Published : 28 Aug 2026, 10:23 PM
বাম চোখে দেখতে পারছেন না অধ্যাপক আসাদুর রহমান। ডান চোখ একটু ভালো হলেও লিখতে গেলে সমস্যায় পড়ছেন, শরীরের অবস্থাও ভালো না, মনে ভয়ও কাজ করছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বারান্দায় হাঁটতে হাঁটতে কথা বলছিলেন এখানকার নাক, কান, গলা বিভাগের প্রধান এ চিকিৎসক।
গেল ১৭ অগাস্ট ঢাকার শান্তিনগরে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে অটোরিকশায় ওঠার সময় তার ওপর হামলা চালানো হয়। কর্মস্থল থেকে বের হতেই কেন তাকে বেদম মারধর করা হল, সেটি এখনো স্পষ্ট হয়নি।
তবে এ চিকিৎসক বলছেন, হামলার আগে শীর্ষ এক সন্ত্রাসীর নাম করে তার কাছে ১৫ হাজার ডলার চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। তা দিতে সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়। সেই সময় পার হয়ে যাওয়ার দুদিন পরই রাতের বেলায় তার ওপর অতর্কিত আক্রমণ হয়।
গত মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় অন্তত পাঁচজন চিকিৎসককে মারধরের খবর এসেছে সংবাদমাধ্যমে।
চিকিৎসকরা বলছেন, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও চিকিৎসকদের হামলার ঘটনা ঘটে, যেগুলো সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হয় না, কিংবা আলোচনা হয় না।
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল ২২ অগাস্ট এক মানববন্ধনে দাবি করেন, “প্রায় প্রতি সপ্তাহেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসকরা হামলার শিকার হচ্ছেন বলে শুনি। এটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক।”
গত ১৯ মে বরিশালে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক নবজাতকের মৃত্যু ঘিরে শিক্ষার্থী ও স্বজনদের মধ্যে তুলকালাম ঘটনা ঘটে।
তার তিন দিন আগে ১৬ মে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়িত্বরত চিকিৎসক নাসির ইসলামকে মারধর ও হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর করা হয়।
গত ১৬ এপ্রিল পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে চিকিৎসক সঞ্জয় কুমার রায়কে দুই দফায় মারধর করা হয়।
চার দিন পর ২০ এপ্রিল বিকালে অফিস শেষে ফেরার সময় মহাখালীর জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের উপপরিচালক আহমদ হোসেনের ওপর হামলা চালানো হয়।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ২২ অগাস্ট এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে বলেন, “এক গবেষণায় দেখা গেছে, বর্তমানে ৭৮ শতাংশ চিকিৎসক কর্মস্থলে সেবা দিতে গিয়ে শঙ্কিত। কারণ তারা বিভিন্নভাবে হেনস্তকার শিকার হচ্ছেন। হামলার বিরাট একটা সংখ্যা নানা কারণে রিপোর্টিং হয় না।”
চিকিৎসকরা বলছেন, ভুল চিকিৎসার অভিযোগ, হাসপাতালের প্রকল্পের কাজ নিয়ে বিরোধ, চাঁদাবাজি আর ব্যক্তিগত শত্রুতাসহ নানা কারণে চিকিৎসকদের ওপর আক্রমণ চালানো হচ্ছে। এ অবস্থায় হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং বিচার, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের সুরক্ষায় আইনপ্রণয়ন, নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েনসহ কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন তারা।
ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসক অধ্যাপক আসাদুর রহমানকে সপ্তাহখানেক আগে দেখতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার কথা বলেন। অপরাধীদের ধরতে যারা ব্যর্থ হবে, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন তিনি।
অপরাধী চক্রের ধরন সম্পর্কে তিনি বলেন, “একটা সংঘবদ্ধ চক্র, দুর্বৃত্তরা—এরকম ‘হাই-ভ্যালু’ টার্গেট করে যারা বড় বড় হাসপাতাল এবং বড় বড় ডাক্তার বা অন্যান্য পেশায় বড় পেশাজীবী, তাদেরকে টার্গেট করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বার্তা দিয়ে। সর্বশেষ আঘাত (আসাদুর রহমানের ওপর) করে চাঁদাবাজির একটা উদ্দেশ্য তাদের ছিল।”
হামলা নিয়ে যা বলছেন চিকিৎসকরা
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ আকরাম এলাহী বলেন, ‘‘ইমারজেন্সিতে (জরুরি বিভাগ) অনেক সময় একজন ডাক্তার কাজ করেন। কিন্তু রোগীর সঙ্গে অনেক লোকজন আসেন। তাদের মনমত চিকিৎসা না হলে বা তাদের চিকিৎসা পছন্দ না হলেই হামলার ঘটনা ঘটে। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের একার কিছু করার থাকে না।”
