Published : 17 Oct 2024, 10:02 PM
চট্টগ্রামে পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এবার পাহাড়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারী দখলদারদের তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে ‘পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির ২৯ তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত সমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায়’ এ নির্দেশ দেন সভার সভাপতি বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলাম।
সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের প্রেক্ষিতে বিভাগীয় কমিশনার তোফায়েল ইসলাম চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে পাহাড়ে দখলদারদের তালিকা করা হয়েছে কি না তা জানতে চান।
তখন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সাদি উর রহিম জাদিদ বলেন, “আমাদের কাছে জমিদার বা দখলদারদের তালিকা নেই। তবে নগরের ২৬ পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ এবং অবৈধভাবে বসবাসকারী পরিবারের সংখ্যা রয়েছে; যা হলো ৬ হাজার ৫৫৮টি।”

পাহাড় কাটার মামলা যেহেতু পরিবেশ অধিদপ্তর করে তাই তাদের কাছে দখলদারদের তালিকা আছে কিনা জানতে চান বিভাগীয় কমিশনার।
উত্তরে পরিবেশ অধিদপ্তরের (গবেষণাগার) পরিচালক নাসিম ফারহানা বলেন, তাদের কাছে কিছু দখলদারের নাম রয়েছে। আগামী সভার আগে তিনি এ তালিকা হালনাগাদ করবেন।
এরপর বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলাম বলেন, “পাহাড়ে উচ্চ আয়ের লোকজন নিম্ন আয়ের লোকজনকে বসিয়ে আয় করছেন। পাহাড়ে অবৈধভাবে ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের তালিকা প্রতিবছর হালনাগাদ করা হয়।
“কিন্তু যাদের আশ্রয়–প্রশ্রয়ে নিম্ন আয়ের এসব লোক সেখানে বসবাস করছেন, সেসব দখলদারদের তালিকা করা হয় না। তাদের বিরুদ্ধে মামলাসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা পরিবেশ অধিদপ্তর নিয়েছে। নতুন করে তাদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
দখলদারদের তালিকা প্রস্তুতের পাশাপাশি আকবরশাহ এলাকার সুপারিবাগান, লেকসিটি ও কালিরছড়া খাল এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সভায়।