Published : 09 Jul 2026, 03:26 PM
বিদায়ী অর্থবছরের প্রকৃত রাজস্ব আদায়ের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায়ের যে লক্ষ্যমাত্রা চলতি অর্থবছরে দেওয়া হয়েছে, তা অর্জনে আশাবাদী অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তার ভাষ্য, “রাজস্ব আদায় ইনশাআল্লাহ ভালো হবে। এনবিআরের সবাই চাঙ্গা। ইনশাল্লাহ রাজস্বের যে টার্গেট আমরা দিয়েছি সেটা পূরণ হবে।”
বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজস্ব ভবনে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন চেম্বারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন অর্থমন্ত্রী।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এনবিআরকে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে ৬ লাখ কোটি ৪ হাজার কোটি টাকা।
বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রকৃত আদায়ের পরিসংখ্যান মেলেনি এখনও। এটি ৪ লাখ কোটি টাকার আশেপাশে থাকতে পারে আগেই এনবিআর তথ্য দিয়েছে।
সৌদি চেম্বারের সঙ্গে আলোচনা নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে যেভাবে আমরা কাজ করতেছি সেটা হল, সৌদি আরবে এখন ওখানে যারা আছে, যারা অদক্ষ, তাদেরকে দক্ষ করার জন্য একটা প্রক্রিয়া তারা নিয়েছেন। ওটা ওনারা কাজ করছেন।
“এছাড়া সৌদির সাথে রিয়াদের সাথে যে ব্যবসার জন্য ওনারা কাজ করছেন, সেখানে আমরা, আর্থিক সহায়তায় আমরা কি করতে পারি (সেসব আলোচনা হয়েছে)।”
আমির খসরু বলেন, “আর আমি একটা কথা বারবার বলছি, ফাইনান্সিং আর্কিটেকচার কিন্তু পরিবর্তন হয়ে গেছে সরকারের। এজন্য ভিন্নভাবে অর্থায়নের জন্য আমরা সব জায়গায় দেখছি। সৌদির সাথে কি সুযোগ আছে সেটাও দেখছি।”
এ সময় টেক্সটাইল মিল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সঙ্গে আলোচনা নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “তাদের দাবি- এগুলো আসলে অনেকদিন এসেছে। অনেকদিনের। কিছু সমস্যার সমাধান হয়েছে। আর বাকি সমস্যা ওনারা বলবেন আমরা দেখবো।
“আমরা তো আপনার চাই আমাদের ইন্ডাস্ট্রিগুলোকে দাঁড় করাতে। অর্থনীতি দাঁড়াতে হলে... ইন্ডাস্ট্রি ভালো না করলে আমাদের অর্থনীতি দাঁড়াবে না। সুতরাং এটার উপর নির্ভর করছে আমাদের আগামী দিনের প্রবৃদ্ধি কী রকম হবে, কর্মসংস্থান কি হবে।”
এজন্য শিল্পের যে সুবিধা-অসুবিধা আছে এগুলো তো আলোচনা করতে হবে, এ কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, “তো আমরা অব্যাহতভাবে ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা, তাদের কোথায় সমস্যা আছে, কী সমস্যা আছে, কীভাবে সমাধান দেওয়া যায়, সেগুলো আলোচনা করছি।
“আমি ইতোমধ্যে অনেক নিয়ন্ত্রণ শিথিল করেছি। এরপরও যদি কোন সমস্যা থাকে এগুলো আলোচনা হচ্ছে। এগুলো অনবরত সমাধান হচ্ছে এবং হতে থাকবে।”
অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বসায়ী প্রতিনিধিদের সাক্ষাতের সময় অর্থ সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং এনবিআরের চেয়ারম্যান আহসান হাবিব উপস্থিত ছিলেন।