এ হাসপাতালটিতে গত ১৬ মে এক চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনা নিয়ে আকরাম এলাহী বলেন, “হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তারা জেল থেকে জামিনে বের হয়েছে। দেখা যাক কী শাস্তি আদালত দেয়।”
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল এর ইন্টারভেনশনাল নিউরোলজিস্ট হুমায়ুন কবির হিমু বলেন, “বাংলাদেশের চিকিৎসা সেবায় ওষুধ থেকে শুরু করে সব কিছুর সংকট রয়েছে। যার দায় শুধু ডাক্তারদের ওপর পড়ে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকদের কেউ ‘ঔন’ করেন না।”
ভুল চিকিৎসার অভিযোগ নিয়ে ঢাকা মেডিকেলের উপাধ্যক্ষ মুসাররাত সুলতানা সুমী বলছেন, ঘটনা তদন্তের আগেই ভুল বলা উচিৎ নয়।
“দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভুল চিকিৎসার নামে ডাক্তারদের বিরুদ্ধে যে ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হচ্ছে, সেটি খুবই দুঃখজনক। পৃথিবীর কোনো দেশের ডাক্তারদের ওপর এবং হাসপাতালে হামলা হয় না। কোনো বিষয়ে ত্রুটি দেখা দিলে সেটার তদন্ত হওয়া উচিত। এটির আগে ভুল চিকিৎসা হওয়া উচিত বলা উচিত নয়।”
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাসপাতাল পরিদর্শনের ঘটনা চিকিৎসকদের ওপর হামলার ‘উস্কানি’ হিসেবে কাজ করে বলেও মনে করেন চিকিৎসকদের কেউ কেউ।
সরকারি একটি ইনস্টিটিউটের এক চিকিৎসকের দাবি, “স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের বিভিন্ন জায়গায় ‘সস্তা জনপ্রিয়তা নিতে’ পরিদর্শনের পর থেকে চিকিৎসকদের ওপর হামলা বেড়েছে।”
তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ ব্যক্তি যদি সবসময় ডাক্তারদের হুমকি দেন তাহলে তো জনগণ সেটা দেখে আরও বেশি সাহস পায়। কোনো জায়গায় চিকিৎসা সেবার পর্যাপ্ত সবকিছু না দিয়ে জনগণ এবং চিকিৎসকদের মুখোমুখি করছে মন্ত্রণালয়। কিন্তু এটার দায় কেউ নিচ্ছে না বা নেয় না।”
মন্ত্রীর হাসপাতাল পরিদর্শনের সঙ্গে হামলার সম্পর্ক কী, এ প্রশ্নে তিনি বলেন, “একটি পরিবারের প্রধান বা বাবা যদি সন্তানদের প্রতিদিন শাসন করে এবং সেটি সবাইকে দেখিয়ে করে, তাহলে তো প্রতিবেশীরা মারতে আসবেই। আর সেটা স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে হয়েছে।”
স্বাস্থ্যসেবায় সরকারের উদ্যোগের সমালোচনা করে ওই চিকিৎসক বলেন, “স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে বিভিন্ন কথা বলা হচ্ছে, আইসিইউ উদ্বোধনসহ বিভিন্ন কিছু হচ্ছে, কিন্তু জনবল নিয়োগ হচ্ছে না। তাহলে এসব চলবে কীভাবে?”
এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ধরেননি।
‘আস্থার সংকট তৈরি করতে’ হামলা?
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক হুমায়ুন কবির হিমু বলেন, ‘‘বাংলাদেশের যে চিকিৎসা ব্যবস্থা তাতে প্রায় ৯৯ শতাংশ রোগীর চিকিৎসা দেশে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু একটা মহল আছে যারা দেশের স্বাস্থ্য সেবার সংকট দেখাতে পারলে লাভবান হয়।
“কারণ আমরা কোভিডের সময় দেখেছি, রোগীদের বিদেশে চিকিৎসা নিতে যেতে হয়নি। সেই সময় সবাই চিকিৎসা পেয়েছে, কারণ ডাক্তাররা আন্তরিকতার সঙ্গে কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছেন।”
গত ২২ অগাস্ট এক কর্মসূচিতে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল বলেন, ‘‘দেশের চিকিৎসা সেবায় আস্থার সংকট দেখাতে পারলে পাশের দেশে রোগীরা চলে যাবে। এটার ফলে অনেকে লাভবান হবেন। তাদের একটা অংশ হাসপাতালে ও চিকিৎকদের ওপর হামলার ইন্ধন যোগান।”
চিকিৎসা সেবায় আস্থার সংকটসহ আরও বহুবিধ বিষয় রয়েছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মির্জা মো. জিয়াউল ইসলাম।
তার কথায়, “দেশে চিকিৎসা ব্যবস্থায় অস্থিরতা থাকলে পাশের দেশের লাভ, এটা কিছু ক্ষেত্রে সত্য। তবে এটি হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে দেশের মানুষের। কারণ প্রান্তিক পর্যায়ে আর ডাক্তাররা সেভাবে চিকিৎসা দিতে পারছেন না ভয়ে। তারা ঢাকায় রোগী রেফার করে দিচ্ছেন। এভাবে চলতে থাকলে পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়বে।”
সুরক্ষায় আইন চান চিকিৎসকরা
