Published : 22 Sep 2024, 08:25 PM
শ্লীলতাহানির মামলায় ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ, তুহিন সিদ্দিকী অমি ও শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে চিত্রনায়িকা পরীমনির জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।
এই মামলার বিচার কার্যক্রম চলছে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এ।
রোববার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহিনা হক সিদ্দিকা পরীমনির অবশিষ্ট জবানবন্দি গ্রহণ করে আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি তাকে জেরার জন্য তারিখ নির্ধারণ করেন।
ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী রানা আচার্য্য বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ভুক্তভোগী ও বাদী হিসেবে পরীমনির জবানবন্দি গ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার মধ্য দিয়ে এই মামলাযর ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে একজনের জবানবন্দি গ্রহণ শেষ হল।
তিনি বলেন, পরীমনি বেলা ১১টায় আদালতে হাজিরা দিয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য এজলাস কক্ষে অপেক্ষা করেন। দুপুর ২টার পর বিচারক তার খাসকামরায় ক্যামেরা ট্রায়াল এর মাধ্যমে পরীমনির জবানবন্দি গ্রহণ শুরু করেন।
জবানবন্দি গ্রহণ শেষ হলে বেলা ৩টার দিকে আদালত থেকে বেরিয়ে যান পরীমনি।
২০২২ সালের ২৯ নভেম্বর পরীমনির আংশিক জবানবন্দি গ্রহণের মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর কয়েকটি তারিখে তিনি জবানবন্দি দেওয়ার জন্য সময়ের আবেদন করেন।
২০২৩ সালের ২৪ জুলাই দ্বিতীয় বারের মত আংশিক জবানবন্দী দেন পরীমনি। সেদিন তিনি মামলার স্পর্শকাতর বিষয়ে জনসম্মুখে জবানবন্দি দিতে আপত্তি করলে তার আইনজীবী ক্যামেরা ট্রায়ালের আবেদন করেন।
রোববার বিচারকের খাসকামরায় জবানবন্দি গ্রহণের সময় আসামি শহিদুল ইসলাম ও তার আইনজীবী মো. বশির উদ্দিন, ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন ও তুহিন সিদ্দিকী অমির আইনজীবী আবুল কালাম মোহাম্মদ সোহেল এবং পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত উপস্থিত ছিলেন।
আসামি পক্ষে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন ও তুহিন সিদ্দিকী অমির জন্য সময়ের আবেদন করে এই দুই আসামির অনুপস্থিতে জেরা করার আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।
২০২১ সালের ১৪ জুন ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নাসির উদ্দিন ও তার বন্ধু তুহিন সিদ্দিকী অমির নামসহ আরও চারজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে আসামি করে সাভার থানায় মামলা করেছিলেন পরীমনি।এই মামলার তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সাভার থানার তদন্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন, যেখানে নাসির উদ্দিনসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়।
২০২২ সালের ১৮ মে আদালত মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন।