বিশ্ব নাট্য দিবসের কেন্দ্রীয় আয়োজন হল চীনে

আইটিআই’র সাম্মানিক বিশ্ব সভাপতি রামেন্দু মজুমদার গত ২৭ থেকে ২৯ মার্চ এই অনুষ্ঠানমালায় যোগ দেন।

গ্লিটজ প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 1 April 2024, 01:15 PM
Updated : 1 April 2024, 01:15 PM

ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইন্সটিটিউটের (আইটিআই) আয়োজনে এবার কেন্দ্রীয়ভাবে বিশ্ব নাট্য দিবস উদযাপিত হয়েছে চীনের লাংফাওতে।

আইটিআই’র সাম্মানিক বিশ্ব সভাপতি রামেন্দু মজুমদার গত ২৭ থেকে ২৯ মার্চ এই অনুষ্ঠানমালায় যোগ দেন।

রামেন্দু মজুমদার এবং আইটিআই’রর ডিরেক্টার জেনারেল টোবিয়াস বিয়ানেকানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আইটিআই-র প্রতিনিধিত্ব করেন।

লাংফাওতে নবনির্মিত সিঙ্ক রোড ইন্টারন্যাশনাল আর্ট সেন্টারে বিশ্ব নাট্য দিবসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, নোট সেশন ও তিনটি প্যানেল আলোচনা হয়।

গালা নাইটে চিলি, ফ্রান্স, পোলান্ড, কিউবা ও চীনের শিল্পীরা বিভিন্ন পরিবেশনায় অংশগ্রহণ করেন।

রামেন্দু মজুমদার গ্লিটজকে বলেন, "১৯৮২ সাল থেকে আইটিআই এর সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় বাংলাদেশ। এরপর থেকে অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশেও দিবসটি প্রতি বছর পালন করা হচ্ছে। তবে করোনার সময় ভার্চুয়ালি দিবসটি পালন করা হয়। কেন্দ্রীয় আয়োজনটি একেক সময় একেক দেশে অনুষ্ঠিত হয়।"

বাংলাদেশ আইটিআই-র সাধারণ সম্পাদক দেবপ্রসাদ দেবনাথ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক কাউন্সিল সভায় বাংলাদেশ কেন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব করেন।

২৮ মার্চ বিভিন্ন আইটিআই কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের সভায় রামেন্দু মজুমদার আইটিআই চার্টারের প্রস্তাবিত পরিবর্তনের গুরুত্ব সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করেন।

এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক কাউন্সিলের সভায় বাংলাদেশ, চীন, ভারত, জাপান, কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া, ফিলিপিন্স, শ্রীলংকা ও ভিয়েতনামের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

২৯ মার্চ সবাইকে বেইজিং নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রথমে ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টস ঘুরিয়ে দেখানো হয়। প্যালেস মিউজিয়াম দেখার পর রাতে অপেরা উপভোগ করেন প্রতিনিধিরা।

রামেন্দু মজুমদার ও দেবপ্রসাদ দেবনাথ দেশে ফিরেছেন শনিবার।

১৯৬১ সালের জুন মাসে ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউটের (আইটিআই) নবম কংগ্রেসে বিশ্ব থিয়েটার দিবস প্রবর্তনের প্রস্তাব গৃহীত হয়।

পরের বছর প্যারিসে থিয়েটার অব নেশনস উৎসবের সূচনার দিনটি, অর্থাৎ প্রতিবছর ২৭ মার্চ বিশ্ব নাট্য দিবস উদ্‌যাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বিশ্বের সব দেশের নাট্যকর্মীর মধ্যে ঐক্য স্থাপন, সম্প্রীতি, উদ্দীপনা সৃষ্টি এবং এর মাধ্যমে নাটকের উন্নয়ন মূলত এ দিবসটি উদযাপনের লক্ষ্য।