২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮ আশ্বিন ১৪৩৩

এবার এলএনজি টার্মিনাল করবে সরকার, হবে স্থলে: প্রেস সচিব

দেশে বর্তমানে সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে, যেগুলো বেসরকারি মালিকানাধীন।

এবার এলএনজি টার্মিনাল করবে সরকার, হবে স্থলে: প্রেস সচিব
সাগরে ভাসমান সামিট এলএনজি টার্মিনাল

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Apr 2025, 06:02 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:40 PM

দেশের শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিতে এবার সরকারি উদ্যোগে এলএনজি টার্মিনাল হতে যাচ্ছে, যা স্থাপন করা হবে স্থলভাগে।

এ তথ্য জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, “অনেকে বলেছেন, গ্যাসের অভাবে তারা কারখানা স্থাপন করতে পারছেন না। তাই আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব- একটি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন করতে চাই, যাতে পর্যাপ্ত গ্যাস (বিদেশ থেকে) আনা যায়।”

বৃহস্পতিবার কাতারের রাজধানী দোহায় তিনি এ কথা বলেন বলে বাসস জানিয়েছে।

দেশে বর্তমানে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে। কক্সবাজারের মহেশখালীতে সাগরে থাকা এ দুই টার্মিনালই বেসরকারি মালিকানাধীন।

শফিকুল আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের দোহা সফরের সময় কাতার এনার্জির সঙ্গে একটি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

“বাংলাদেশের কারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে শিগগির স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনালটি স্থাপন করা হবে।”

পেট্রোবাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদ্যুৎ, সারসহ বিভিন্ন খাতে প্রতিদিন ২৭৫০  মিলিয়ন ঘনফুটের মত গ্যাস সরবরাহ করা হয়, যার মধ্যে ১৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট আসে গ্যাসক্ষেত্র থেকে। বাকি ৮৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মেলে দুই এলএনজি টার্মিনাল থেকে; যদিও টার্মিনাল দুটির সক্ষমতা ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

আর্থনা সম্মেলনে যোগ দিতে সোমবার কাতারের রাজধানী দোহায় পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস ও তার সফরসঙ্গীরা। চার দিনের সফর শেষে শুক্রবার ইতালির রোমের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন সরকারপ্রধান। সেখানে শনিবার পোপ ফ্রান্সিসের অন্তেষ্টিক্রিয়ায় তার যোগদানের কথা রয়েছে।

অধ্যাপক ইউনূসের কাতার সফর সম্পর্কে শফিকুল ইসলাম বলেন, এই সফর অত্যন্ত সফল এবং ফলপ্রসূ হয়েছে।

“আমি বলব, এটি সবচেয়ে সফল এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয় সফরগুলোর মধ্যে একটি।”

আশা প্রকাশ করে প্রেস সচিব বলেন, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের সুনাম বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে এবং অনেক বিদেশি বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য এগিয়ে আসবেন।

দেশের অর্থনীতির উত্থান-পতনের কথা তুলে ধরে শফিকুল বলেন, ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সময় ৩২০ কোটি ডলারের ঋণ ছিল, কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তা কমিয়ে ৬০ কোটি ডলারে নামিয়ে এনেছে।

“অবশিষ্ট ঋণ কয়েক মাসের মধ্যে পরিশোধ করা হবে।”