Published : 03 Aug 2026, 08:35 PM
ভ্যাট কমিশনারেট পুনর্গঠনের ফলে যেসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) পরিবর্তিত হয়েছে, তাদের আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত কার্যক্রমে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে নতুন বিআইএন লাগবে।
তবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান পুরোনো কিংবা নতুন—উভয় বিআইএন ব্যবহার করেই আমদানি-রপ্তানির কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে বলে জানিয়েছে এনবিআর।
সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এনবিআর বলেছে, আমদানি ও রপ্তানি কার্যক্রমে যাতে কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সেজন্য পুরোনো ও নতুন উভয় বিআইএন কাস্টমসের স্বয়ংক্রিয় তথ্যব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ডে সাময়িকভাবে সক্রিয় রাখা হয়েছে।
এর ফলে পুরোনো বিআইএন ব্যবহার করে ইতোমধ্যে খোলা ঋণপত্র (এলসি), বিল অব এন্ট্রি, কাস্টমস ঘোষণাপত্র এবং অন্যান্য চলমান কাস্টমস কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন করা যাবে।
করজাল সম্প্রসারণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং করদাতাদের সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে বিদ্যমান ভ্যাট কমিশনারেটগুলোর অধিক্ষেত্র পুনর্নির্ধারণ করে নতুন কমিশনারেট গঠন করেছে এনবিআর। এর ফলে সংশ্লিষ্ট অনেক প্রতিষ্ঠানের বিআইএন নতুন অধিক্ষেত্রে স্থানান্তরিত হয়েছে।
স্থানান্তরিত বিআইএনের ক্ষেত্রে নম্বরের শেষ চারটি অঙ্ক পরিবর্তিত হয়েছে, যা দিয়ে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেট ও ডিভিশন বোঝায়। তবে প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্য অপরিবর্তিত রয়েছে।
এনবিআর বলছে, পরোক্ষ কর ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল, কার্যকর ও আধুনিক করতে এই প্রশাসনিক সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
পরিবর্তিত বিআইএনধারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পুরোনো বিআইএনের আওতায় থাকা সব চলমান কার্যক্রম শেষ করে নতুন বিআইএন ব্যবহারের প্রস্তুতি নিতে অনুরোধ জানিয়েছে এনবিআর।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৩০ নভেম্বরের পর কাস্টমসের অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে পুরোনো বিআইএন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে। এরপর আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত সব কাস্টমস কার্যক্রম কেবল নতুন বিআইএন ব্যবহার করেই সম্পন্ন করা যাবে।
দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম ‘নিরবচ্ছিন্ন’ রাখা এবং রাজস্ব প্রশাসনকে আরও ‘গতিশীল, কার্যকর ও আধুনিক’ করার লক্ষ্যে এনবিআর সবার সহযোগিতা চেয়েছে।