবরগুলো সাধারণত এক বৎসর পর্যন্ত স্থায়ী হয়। পরে আবার সেখানে নতুন কবর দেওয়া হয়।

বনানী কবরস্থান: ১৯৭৪ সালে তৈরি এ কবরস্থান। জমির পরিমান ২৫ একর।  মোহরার মো. কবির উদ্দিন, মোবাইল: ০১৭৬৫৫৮৭৭৩৩।

মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান: জমির পরিমান: ৫৬ একর। ১৯৮৩ সাল থেকে শুরু। মোহরার মো. সানোয়ার হোসেন, মোবাইল: ০১৭২৮-০৩৭-০১৬।

রায়েরবাজার কবরস্থান বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ কবরস্থান: ২০১৬ সালে তৈরি। জমির পরিমান ৯৬.২৩ একর। মোহরার মো. ফেরদৌস, মোবাইল: ০১৭২১২৩৫২১৯।

উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টর: শুরু ১৯৯৫ সালে। জমির পরিমান ২.৫ একর। মোহরার মো. হারুন উর রশিদ, মোবাইল: ০১৭১৭-৬৩৭-৯০৫।

উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর: শুরু ২০১২ সালে। জমির পরিমান ৩ একর। মোহরার মো. মনিরুল ইসলাম, মোবাইল: ০১৭২৫১৬৩৪২৫।

উত্তরা ১৪ নম্বর সেক্টর: শুরু ২০১৯ সালে। জমির পরিমান ১.৫ একর।

মুরাদপুর কবরস্থান: শুরু ১৯৪০ সালে। জমির পরিমান ৪২ শতক।

খিলগাঁও তালতলা কবরস্থান যোগাযোগ: ০১৮১৪৯০৮৭০৩।

স্থায়ী কবরের নিয়ম উত্তর সিটিতে অগ্রিম সংরক্ষণ বন্ধ। তবে অনুমতি নিয়ে ১৫ থেকে ২৫ বছরের জন্য কেনা যায়। মুক্তিযোদ্ধাদের ১০ বছর ফ্রি (সনদ লাগবে)।

কবরস্থান সকাল ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা। জরুরি হলে পরেও ব্যবস্থা হয়।

বেওয়ারিশ লাশ কে দেখে?

আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম। দরিদ্র-অসহায়ের লাশও তারাই দাফন করে। যোগাযোগ: ৫ এসপি দাস রোড, গেন্ডারিয়া অথবা ১০৬ কাকরাইল।

শোকের মাঝে ছুটোছুটি কমাতে আগে থেকে ঠিক করে রাখুন— কবরটা কোথায় হবে। গ্রামে না শহরে। নিজের জমি না থাকলে সিটি কর্পোরেশনের কবরস্থানে স্থায়ী জায়গা কিনে রাখুন।

ভাবতে মন খারাপ লাগে। তবে প্রস্তুতি থাকলে প্রিয়জনের শেষ যাত্রাটা অন্তত শান্তিতে হয়। মৃত্যু অনিবার্য, ঝক্কি নয়।

সব মিশে যায় চিতায়

হিন্দু ধর্মে মৃত্যু মানে শেষ নয়, নতুন যাত্রার শুরু। আর এই যাত্রার শেষ ঠিকানা চিতা। কামরাঙ্গীরচর শ্মশানের মোহরার কার্ত্তিক চন্দ্র শর্মা জানালেন বিস্তারিত।

ঢাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য রয়েছে চারটি শ্মশান— দুটি সিটি কর্পোরেশনের অধীনে- পোস্তগোলা, কামরাঙ্গীরচর।

এছাড়া রাজারবাগ কালীমন্দির সংলগ্ন মহাশ্মশান এবং রায়েরবাজার।

দাহ্যের পর কী হয়? ছাই-হাড় সংগ্রহ। নিরবপাঞ্জলি, তর্পণ। চতুর্থ দিনে রসম পাগড়ি। তের দিনে পিণ্ডদান ও তেরহভিন।

‘শ্মশান নামমাত্র ফি। লাকড়ি ৭ মন, ঘি ১ কেজি, ধূপ, দ্বিতীয় উত্তরীয়া ও অন্যান্য। কোথাও ১০ থেকে ১২ মন লাকড়ি লাগে। খরচ সব মিলিয়ে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকা।

ঢাকার চার শ্মশান

পোস্তগোলা মহাশ্মশান ঢাকার সবচেয়ে বড় শ্মশান। ১৯১৬ সালে শ্রী গোকুল চন্দ্র রায়ের টাকায় তৈরি। ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের অধীনে। তিনটি চিতাপীঠ, একটি ইলেক্ট্রিক চুল্লি (১৯৯৫ সালে বসানো, কিন্তু লাশ কম থাকায় বর্তমানে বন্ধ)।

মাসে ৫০ থেকে ৬০টি লাশ আসে। দুই ভাগ— দাহ্যের জায়গা আর সমাধিক্ষেত্র।

সাধারণ সমাধি তিন মাস পর ভাঙা হয়। স্থায়ী সমাধির জন্য ১০ হাজার (তাৎক্ষণিক) বা ১৬ হাজার (অগ্রিম) টাকা।

