Published : 15 Feb 2026, 09:02 AM
প্রথম বলেই ছক্কা হজম, যেন এক দুঃস্বপ্নের শুরু। কিন্তু, পরের বলেই উইকেট নিয়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন মার্কো ইয়ানসেন। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে তার বোলিংয়ের মূল চিত্র স্পষ্ট প্রথম দুই বলেই।
বোলিংয়ে বাজে শুরুর পরও ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন ইয়ানসেন।
আহমেদাবাদে শনিবারের ম্যাচে ৭ উইকেটে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। নিউ জিল্যান্ডের ১৭৫ রান ১৭ বল বাকি থাকতে পেরিয়ে গেছে তারা।
৪০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয়বার ম্যাচ-সেরার পুরস্কার জিতেছেন ইয়ানসেন, দুবারই বিশ্বকাপে। গত আসরের সেমি-ফাইনালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৬ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। সেটাই ছিল এই সংস্করণে তার সেরা বোলিং।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে চতুর্থ ওভারে প্রথম আক্রমণে আসেন ইয়ানেসন। ছক্কায় তাকে স্বাগত জানান টিম সাইফার্ট। পরের বলেই কট বিহাইন্ড হয়ে যান তিনি।
পরে ফিন অ্যালেনের ছক্কা ও চারে ওভারটি থেকে আসে ১৭ রান।
পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে এসে প্রথম বলে রাচিন রাভিন্দ্রার ব্যাটে ছক্কা হজম করেন ইয়ানসেন। তার প্রথম সাত বল থেকে আসে ২৩ রান!
পরের বলে শর্ট থার্ড ম্যানে ধরা পড়েন রাভিন্দ্রা। দুই বল পর মিড অফে ধরা পড়েন অ্যালেন।
১৪তম ওভারে ফিরে ঝড় তোলা মাক চ্যাপম্যানকে বিদায় করেন ইয়ানসেন। ১৯তম ওভারে দেন ১০ রান।
দলের প্রয়োজনে পাওয়ার প্লে কিংবা ডেথ, কোথাও বোলিং করতে আপত্তি নেই টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে দেশের হয়ে দুবার করে ম্যাচ-সেরার পুরস্কার জেতা ইয়ানসেনের।
“আমরা জানতাম, এটা ভালো উইকেট। ওদের ওপেনাররা দারুণ অভিপ্রায় দেখিয়েছে। তাই আমরা জানতাম আমাদের শুরুতে উইকেট নিতে হবে। উইকেটে স্লোয়ার ভালো কাজ করেছে এবং ইয়র্কার তো অবশ্যই।”
“পাওয়ার প্লে ও ডেথে বোলিং করা সহজ নয়। যেমন হবে, সেটাই গ্রহণ করতে হবে। মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে এবং যতটা সম্ভব কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে হবে। আমাদের বোলাররা ভালো করেছে।”