মানসিক স্বাস্থ্যকে অবহেলা নয়
মানসিক সমস্যা যে কারো, যেকোনো বয়সেই হতে পারে।
আমরা এখনও শারীরিক আর মানসিক স্বাস্থ্যকে সমান গুরুত্ব দিতে শিখিনি। যখন কেউ জ্বর বা ব্যথায় ভোগে, তখন আমরা খুব উদ্বিগ্ন হয়ে যাই। কিন্তু, কেউ মন খারাপের কথা বললে বা মানসিক সমস্যায় ভুগলে অনেকেই তা এড়িয়ে যাই।
এছাড়া আমরা অনেকেই ভাবি, মানসিক সমস্যা মানেই সে পাগল হয়ে গেছে। প্রকৃতপক্ষে, মানসিক সমস্যা মানে পাগল হওয়া নয়।
কোনো কারণে বা যে কোনো পরিস্থিতিতে যে কেউ মানসিক অস্থিরতায় ভুগতে পারে। আমি নিজের চোখেই দেখেছি, আমার বন্ধুরা অনেকসময় পড়াশোনা আর পরীক্ষার চাপে ভেঙে পড়ে। বড়দেরও বেকারত্ব বা কাজের চাপে মানসিকভাবে ভেঙে যেতে দেখেছি।
এছাড়াও প্রিয়জন হারানো, পারিবারিক সমস্যায় টানাপোড়েন বা একাকিত্ব থেকেও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়তে পারি আমরা। এমন ঘটনা চারপাশেই দেখা যায়।
আমি মনে করি, এমন পরিস্থিতিতে মনের যত্ন নেওয়াটা খুবই জরুরি। এমন পরিস্থিতিতে পৌঁছানোর আগেও মনের যত্ন নিতে হবে, অর্থাৎ নিজেকে ভালো রাখতে সবসময়ই এটা আমাদের চালিয়ে নেওয়া দরকার।
আমার বিশ্বাস, ছোট ছোট মানসিক সমস্যাকে গুরুত্ব দিলে তা সহজেই ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু আমরা যদি হেলাফেলা করি, তাহলে সেটি বড় সমস্যা হয়ে উঠতে পারে।
মানসিক সমস্যা যে কারো, যেকোনো বয়সেই হতে পারে। তাই কাউকে ছোট না করে পাশে দাঁড়ানো উচিত।
আমার মনে হয়, কাউন্সেলিং ও মানসিক স্বাস্থ্যকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করার পরিবেশ তৈরি করার এখনই সময়।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৭। জেলা: ঢাকা।