ঠিকানা: পোস্তগোলা শ্মশানঘাট রোড, ঢাকা।

কামরাঙ্গীরচর শ্মশান প্রায় ৩শ’ বছরের পুরনো। বুড়িগঙ্গার চরে জেগে উঠেছিল। এখন মাত্র পাঁচ থেকে ছয় কাঠা জায়গা। সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত।

লালবাগ বাজার থেকে বেড়িবাঁধের পাশে। ঠিকানা: কেল্লার মোড় বাজার সংলগ্ন, বুড়িগঙ্গা তীর। যোগাযোগ: কার্ত্তিক চন্দ্র শর্মা ০১৮১৯২৮৪০৬৯,

রাজারবাগ কালীমন্দির মহাশ্মশান দশ একর ৩২ শতক জমির ওপর গড়ে উঠেছে। কৃপামণি দেবী, মধুসূদন বেপারী ও ভাওয়াল রাজার সহযোগিতায় তৈরি। একটি চিতাপীঠ। ঠিকানা: কদমতলী রোডের শেষ মাথা, রাজারবাগ, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪।

রায়েরবাজার শ্মশান একশ বছর আগে পাল সমিতির উদ্যোগে তৈরি। ব্যক্তিগত জমিতে, কমিটি দেখভাল করে। একটি চিতাপীঠ।

ঠিকানা: শ্মশান গলি, রায়েরবাজার কমিউনিটি সেন্টারের পাশে।

খ্রিস্টানদের সমাধিক্ষেত্রের খোঁজ-খবর

ঢাকায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের জন্য রয়েছে তিনটি প্রধান সমাধিক্ষেত্র— ওয়ারী, তেজগাঁও আর রায়েরবাজার। এগুলোর তত্ত্বাবধান করে সেন্ট মেরিস ক্যাথেড্রাল, কাকরাইল।

মৃত্যুর পর প্রথমে গোসল, পরিচ্ছদ। অনেকে প্রিয়জনের প্রিয় ঘড়ি, আংটি, চশমা পরিয়ে দেন। সাদা কাপড়ে মোড়ানো হয়। প্রার্থনা দুবার হয়। একবার চার্চে, আরেকবার সমাধির আগে।

ওয়ারী খ্রিস্টান কবরস্থান টিপু সুলতান রোড, বলধা গার্ডেনের উল্টোদিকে। এলাকা প্রায় ৮-৯ একর। ১৭ শতকে পর্তুগিজ-আর্মেনিয়ানরা প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে ঢাকা সিমেট্রি বোর্ডের অধীনে রয়েছে।

রিজার্ভ সমাধি বন্ধ। যে কোনো খ্রিস্টান (ক্যাথলিক, প্রটেস্ট্যান্ট, ব্যাপ্টিস্ট) এখানে সমাধিস্থ হতে পারেন।

ঢাকা খ্রিস্টান কবরস্থানের দায়িত্বশীল বিকাশ সাংমা জানালেন- সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কবরস্থান খোলা থাকে।

কেউ মারা গেলে ডেথ সার্টিফিকেটসহ- ১, কাকরাইল চার্চ থেকে অনুমোদন আনতে হয়। সেই অনুমোদন হলে এখানে কবর দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানালেন, কাকরাইলে জমা দিতে হয় ৫ হাজার টাকা, কবর খোঁড়া বখশিশ ৩ হাজার টাকা। দরিদ্র হলে টাকা কম লাগে।

তবে লাশ গোসল ও অন্যান্য কাজ বাড়ি থেকে করে আনতে হয়।

তেজগাঁও হোলি রোজারি চার্চ সমাধিক্ষেত্র ৯ তেজকুনীপাড়া। ১৬৭৭ সালে পর্তুগিজদের তৈরি। নিঝুম পরিবেশ। পুরানো-নতুন দুটি প্রার্থনাঘরের মাঝে সমাধিক্ষেত্র। এটি শুধু ক্যাথলিকদের জন্য।

রায়েরবাজার খ্রিস্টান কবরস্থান, তেজগাঁও এবং ওয়ারীর মতোই। এটিও সেন্ট্রাল ক্যাথলিক চার্চের তত্ত্বাবধানে।

কোথায় যোগাযোগ করবেন?

শুধু ক্যাথলিক: হোলি রোজারি চার্চ, ৯ নং তেজকুনীপাড়া।

সব খ্রিস্টান: সেন্ট মেরিস ক্যাথেড্রাল, ১ নং কাকরাইল রোড।

প্রার্থনার জন্য: তেজগাঁও, আসাদগেট, কাকরাইল, মিরপুর, বনানী, বনশ্রী চার্চ।

বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের জন্য

যাবতীয় তথ্য মিলবে এই ঠিকানায়: brwt.gov.bd

আরও পড়ুন

অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন করবেন যেভাবে

বাবার নামে বিদ্যুৎ মিটার সহজে নিজের নামে করার উপায়

যেভাবে করবেন জন্ম নিবন্ধন তথ্যের সংশোধন

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম