হাম: আরও ৪ জনের মৃত্যু
মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১১৪ জনে
দেশে ২৪ ঘণ্টায় চারজনের হামজনিত মৃত্যু হয়েছে; তাদের মধ্যে একজনের রোগটি শনাক্ত হয়েছিল, বাকি তিনজনের ছিল উপসর্গ।
এ নিয়ে চলতি বছর হাম উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০১২ জনে। আর হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ১০২ জন। সেই হিসাবে মোট এক হাজার একশ ১৪ জনের হামজনিত মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়, হাম উপসর্গে সবচেয়ে বেশি মারা গেছে ঢাকা বিভাগে, ৪৫৫ জন। এর পরেই আছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৭৯ জন।
এছাড়া রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮০, চট্টগ্রামে ৮৬, বরিশালে ৬০, খুলনায় ৪৪ ও রংপুর বিভাগে ১৫ জন মারা গেছে।
বুলেটিনে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় ১ হাজার ২২১ জন উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসে, যার মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয় এক হাজার ১৪৪ জন।
এ সময়ে উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে ভর্তি হয় ৩৭৭ জন, চট্টগ্রামে ২৬১, সিলেটে ১৪৩, বরিশালে ১৩৯, খুলনায় ১১৩, ময়মনসিংহ ৬৩, রাজশাহীতে ২৪ এবং রংপুর বিভাগ ২৪ জন ভর্তি হয়।
সব মিলিয়ে এবছর হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ২১ জনে, যার মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৯৩৩ জন।
এর মধে উপসর্গ নিয়ে মোট ভর্তি সংখ্যা ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪, আর হাম রোগীর মোট সংখ্যা ১ হাজার ৬২৩।
চলতি বছরের শুরুতেই দেশের কিছু এলাকায় হামের প্রকোপ দেখা দেয়, যা ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। এরপর ১৫ মার্চ থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোগটি নিয়ে পরিসংখ্যান ও তথ্যউপাত্ত সংরক্ষণ শুরু করে।
হাসপাতালে আসা সব রোগী কিংবা হাসপাতালের বাইরে থাকা রোগীদের সবার হাম পরীক্ষা হয় না। ফলে হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর সঠিক সংখ্যা পাওয়া যায় না। কেবল হাসপাতালে আসা বা ভর্তি রোগীর তথ্য নথিভুক্ত করা হয়।
