০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

অন্ত্রের জন্য উপকারী সবজি

অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে খেতে হবে শাক ও সবজি।

লাইফস্টাইল ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 Sep 2022, 07:30 PM

Updated : 02 Sep 2022, 07:30 PM

পূর্ণশষ্য আর আঁশ সমৃদ্ধ খাবার পেট ভালো রাখতে সহায়তা করে।

কারণ খাদ্যাভ্যাস সরাসরি প্রভাব রাখে অন্ত্রের ওপর যার ফলাফল দেখা দেয় স্বাস্থ্যে। তবে কোন খাবার অন্ত্রের জন্য উপকারী তা অনেক সময় বোঝা যায় না।

সাধারণত, আঁশধরনের খাবার যেমন- সবজি, ফল ও পূর্ণশস্য ধরনের খাবারে রয়েছে পলিফেনল যা অন্ত্রে সুরক্ষার স্তর তৈরি করতে সহায়তা করে।

গবেষোণায় দেখা গেছে, আঁশ ও পুষ্টিকর খাবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত সবজি ও ফলমূল খাওয়া অন্ত্র সুস্থ রাখতে পারে।

রান্না করা ব্রকলি ও পালংশাক

সালাদে সতে করা সবজি যেমন- পালংশাক, কপি, বকচয়, মটর ইত্যাদি যোগ করা অন্ত্রের জন্য উপকারী ব্যাক্টেরিয়াকে ভিন্নভাবে উন্নত করে।

‘নেচার কেমিকেল বায়োলজি’তে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইউনিভার্সিটি অফ ইয়র্ক’য়ের করা গবেষণার ফলাফল থেকে ‘ইটদিস নটদ্যাট’ ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাতাবহুল সবজিতে থাকে ‘সালফুকোইনোভাস’ সংক্ষেপে ‘এসকিউ’ নামক শর্করার যৌগ যা অন্ত্রের ভালো ব্যাক্টেরিয়ার জন্য উপকারী।

তাই সবুজ শাক খাওয়ার অর্থ হল অন্ত্রের ভালো ব্যাক্টেরিয়াকে খাবার দেওয়া।

অন্ত্রের জন্য উপকারী ব্যাক্টেরিয়া বান্ধব খাবার খাওয়া অন্ত্রের সুরক্ষার স্তর সৃষ্টি করে। ফলে খারাপ ব্যাক্টেরিয়া দূরে থাকে এবং এদের বৃ্দ্ধিতে বাধা দেয়।

শুধু পাকস্থলির চেয়েও অন্ত্র সুস্থ থাকা জরুরি। অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম জ্ঞানীয় ক্ষমতায় প্রভাব রাখে এবং ‘নিউরোডিজেনারেটিভ’ বা স্নায়ুবিক নানাবিধ রোগের হাত থেকে রক্ষা করে।

নিউরোলজি’তে প্রকাশিত শিকাগো’র ‘রাশ ইউনিভার্সিটির’ গবেষণার ফলাফলে জানানো হয়, সবুজ পাতাবহুল উচ্চ আঁশ সমৃদ্ধ খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি স্নায়ু সুরক্ষিত রাখে। ফলে জ্ঞানীয় ক্ষমতার ক্ষয় কমে।

সারা বেলার খাবারে আঁশ সমৃদ্ধ খাবার যেমন- সবজি রাখা যেমন ভালো। তেমনি এর সঙ্গে শাক যোগ করা অন্ত্রকে সুস্থ রাখে এবং এসকিউ’য়ের মাত্রা বাড়িয়ে ভালো ব্যাক্টেরিয়াকে তুষ্ট রাখতে সহায়তা করে।

আরও পড়ুন

পুরানো খবর:

যকৃতের জন্য উপকারী সবজি
বয়সের গতি ধীর করতে পারে যেসব ফল ও সবজি
মৌসুমি ফল ও সবজি অন্য মৌসুমেও কি পুষ্টিকর?
ফল, সবজির খোসা খাওয়া নিয়ে ভুল ধারণা