চিকিৎসক, স্বাস্থ্যসেবা কর্মী ও রোগীদের সুরক্ষায় আইন প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এছাড়া কিছু ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে, এমন ‘র্যাপিড অ্যাকশন টিম’ রাখার কথাও বলছেন তারা।
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক জিয়াউল ইসলাম বলেন, “কিছুদিন আগে পাগলা ঘণ্টার মত কিছু একটা চালুর কথা হচ্ছিল। আমি এটির পক্ষে নই। কারণ কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে তাকে ধরে মারধর এটিও যৌক্তিক নয়। বরং একটি র্যাপিড অ্যাকশন টিম থাকা দরকার, যারা বিভিন্ন জরুরি দুর্ঘটনায় কাজ করবে।”
ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের (এনএইচএ) মুখ্য সমন্বয়ক হুমায়ুন কবির হিমু বলেন, “শুধু ডাক্তার নয়, রোগীদের সুরক্ষারও আইন থাকা দরকার, যাতে রোগী ও চিকিৎসকদের অধিকার সমুন্নত থাকে। এর আগে অন্তবর্তীকালীন সময়ে আইন তৈরির কাজ অনেকদূর এগিয়েছে বলে জানি। তবে দীর্ঘদিন আর সেই কমিটির সভা হয়নি। এটা হওয়া প্রয়োজন।”
বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে আমরা কাজ করি। তবে চিকিৎসকদের ওপর যে হামলা হচ্ছে সেটি মেনে নেওয়ার মতো নয়।”
শুধু আইন প্রণয়নের মাধ্যমে হামলা বন্ধ করা সম্ভব নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, “আসলে ডাক্তাররা এত সংকটের মাধ্যমে যে সেবা দেয়, সেটা সবার জানা উচিত। আর চিকিৎসকের বিষয়ে জনগণের ভেতরে ইতিবাচক চিন্তা না আসলে হামলা থামবে না।
“এর জন্য সরকারের বিভিন্ন সেবার তালিকা হাসপাতালে প্রচার করে সাধারণ মানুষদের পরিষ্কার বার্তা দেওয়া, যাতে সামাজিক এক ধরনের পরিবর্তন আসে। তাহলে এসব হামলা হবে না।”
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী বলেন, “আমরা চিকিৎসকদের সুরক্ষা আইনের খসড়া তৈরি করেছি। বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলাপ চলছে। আশা করি দ্রুত এটা বাস্তবায়ন হবে।”
চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও হাসপাতালের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঢাকার বাইরের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন করে সশস্ত্র আনসার সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন চিকিৎসকরা।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ আকরাম এলাহী বলেন, ‘‘আনসার নিয়োগের বিষয়টি ইতিবাচক। আমরা এখনো তাদের পাইনি। দ্রুতই জনবল পাব বলে জেনেছি। তারা আসলে অবশ্যই আগের চেয়ে হাসপাতালে নিরাপত্তা ভালো হবে।”
গত ১৯ মে রাজধানীর কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে (সিএমএসডি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্য সংস্থা ও হাসপাতাল মহাখালী এলাকায় হওয়ায় সেখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার। চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও রোগীদের নিরাপত্তায় দেশের চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোতে সেন্ট্রাল ইমারজেন্সি অ্যালার্ম সিস্টেম বা ‘পাগলা ঘণ্টা’ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার।”
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হলেন নন্দদুলাল সাহা বলেন, “এখনো এই ঘণ্টা চালু হয়নি। এটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধানদের একটি সভায় তাদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী সেগুলায় ১০ জন করে আনসার প্রদান করেছেন।
“চিকিৎসক এবং রোগীরদের সুরক্ষায় একটি আইন প্রণয়নের কাজ চলছে। তবে আইন প্রণয়নের বিষয়ে অনেকগুলো ধাপ পেরোতে হয়, তার মধ্যে কেবল খসড়া হয়েছে।”
চিকিৎসকদের ওপর হামলার বিষয়ে তিনি বলেন, “সবশেষ ঢাকা মেডিকেলের অধ্যাপকের ওপর হামলার ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সবাই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছেন। যাতে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা যায়।”
আগের খবর:
চিকিৎসক আসাদুরের ওপর হামলা: চাঁদা চাওয়া হয়েছিল 'ডেভিড ইমনের নামে'
আসাদুর রহমানের ওপর হামলার বিচার দাবি চিকিৎসকদের
চিকিৎসক আসাদুরের ওপর হামলা: গ্রেপ্তার যুবক ৫ দিনের রিমান্ডে
ঢাকা মেডিকেলের ইএনটি বিভাগের প্রধানের ওপর হামলা, রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি
রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হামলা, আহত-১০